Skip to content
ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ ২০২৬ সালের ৮ জুলাই জাভার প্রম্বানানে সংস্কারকাজ শুরু করেছে, যেখানে ৫৪টি ফলকে পাথরে খোদাই করা আছে রামায়ণ
ইতিহাস-পুরাণ ও বিশ্বাস

ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ ২০২৬ সালের ৮ জুলাই জাভার প্রম্বানানে সংস্কারকাজ শুরু করেছে, যেখানে ৫৪টি ফলকে পাথরে খোদাই করা আছে রামায়ণ

ছবি: Photo Dharma from Penang, Malaysia / Wikimedia Commons, CC BY 2.0 (ছাঁটা)

বাংলা

২০২৬ সালের ৮ জুলাই ভারতের প্রধানমন্ত্রী আর ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি যোগ্যকার্তার কাছে নবম শতকের এই মন্দির চত্বরে একটি ফলক উন্মোচন করেন। একটি পিয়ার-রিভিউ করা গবেষণাপত্রের গণনা অনুযায়ী এখানে শিব ও ব্রহ্মার মন্দির ঘিরে ৫৪টি ফলকে ঘড়ির কাঁটার দিকে রামের কাহিনি এগিয়ে গেছে। এখন সেই স্থানে কাজ করছে ভারতের জরিপ।

· · 6 মিনিটের পাঠ

২০২৬ সালের ৮ জুলাই ভারতের প্রধানমন্ত্রী আর ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি মধ্য জাভার যোগ্যকার্তার কাছে প্রম্বানান মন্দির চত্বরে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে একটি ফলক উন্মোচন করেন। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর বিবৃতি অনুযায়ী, এটি ছিল স্থানটিতে ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের সংরক্ষণ ও সংস্কার প্রকল্পের সূচনার চিহ্ন। নবম শতকে প্রম্বানানেই রামায়ণ পাথরে খোদাই করা হয়েছিল। একটি পিয়ার-রিভিউ করা গবেষণাপত্রের গণনায় ফলকের সংখ্যা ৫৪, শিব মন্দিরে ২৪টি আর ব্রহ্মা মন্দিরে ৩০টি।

৮ জুলাই কী শুরু হলো

ভারত সরকারের প্রেস দপ্তর প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) জানাচ্ছে, ২০২৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতির ভারত সফরের সময় দুই নেতা প্রম্বানানের মন্দিরগুলো সংস্কারে ভারতের সহায়তা নিয়ে যে সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন, প্রকল্পটি তারই ধারাবাহিকতা। পিআইবি আরও বলছে, জাভার একই অঞ্চলের বৌদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ বরোবুদুর মন্দির চত্বরের ব্যাপক নথিভুক্তকরণের কাজ জরিপ আগেই করেছে।

দ্য ডেইলি পায়োনিয়ার জানাচ্ছে, দুই দেশ একটি লেটার অব ইনটেন্ট বিনিময় করার একদিন পরে অনুষ্ঠানটি হয়। পত্রিকাটি চত্বরটিকে যোগ্যকার্তা শহরের প্রায় ১৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে বলেছে, আর জানিয়েছে ফলক উন্মোচনের আগে প্রধানমন্ত্রীকে “প্রম্বানান মন্দির চত্বরের জন্য ইন্দোনেশিয়া-ভারত যৌথ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ” শিরোনামের একটি অনুষ্ঠানিক ফলক থেকে অবহিত করা হয়।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় সংবাদ সংস্থা আন্তারা জানাচ্ছে, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি মন্দিরের দেয়ালের রামায়ণ ফলকগুলোকে দুই দেশের হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন। চত্বরটির সংরক্ষণ ও সংস্কার নিয়ে চুক্তিকেও তিনি স্বাগত জানান।

কাজের পরিধি নিয়ে এএনআই-এর একটি প্রতিবেদন (দ্য প্রিন্টে প্রকাশিত) বলছে, চত্বরের ভেতরের বেশ কয়েকটি ছোট মন্দিরের সংস্কার ও সংরক্ষণে জরিপ ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ করছে। আইএএনএস-এর বরাতে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন ২০২৯ সালের আগে কাজ শেষ করার অনুরোধ ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি করেছিলেন।

পাথর যে কাহিনি বলে

রামায়ণ প্রথা অনুযায়ী ঋষি বাল্মীকির রচনা। এতে বলা আছে, রামের স্ত্রী সীতাকে লঙ্কার রাজা রাবণ হরণ করেন, আর হনুমান ও বানর সেনার সাহায্যে রাম তাঁকে ফিরিয়ে আনেন। রামায়ণ আসলে কী লেখাটি মহাকাব্যটির পরিচয় দেয়, আর হনুমানের লেখাটি তাতে তাঁর ভূমিকা অনুসরণ করে।

প্রম্বানানে কাহিনিটি পড়তে হয় না, হেঁটে দেখতে হয়। ইন্দোনেশিয়ার একটি সরকারি গবেষণা দপ্তরের প্রত্নতাত্ত্বিক আন্দ্রি রেস্তিয়াদি ২০২০ সালে বেরকালা আরকেওলোগি জার্নালে লিখেছেন, ফলকগুলো খোদাই করা ভেতরের বেষ্টনী প্রাচীরে, অর্থাৎ প্রতিটি মন্দিরকে ঘিরে চলা পথের ধারের নিচু দেয়ালে। ফলকগুলো ঘড়ির কাঁটার দিকে চলে, তাই প্রদক্ষিণ করা ভক্ত, মানে মন্দির ঘিরে ঘড়ির কাঁটার দিকে হাঁটা আচারের পালনকারী, দৃশ্যগুলো ক্রমানুসারে দেখতে পান। ওই পথে হাঁটা মানুষ ছাড়া আর কেউ সেগুলো দেখতে পারে না।

রেস্তিয়াদির বর্ণনায় প্রথম ফলকে দেখা যায়, বিশাল এক সাপের ওপর বসা চতুর্ভুজ বিষ্ণু, তাঁর পাশে তাঁর ঈগল। ক্রমটি শুরু হয়েছে শিব মন্দিরে, যেখানে রামায়ণের ২৪টি ফলক আছে, আর চলেছে ব্রহ্মা মন্দিরে, যেখানে আছে ৩০টি। রিৎসুমেইকান এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হারি গুনারতো, যাঁর সারণিতে একই সংখ্যা আছে, বলেছেন ৫৪তম ও শেষ ফলকে রাম তাঁর পুত্র কুশ ও লবকে চিনে নিচ্ছেন এবং তাঁদের উত্তরাধিকারী ঘোষণা করছেন। বিষ্ণু মন্দিরে আছে কৃষ্ণের জীবন নিয়ে আরও ৩০টি ফলকের দ্বিতীয় একটি চক্র।

বিষ্ণুর কাহিনি বলা এক শিব মন্দির

পিআইবির বিবৃতির ভাষায়, প্রম্বানানের তিনটি প্রধান মন্দির ত্রিমূর্তির, অর্থাৎ ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব এই তিন মহাদেবের উদ্দেশে নিবেদিত। এএনআই-এর প্রতিবেদন আর গুনারতো দুজনের মতেই শিবকে উৎসর্গ করা কেন্দ্রীয় চূড়াটি ৪৭ মিটার উঁচু।

রেস্তিয়াদি লক্ষ করেছেন, শিব ও ব্রহ্মা মন্দিরের রামায়ণ বিষ্ণুর এক অবতারের কাহিনি, অথচ পুরো চত্বরটি গড়ে উঠেছে শিবকে ঘিরে। তিনি লিখেছেন, পণ্ডিতেরা একে প্রায়ই একটি অসঙ্গতি বলেছেন। তাঁর নিজের পাঠ হলো, ৮৫৫ সালে সিংহাসনে বসা রাজা রাকাই কায়ুওয়াঙ্গি কোনো এক বিজয় স্মরণ করতে কাহিনি-ফলকগুলো খোদাই করিয়েছিলেন, আর একে তিনি নিজেই অনুমান বলে চিহ্নিত করেছেন। ভক্তদের বিশ্বাস, রাম ও কৃষ্ণ উভয়েই বিষ্ণুর অবতার, আর রেস্তিয়াদি রামকে সপ্তম ও কৃষ্ণকে অষ্টম বলে গণনা করেছেন।

মহাকাব্যটি জাভায় আগে থেকেই পরিচিত ছিল। রেস্তিয়াদি ৮৮০ সালের একটি শিলালিপির উল্লেখ করেছেন, যার অভিশাপ-সূত্রে আহূত সত্তাদের মধ্যে ভগবান রামের নাম আছে। তিনি সান্তোসোর ১৯৮০ সালের একটি গবেষণা থেকে প্রাচীন জাভানি রামায়ণের কিছু অংশও তুলে ধরেছেন, যেগুলো রামের অবতারকে কৃষ্ণের অবতারের সঙ্গে যুক্ত করে।

প্রম্বানান কত পুরোনো, আর কে কী বলেন

ইউনেস্কো ১৯৯১ সালে প্রম্বানান মন্দির চত্বরকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। তার সম্পত্তি-পাতায় বলা আছে, মূল মন্দির-গুচ্ছের নাম লোরো জঙ্গরাং এবং সেটি ৯ম শতকের, আর মূল কাঠামোগুলো তখনই তৈরি হয়েছিল। পিআইবির বিবৃতিতেও ৯ম শতকের কথা আছে। তবে ইউনেস্কোর একই পাতা চত্বরগুলোর বর্ণনা দিতে গিয়ে ৮ম শতকের কথাও বলে, আর সম্পত্তিটিকে ১০ম শতকের শৈব প্রকাশের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বলে বর্ণনা করে, ফলে পাঠক তার লেখায় তিনটি শতক পাবেন।

সবচেয়ে পরিচিত লিখিত প্রমাণ শিবগৃহ শিলালিপি, যা এখন জাকার্তার জাতীয় জাদুঘরে। জে. জি. দে কাসপারিস এর তারিখ পড়েছেন মার্গশীর্ষ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী, বৃহস্পতিবার, শক ৭৭৮, যা খ্রিস্টীয় ক্যালেন্ডারে ৮৫৬, আর তিনি এটিকে চত্বরটির উদ্বোধনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। রেস্তিয়াদি তারিখটি মেনে নেন। কাজটি কে করেছিলেন তা নিয়ে তাঁর দ্বিমত আছে। তাঁর যুক্তি, রাকাই পিকাতান মন্দিরের কাজ শুরু করে ৮৫৫ সালে মারা যান, আর কায়ুওয়াঙ্গি তা শেষ করে উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, যে আগের লেখকেরা উদ্বোধনের কৃতিত্ব পিকাতানকে দিয়েছেন তাঁরা ঠিক হতে পারেন না, কারণ পিকাতান তখন মৃত। শিলালিপির একটি পঙ্‌ক্তিতে দে কাসপারিস যেমন পড়েছেন সেই মতো পদত্যাগ করা রাজার কথা আছে, নাকি বোয়েশারি ও আইখেলের যুক্তি অনুযায়ী রাজার মৃত্যুর জন্য একটি কোমল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, সে নিয়েও পণ্ডিতেরা একমত নন।

ইউনেস্কোর পাতা জানাচ্ছে, ১১শ শতকের গোড়ায় ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত আর রাজনৈতিক ক্ষমতার স্থানান্তরের ফলে মন্দিরগুলো ধসে পড়ে, আর ১৭শ শতকে সেগুলো আবার আবিষ্কৃত হয়। সংস্কারের কাজ শুরু হয় ১৯১৮ সালে এবং ২০০৬ সালের ২৭ মে-র ভূমিকম্পের পর আবার করা হয়। পাতাটির গণনায় প্রম্বানান মন্দিরে ২৪০টি মন্দির আর বিস্তৃত চত্বরগুলো জুড়ে ৫০৮টি পাথরের মন্দির আছে, যা সরকারি মালিকানার ৭৭ হেক্টর জমিতে অবস্থিত। এতে আরও বলা আছে, লেখাটি যখন তৈরি হয় তখনও শিব মন্দির সংস্কার করা হয়নি, আর তার ওপর কারিগরি সমীক্ষা হয়েছিল ২০১০ ও ২০১১ সালে।

পাথরগুলো আবার জায়গায় বসানো

পদ্ধতি নিয়ে প্রকাশ্য আলোচনা হয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চে ইন্দোনেশিয়ার সংস্কৃতিমন্ত্রী ফাদলি জোন ও জরিপের একটি দলের বৈঠকের পর আন্তারার বরাতে দ্য প্রিন্ট জানিয়েছিল, জরিপের বিশেষজ্ঞরা অ্যানাস্টাইলোসিসের প্রস্তাব দিয়েছেন, অর্থাৎ ঘটনাস্থলে পাওয়া আসল পাথর দিয়ে একটি ভবন নতুন করে জোড়া লাগানোর কৌশল। কাঠামোর প্রয়োজন হলে নতুন পাথরও ব্যবহার করা যায়। দলটি আরও বলেছে, চত্বর জুড়ে ছড়ানো পাথরের খণ্ডগুলো কাজটি কঠিন করে তুলেছে, কারণ কোনো পাথর কোন মন্দিরের তা মেলাতে যত্ন করে তালিকা তৈরি করতে হয়।

মন্ত্রী প্রকল্পটিকে একটি বিস্তৃত কাঠামোয় রেখেছেন। “প্রম্বানান কোনো আলাদা চত্বর নয়, এটি সেওয়ু আর প্লাওসানসহ একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক ভূদৃশ্যের অংশ,” তিনি বলেছেন, পাশের দুটি মন্দির-গুচ্ছের নাম করে। পাথরগুলো শনাক্ত করে আবার জোড়া লাগাতে ডিজিটাল সরঞ্জাম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নিতেও ইন্দোনেশিয়া উন্মুক্ত বলে তিনি জানিয়েছেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জরিপের কাজের ইতিহাস

ভারত ও কম্বোডিয়া সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত বিবরণে জরিপের সবচেয়ে দীর্ঘদিনের বিদেশি কাজের কথা আছে। কম্বোডিয়ার আবেদনে সাড়া দিয়ে জরিপ ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষ মার্কিন ডলার খরচে আঙ্কর ভাট সংস্কার করে, আর বিবরণটি বলছে এ ধরনের সহায়তা দিতে ভারতই প্রথম দেশ। ২০০৩ সালে আঙ্করের তা প্রোমে তারা কাজ শুরু করে। প্রথম দুটি পর্যায় ২০১৫ সালের জুলাইয়ে ৩৪.১৬ কোটি টাকায় শেষ হয়, তৃতীয় পর্যায় শুরু হয় ২০১৬ সালের নভেম্বরে এবং তা ২০২৬ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল, আর সেখানকার নর্তকীদের হল উদ্বোধন করা হয় ২০২২ সালের নভেম্বরে। ২০২২ সাল থেকে প্রেহ ভিহিয়ারে জরিপের তিন সদস্যের একটি দল আছে।

দ্য প্রিন্ট জরিপের আরও কাজের কথা যোগ করেছে: ভিয়েতনামের মাই সন-এ, যেখানে সে প্রাচীন চম্পা রাজ্যে পূজিত শিবলিঙ্গ পেয়েছিল, মিয়ানমারে ২০১৬ সালের ভূমিকম্পের পর আনন্দ মন্দির ও বাগানের প্যাগোডায়, আর লাওসের ভাট ফুতে, যা দুই পর্যায়ে সংস্কার করা হয়েছে। দ্য আর্ট নিউজপেপার ২০০৪ সালে জানিয়েছিল, তা প্রোমের পরিকল্পনা ছিল আনুমানিক ৫৫ লক্ষ মার্কিন ডলারে ১০ বছরে পাঁচ পর্যায়ের, আর কাজ সম্ভব ছিল শুধু নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত, যখন বৃষ্টি কমে।

যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি

এই লেখার জন্য খোলা প্রতিবেদনগুলোতে প্রম্বানানের কোনো বাজেট নেই, জরিপ প্রথমে কোন মন্দিরগুলো হাতে নেবে তার কোনো তালিকা নেই, আর লক্ষ্যটুকু ছাড়া কাজের কোনো সময়সূচিও নেই। এএনআই প্রথম দলটির কথা শুধু বেশ কয়েকটি ছোট মন্দির বলেই বলেছে। ইউনেস্কোর পাতা বলছে, শিব মন্দির সামলানোর পদ্ধতি ঠিক করার আগে তার আরও অধ্যয়ন দরকার ছিল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রম্বানানে বলেছেন, আইএএনএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতিকে কথা দিয়েছেন ২০২৯ সালের আগে প্রকল্প শেষ হবে, আর তিনি তা দেখতে ফিরে আসবেন।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Press Information Bureau, Prime Minister's Office, 8 July 2026: Prime Minister visits the UNESCO World Heritage Prambanan Temple Complex
  2. UNESCO World Heritage Centre: Prambanan Temple Compounds (ref. 642)
  3. Ministry of External Affairs: Brief on India-Cambodia Bilateral Relations (Archaeological Survey of India work at Angkor Wat, Ta Prohm and Preah Vihear)
  4. Andri Restiyadi, The Reliefs of Ramayana and Krishna Story at Lara Jonggrang Temple and Reign Shift of the Ancient Mataram in 9th Century AD, Berkala Arkeologi 40(1), May 2020 (DOI 10.30883/jba.v40i1.478)
  5. ANTARA News, 8 July 2026: Prabowo says Prambanan's Ramayana reliefs unite Indonesia, India
  6. ANTARA News, 8 July 2026: Prabowo, Modi to ink Prambanan Temple conservation cooperation
  7. ThePrint, 17 March 2026: India, Indonesia come together to preserve shared heritage with restoration of 9th-century temple
  8. ThePrint (ANI), 7 July 2026: India to assist Indonesia with restoration of its 1,000-year-old Prambanan Temple
  9. The Daily Pioneer, 9 July 2026: India to help restore Prambanan temple
  10. IANS, 8 July 2026: Indonesians throng streets to catch a glimpse of PM Modi on way to Prambanan Temple
  11. Hary Gunarto, Borobudur and Prambanan Temples: UNESCO Cultural Heritages and Symbol of Indonesian Peace and Religious Harmony, Ritsumeikan Asia Pacific University
  12. The Art Newspaper, 30 April 2004: India pledges support for Angkor Wat restoration

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#prambanan#ramayana#archaeological survey of india#india indonesia#java#temple reliefs#itihasa#unesco world heritage

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: ইতিহাস-পুরাণ ও বিশ্বাস
বরোদার ওরিয়েন্টাল ইনস্টিটিউট ১০২০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত পিছিয়ে যাওয়া রামায়ণ পুঁথি মিলিয়ে দেখে ১৯৬০ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে বাল্মীকি রামায়ণ সাত খণ্ডে প্রকাশ করেছিল
একটি বিভাগ খোলে ১৯৫১ সালের মার্চে, উপাচার্য ১৯৫৪ সালের এপ্রিলে মিলিয়ে দেখার পাতায় প্রথম শ্লোকটি লেখেন, আর নেপালের একটি তালপাতার পুঁথি সবচেয়ে পুরনো তারিখ ঠিক করে দেয়। বাল্মীকি রামায়ণের সাত খণ্ডের পাঠের গল্প।
বাল্মীকি রামের সেনাকে রাম সেতু গড়ার জন্য পাঁচ দিন দেন, আর যেখানে ভক্তেরা সেটিকে বসান সেই চুনাপাথরের চড়াগুলো মাপতে জরিপ কাটিয়েছে কয়েক দশক
মহাকাব্য সেতু গড়ার হিসাব রাখে দিনে দিনে। চড়াগুলো অন্য হিসাব রাখে: জরিপের বোরিংয়ে, উপগ্রহের লেজারে, প্রত্যাহার করা ২০০৭ সালের হলফনামায় আর এখনও খোলা এক আদালতি নথিতে।
রামায়ণের খলনায়ক একজন পণ্ডিত, একজন সংগীতজ্ঞ, এবং একজন রাজাও ছিলেন
মহাকাব্যে তিনি সীতাকে অপহরণ করেন এবং রামের হাতে ধ্বংস হন। একই মহাকাব্য তাকে চার বেদের একজন গুরু, শিবের একজন ভক্ত, এবং একজন পরাক্রমশালী রাজা বানায়। এটাই সম্পূর্ণতর রাবণ, এবং কেন কয়েকটি শহর তাকে সম্মান জানায়।
← সব লেখা