Skip to content
জে. আর. ডি. টাটা ছিলেন ভারতের ১ নম্বর পাইলট লাইসেন্সের অধিকারী, ১৯৩২ সালের ১৫ অক্টোবর করাচি থেকে বোম্বে উড়িয়ে নিয়ে যান প্রথম টাটা ডাকবিমান, আর ২৫ বছর ছিলেন এয়ার ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান
অর্থনীতি ও পরিকাঠামো

জে. আর. ডি. টাটা ছিলেন ভারতের ১ নম্বর পাইলট লাইসেন্সের অধিকারী, ১৯৩২ সালের ১৫ অক্টোবর করাচি থেকে বোম্বে উড়িয়ে নিয়ে যান প্রথম টাটা ডাকবিমান, আর ২৫ বছর ছিলেন এয়ার ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

টাটা ১৯২৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ১ নম্বর পাইলট লাইসেন্স নেন এবং ১৯৩২ সালের ১৫ অক্টোবর করাচি থেকে প্রথম টাটা ডাকবিমান ওড়ান। তাঁর বিমান সংস্থা লন্ডনের উড়ান শুরু করে ১৯৪৮ সালের ৮ জুন, আর ১৯৯২ সালে তিনি ভারতরত্ন পান।

· · 7 মিনিটের পাঠ

১৯৩২ সালের ১৫ অক্টোবর জে. আর. ডি. টাটা একটি সেকেন্ড-হ্যান্ড পাস মথে করাচি থেকে উড়লেন, সঙ্গে সেই ডাক যা পরে ভারতের প্রথম বিমান সংস্থা হয়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানের প্রথম ডাক, আর সেদিনই নামলেন বোম্বের বাইরে জুহুর কাদাভরা চরে। তখন তাঁর বয়স ২৮, আর ভারতের ১ নম্বর পাইলট লাইসেন্স তাঁর হাতে তিন বছর আট মাস।

সংস্থাটি বেড়ে হয় এয়ার ইন্ডিয়া, যা ১৯৪৮ সালের ৮ জুন বোম্বে থেকে লন্ডনের উড়ান শুরু করে। ২৫ বছর তার চেয়ারম্যান থাকা টাটা ১৯৯২ সালে ভারতরত্ন পান।

১০ ফেব্রুয়ারি ১৯২৯-এ দেওয়া ১ নম্বর লাইসেন্স

জাহাঙ্গির রতনজি দাদাভয় টাটার জন্ম ১৯০৪ সালে প্যারিসে, আর. ডি. টাটা ও তাঁর ফরাসি স্ত্রী সুনির চার সন্তানের দ্বিতীয়, টাটা গোষ্ঠীর ঐতিহ্য-পাতা অনুযায়ী। স্মিথসোনিয়ানের এয়ার অ্যান্ড স্পেস পত্রিকা জানায়, তিনি ১৯২৫ সালে বোম্বেতে আসেন এবং টাটা গোষ্ঠীতে বিনা বেতনে শিক্ষানবিশি নেন।

বোম্বেতে একটি ফ্লাইং ক্লাব খুললে তিনি উড়তে শেখেন। অ্যারো ক্লাব অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড বার্মা তাঁর সার্টিফিকেট দেয় ১৯২৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, আর এয়ার অ্যান্ড স্পেস বলে তিনি যোগ্যতা পান আকাশে তিন ঘণ্টা ৪৫ মিনিট কাটিয়ে। ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক তাঁকে ১ নম্বর লাইসেন্স ধারণকারী প্রথম ভারতীয় বলে তালিকাভুক্ত করেছে। বহু বছর পরে জীবনীকার আর. এম. লালাকে তিনি বলেছিলেন: “এতে যে ১ নম্বর লেখা ছিল, তা এটির মালিক হওয়ার আমার গর্ব আরও বাড়িয়েছিল।”

এক বছর পরে তিনি আগা খানের ৫০০ পাউন্ডের পুরস্কারের জন্য নাম দেন, যা ইংল্যান্ড থেকে ভারতে একা উড়ে আসা প্রথম ভারতীয়ের জন্য। এয়ার অ্যান্ড স্পেস বলে তিনি জিপ্সি মথে করাচি থেকে ক্রয়ডনের উদ্দেশে উড়েছিলেন, আর দৌড়ে জেতেন ১৮ বছরের অ্যাসপি ইঞ্জিনিয়ার, যিনি পরে ভারতীয় বায়ুসেনার চিফ অফ স্টাফ হন।

ছয় সপ্তাহ পরে, ডাকপথের একটি প্রস্তাব

১৯২৯ সালের মার্চে, লাইসেন্সের ছয় সপ্তাহ পরে, টাটা সন্স ঔপনিবেশিক সরকারের কাছে তাদের প্রথম ডাকবিমানের প্রস্তাব জমা দেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার এক প্রাক্তন রয়্যাল এয়ার ফোর্স পাইলট নেভিল ভিনসেন্ট, যিনি জরিপকারী ও ঝুঁকিবাজ আকাশ-কসরতকারী হিসেবে উপমহাদেশের আকাশে উড়েছিলেন, ছিলেন অংশীদার ও প্রধান পাইলট। সেটি ছিল সাপ্তাহিক পরিষেবা, করাচি থেকে, যেখানে ইম্পেরিয়াল এয়ারওয়েজ ইংল্যান্ড থেকে ডাক নামাত, বোম্বে ও মাদ্রাজ পর্যন্ত। রেলে প্রায় ৪৫ ঘণ্টার জায়গায় বোম্বে হতো প্রায় আট ঘণ্টা দূরে, দুটি বিমান আর সরকারের ১,০০,০০০ থেকে ১,২৫,০০০ টাকা ব্যয়ে, কিন্তু সরকার অভাব দেখাল।

এয়ার অ্যান্ড স্পেস চুক্তির তারিখ দেয় ২৪ এপ্রিল ১৯৩২। চুক্তি চলত দশ বছরের, সংস্থাকে ব্রিটিশ প্রজা নিয়োগ ও ব্রিটিশ বিমান ব্যবহার করতে হতো, আর বহন করা প্রতি পাউন্ড ডাকের জন্য মিলত সামান্য টাকা। টাটার নিজের ইতিহাস অনুযায়ী সংস্থা সামান্য ভর্তুকি চেয়েছিল, প্রত্যাখ্যাত হয়, এবং সিদ্ধান্ত নেয় করাচিতে ইম্পেরিয়াল এয়ারওয়েজের সঙ্গে যোগসূত্র রাখতে প্রেরকেরা যে ডাকটিকিট-মাশুল দিত তার ওপর চালাবে। প্রাথমিক বিনিয়োগ ছিল ২,০০,০০০ টাকা (২ লক্ষ), আর টাটা সন্সের চেয়ারম্যান স্যার দোরাব টাটা প্রথমে “মোটেই উৎসাহী ছিলেন না”, ওই ইতিহাস বলে।

পরে জিজ্ঞেস করা হলে ওই শর্তে কেন এগোলেন, টাটা বলেন তিনি ও ভিনসেন্টের “বিমান পরিবহণের ভবিষ্যতে বিশ্বাস ছিল।”

১৯৩২ সালের ১৫ অক্টোবরের উড়ান

উদ্বোধনের দিন ঠিক হয়েছিল ১৫ সেপ্টেম্বর, কিন্তু বর্ষার বৃষ্টিতে জুহু, তখন বোম্বের উত্তরে উপকূলের শুকিয়ে যাওয়া কাদার চর, নামার পক্ষে বেশি নরম হয়ে পড়ে। শুকোতে লাগল এক মাস। শেষে, ১৫ অক্টোবর, চশমা আর পথ দেখার জন্য একটি স্লাইড রুল নিয়ে টাটা করাচির দ্রিগ রোড বিমানবন্দরে পাস মথে চড়েন।

বোঝার হিসাবে বিবরণ আলাদা। এয়ার অ্যান্ড স্পেস বলে তিনি ১২০ পাউন্ড (প্রায় ৫৪ কেজি) ডাক বহন করেছিলেন। লাইভ হিস্ট্রি ইন্ডিয়া ও দ্য বেটার ইন্ডিয়া দেয় ৪ আনা ডাকটিকিটের ২৫ কেজি চিঠি। ৬০০ মাইল পথের প্রায় মাঝামাঝি আহমেদাবাদে জ্বালানি এসেছিল দুই গ্যালনের টিনে, গোরুর গাড়িতে। এয়ার অ্যান্ড স্পেসে উদ্ধৃত টাটার স্মৃতিতে তিনি ২০ মিনিট পরে আবার আকাশে, “এক গ্লাস লেমোনেড আর সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা বলার পর।”

তাঁর নিজের বিবরণে পাস মথ ঘণ্টায় একশো মাইলের “চমকপ্রদ” গতিতে গুনগুন করে এগিয়েছে। তাঁর মনে আছে, “কোনো রেডিও নেই, কোনো ধরনের দিকনির্দেশক বা নামার সংকেত নেই”, আর বোম্বেতে কোনো বিমানঘাঁটি ছিল না।

মাদ্রাজের ডাক গেল ভিনসেন্টের চালানো দ্বিতীয় একটি পাস মথে, যিনি রাত কাটালেন বেল্লারিতে। ম্যাড্রাস মিউজিংস মাদ্রাজে পৌঁছানোর তারিখ দেয় ১৭ অক্টোবর ১৯৩২।

একশো শতাংশ সময়ানুবর্তিতার এক বছর

ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহণ অধিদপ্তর ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৪ সালের প্রতিবেদনে ১৯৩৩ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত এক বছর বর্ষা সহ ১০০ শতাংশ সময়ানুবর্তিতার সঙ্গে চালানোর জন্য পরিষেবাটির প্রশংসা করে। এয়ার অ্যান্ড স্পেস জানায়, প্রথম পূর্ণ বছরে সংস্থা ১,৬০,০০০ মাইল উড়েছিল, ২৩,৮০০ পাউন্ড ডাক ও মাল এবং ১৫৫ জন যাত্রী নিয়ে।

বর্ষায় জুহু তবু বন্ধ হয়ে যেত, তাই প্রতি বছর সংস্থা দুটি বিমান, তিনজন পাইলট ও তিনজন যান্ত্রিককে সরিয়ে নিত পুনার (পুনে) একটি ময়দানে, টাটার বিবরণে। রাজস্ব বাড়ে ১৯৩৬-এর পর, যখন ব্রিটিশ এমপায়ার মেল সার্ভিস মাশুল ছাড়াই প্রথম শ্রেণির ডাক আকাশপথে নিতে শুরু করে। এরপর আসে বড় বিমান, একটি পাইলট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আর ১৯৩৭ সালে বোম্বে থেকে দিল্লির একটি পরিষেবা। এরপর ভারত সরকার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য সংস্থার পরিষেবা অধিগ্রহণ করে, আর ভিনসেন্ট মারা যান, যে আরএএফ হাডসনে তিনি যাত্রা করছিলেন সেটি ফ্রান্সের উপকূলের কাছে গুলি খেয়ে নামানো হয়েছে বলে জানানো হয়, টাটার ইতিহাস বলে।

টাটা এয়ার লাইনস থেকে এয়ার ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল

১৯৪৬ সালে টাটা এয়ার লাইনস, যা তখন পর্যন্ত টাটা সন্সের একটি বিভাগ, একটি যৌথ মূলধনী কোম্পানি এয়ার-ইন্ডিয়া হয়ে ওঠে। দেশভাগের অস্থিরতার মধ্যে ১৯৪৭ সালের অক্টোবরে টাটারা ইউরোপের একটি পরিষেবার প্রস্তাব দেন, এবং সরকার রাজি হওয়ার আগেই তিনটি লকহিড কনস্টেলেশনের অর্ডার দেন। তাঁদের পরিকল্পনায় সরকারের ৪৯ শতাংশ, টাটাদের ২৫ শতাংশ আর বাকি জনসাধারণের, সঙ্গে সরকারের আরও ২ শতাংশ কেনার একটি বিকল্প। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনুমোদন আসে, টাটা বলেন।

১৯৪৮ সালের ৮ জুন এয়ার-ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইউরোপ পরিষেবা শুরু করে। তার প্রথম বিমান, ম্যালাবার প্রিন্সেস নামের একটি লকহিড কনস্টেলেশন, ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে বোম্বে থেকে কায়রো ও জেনেভা হয়ে লন্ডনে যায়। টাটা বিমানে ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর কাছ থেকে ব্রিটেন, মিশর ও সুইজারল্যান্ডের নেতাদের জন্য শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে, এয়ারওয়েজ ম্যাগাজিন জানায়। ১৯৪৮ সালের ৩ জুনের টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একটি বিজ্ঞাপনে টিকিটের দাম ছিল ১,৭২০ টাকা।

চেয়ারম্যানের আসনে পঁচিশ বছর

১৯৫৩ সালে সরকার বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলিকে মিলিয়ে একটি রাষ্ট্রীয় করপোরেশন করার সিদ্ধান্ত নেয়। টাটার পরামর্শ, যা গৃহীত হয়, ছিল দুটি করপোরেশন, একটি অভ্যন্তরীণ আর একটি আন্তর্জাতিক। ১৯৫৩ সালের ২৮ মে থেকে কার্যকর এয়ার করপোরেশনস অ্যাক্টে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনস ও এয়ার ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল তৈরি হয়, আর টাটা হন এয়ার-ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান এবং ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের পরিচালক। খালিজ টাইমস জানায় এ কাজে তাঁর কোনো বেতন ছিল না।

এয়ার-ইন্ডিয়ার প্রথম জেট, একটি বোয়িং ৭০৭, আসে ১৯৬০ সালের ফেব্রুয়ারিতে, এয়ার ইন্ডিয়া কালেক্টর টাইমটেবল আর্কাইভ অনুযায়ী। ন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস মিউজিয়ামের প্রাক্তন বিমান পরিবহণ কিউরেটর আর. ই. জি. ডেভিস এয়ার অ্যান্ড স্পেসে বলেন, “এয়ার-ইন্ডিয়ার বহর সবসময় আধুনিক ও প্রতিযোগিতাসক্ষম ছিল।” বাণিজ্যিক নির্ধারিত উড়ানের জন্য ১৯৭৯ সালের টনি জ্যানাস পুরস্কার যায় টাটার হাতে, প্রথম এশীয় প্রাপক, টাটা সেন্ট্রাল আর্কাইভস নথিভুক্ত করেছে। টাটার কোম্পানি-ইতিহাসে ৪৬ বছরের বিমান জীবন ছিল দুই আসনের পাস মথ থেকে বোয়িং ৭৪৭ পর্যন্ত।

টাটা জাতীয়করণের বিরোধী ছিলেন। ১৯৫৩ সালে নেহরুকে একটি টেলিগ্রামে তিনি লেখেন, “জাতীয়করণ পরিকল্পনা সঠিক নয় এবং তার ফলে কার্যকর ও স্বয়ংসম্পূর্ণ বিমান পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে না।” নেহরু এক চিঠিতে তাঁর “স্পষ্ট মনোবেদনা” লক্ষ করেন। চেয়ারম্যানের পদ শেষ হয় ১৯৭৮ সালের গোড়ায়। খালিজ টাইমস বলে মোরারজি দেশাইয়ের সরকার তাঁকে সরিয়ে দেয় ১৯৭৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি; টাটা গোষ্ঠীর নিজের পাতাগুলি এক জায়গায় ১৯৭৮ আর আরেক জায়গায় ১৯৭৭ লিখেছে।

সম্মান, আর ৭৮ বছর বয়সের একটি উড়ান

প্রথমে এল পদ্মবিভূষণ: ১৯৫৫ সালের ২৬ জানুয়ারির ভারতের গেজেট তাঁকে প্রাপকদের মধ্যে তালিকাভুক্ত করে। টাটা সন্সের চেয়ারম্যানের পদ এসেছিল ১৯৩৮ সালে, ৩৪ বছর বয়সে, আর তিনি সরে দাঁড়ান ১৯৯১ সালে, রতন এন. টাটার হাতে দায়িত্ব দিয়ে।

১৯৯২ সালে এল ভারতরত্ন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নথিতে ওই বছর তিনটি সম্মান: মৌলানা আবুল কালাম আজাদ (মরণোত্তর), টাটা এবং সত্যজিৎ রায়। রাষ্ট্রপতি আর. ভেঙ্কটরমন ১৯৯২ সালের মার্চে রাষ্ট্রপতি ভবনে তা প্রদান করেন, টাটা সেন্ট্রাল আর্কাইভস নথিভুক্ত করেছে। টাটা গোষ্ঠীর পরিচিতি যেমন উদ্ধৃত করেছে, তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, “আমি কেন? আমি এর যোগ্য নই।” ১৯৯২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে তাঁর হাতে পৌঁছায় রাষ্ট্রসংঘের জনসংখ্যা পুরস্কার। টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ, যার প্রতিষ্ঠার কথা আছে হোমি ভাবা ও পরমাণু কর্মসূচির গল্পে, তারও পেছনে ছিল তাঁর সমর্থন। ১৯৯৩ সালের ২৯ নভেম্বর জেনেভায় তিনি মারা যান।

প্রথম উড়ানের ঠিক পঞ্চাশ বছর পরে, ১৯৮২ সালের ১৫ অক্টোবর, ৭৮ বছর বয়সে টাটা করাচি থেকে বোম্বে একটি লেপার্ড মথ ওড়ান, কারণ কোনো উপযুক্ত পাস মথ পাওয়া যায়নি। প্রায় ১,৫০০ অতিথির ভিড় অপেক্ষা করছিল জুহুতে, যেখানে তিনি নামেন। কেন করলেন জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তিনি আশা করেছিলেন উড়ানটি তরুণদের মধ্যে “উৎসাহের স্ফুলিঙ্গ নতুন করে জ্বালাবে।” ১৯৮২ সালে ভারতে অসামরিক বিমান পরিবহণের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়।

পরে

টাটা সেন্ট্রাল আর্কাইভসে ১৯৩২ সালের উদ্বোধনী উড়ানের একটি আলোকচিত্র আছে, যা টাটার অনুরাগী নভশ্চর কল্পনা চাওলা তাঁর প্রথম মহাকাশ অভিযানে সঙ্গে নিয়েছিলেন। আজকের বিমানবন্দরের কথা জানতে দেখুন ভারতের বিমানবন্দর জোয়ারের লেখাটি।

২০২১ সালের ৮ অক্টোবর টাটা সন্সকে বিজয়ী দরদাতা ঘোষণা করা হয়। হস্তান্তর হয় ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি, যখন সরকার নয়াদিল্লিতে সংস্থার সদর দপ্তরে এয়ার ইন্ডিয়াকে দেয় ট্যালেস প্রাইভেট লিমিটেডের হাতে, টাটা গোষ্ঠীর হোল্ডিং কোম্পানির একটি সহায়ক সংস্থা। দাম ছিল ১৮,০০০ কোটি টাকা, যার ২,৭০০ কোটি নগদে আর ১৫,৩০০ কোটি ক্রেতার নিয়ে নেওয়া ঋণ। টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন. চন্দ্রশেখরন কর্মীদের লেখেন: “এত বছর পর এয়ার ইন্ডিয়াকে টাটা পরিবারে ফিরিয়ে আনতে পেরে আমরা গর্বিত।”

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Tata Group: Wings for a Nation (JRD Tata's account, from the Tata archives)
  2. Tata Group: JRD Tata life timeline
  3. Tata Group: Tata Titans, JRD Tata
  4. Tata Central Archives: Memorabilia Collections
  5. Ministry of Home Affairs: List of Recipients of Bharat Ratna
  6. Gazette of India Extraordinary, 26 January 1955: Padma Vibhushan notification
  7. Ministry of Civil Aviation: JRD Tata became the first Indian to hold a pilot's licence, No. 1
  8. Smithsonian Air & Space: Karachi to Bombay to Calcutta (David Shaftel, 2011)
  9. Madras Musings: When air mail came to Madras
  10. Live History India: JRD Tata and the Beginnings of Indian Aviation
  11. The Better India: The first Air India flight in 1932
  12. Airways Magazine: Air India's first international flight
  13. Observer Research Foundation: The nationalisation of Air India, 1953
  14. Khaleej Times: JRD Tata, an aviator and a perfectionist
  15. Air India Collector: timetables, July 1954 to February 1960
  16. Onmanorama: Air India returns to the Tatas, a timeline (October 2021)
  17. EastMojo: Air India handed over to Tata Group (27 January 2022)
  18. Business Today: Tata Sons chairman's letter to Air India employees (27 January 2022)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#jrd tata#air india#tata airlines#civil aviation#bharat ratna#juhu#indian aviation history#biography

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: অর্থনীতি ও পরিকাঠামো
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯ মাসে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ভারতকে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে নিয়ে যান, যে ডেয়ারি বোর্ড আমুলের মডেল দেশজুড়ে ছড়ায় তার পাশে দাঁড়ান, আর দেশকে দেন জয় জওয়ান জয় কিষান
রেল দুর্ঘটনার দায় নিয়ে ইস্তফা দেওয়া এক ক্ষীণকায় চেহারার মন্ত্রী ১৯৬৪ সালের জুনে প্রধানমন্ত্রী হন, আর এক বছরের মধ্যে তাঁর টেবিলে আসে একটি যুদ্ধ, একটি ব্যর্থ ফসল ও একটি দুধ-কর্মসূচি। সরকারি নথি দেখায় সেগুলি নিয়ে তিনি কী করেছিলেন।
বিনোবা ভাবে ১৯৫১ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত হেঁটে ভারত ঘুরেছেন, ভূদান আন্দোলনে ভূমিহীনদের জন্য প্রায় ৪০ লাখ একর দান-করা জমি সংগ্রহ করেছেন, এবং ম্যাগসেসে পুরস্কার ও ভারতরত্ন পেয়েছেন
১৯৫১ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত পদযাত্রায় থাকা এক গান্ধীবাদী নালগোন্ডার এক গ্রামের কথাবার্তাকে পরিণত করেন নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় স্বেচ্ছা-জমিদানের একটিতে। এখানে সংখ্যাগুলি, কোন সংখ্যা কে দিচ্ছে, আর তার পরের সম্মানগুলি।
রবিশঙ্কর সেতারকে মাইহার থেকে মন্টেরে ও উডস্টকে নিয়ে যান, চারটি গ্র্যামি জেতেন, ১৯৭১ সালের কনসার্ট ফর বাংলাদেশ আয়োজন করেন এবং ১৯৯৯ সালে ভারতরত্ন পান
মাইহারের ভাড়া করা এক ঘর থেকে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন: যে গুরু নিজের শর্ত দিয়েছিলেন, প্রায় এগারো ঘণ্টায় রেকর্ড করা একটি ছবির সংগীত, বাঙালি শরণার্থীদের জন্য একটি সহায়তা-কনসার্ট, আর যেখানে সূত্রগুলি তারিখ ও ডলারের অঙ্কে আলাদা।
← সব লেখা