Skip to content
৫০০-র বেশি প্রধান ভাস্কর্যের পাটনের ধাপকূপ রানি কি বাভ ২০১৪ সালের ২২ জুন ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পায় আর এখন ১০০ টাকার নোটে
ভ্রমণ

৫০০-র বেশি প্রধান ভাস্কর্যের পাটনের ধাপকূপ রানি কি বাভ ২০১৪ সালের ২২ জুন ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পায় আর এখন ১০০ টাকার নোটে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

ইউনেস্কো রানি কি বাভকে বর্ণনা করেছে সাত স্তরের সিঁড়িওয়ালা জলব্যবস্থা হিসেবে, যাতে ৫০০-র বেশি প্রধান ও এক হাজারের বেশি ছোট ভাস্কর্য আছে। সংস্কৃতি মন্ত্রক ২০১৪ সালের ২২ জুন তার বিশ্ব ঐতিহ্য অনুমোদনের কথা জানায়, আর ২০১৮ সালে রিজার্ভ ব্যাংক পেছনে এই ধাপকূপের ছবিসহ নতুন ১০০ টাকার নোট ঘোষণা করে।

· · 7 মিনিটের পাঠ

২০১৪ সালের ২২ জুন সংস্কৃতি মন্ত্রক জানায়, উত্তর গুজরাতের পাটনের এগারো শতকের ধাপকূপ রানি কি বাভ দোহায় বসা কমিটির মাধ্যমে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকার জন্য অনুমোদন পেয়েছে। ইউনেস্কোর পাঠ একে বর্ণনা করেছে সাত স্তরের সিঁড়িতে ভাগ করা এক জলব্যবস্থা হিসেবে, যাতে ৫০০-র বেশি প্রধান ও এক হাজারের বেশি ছোট ভাস্কর্য আছে। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে রিজার্ভ ব্যাংক ঘোষণা করে, পেছনের পিঠে ধাপকূপটির ছবি-মোটিফসহ নতুন ১০০ টাকার নোট আসছে।

ধাপকূপ, গুজরাতে যাকে বলে বাভ, এমন এক কূপ যেখানে জল পর্যন্ত নেমে গেছে সিঁড়িওয়ালা একটি করিডর। মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রানি কি বাভ তার ধরনের সবচেয়ে বিকশিত, বিস্তৃত ও অলংকৃত উদাহরণ এবং ভারতে ধাপকূপের বিবর্তনের শীর্ষবিন্দু।

বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি কী লিখেছে

সিদ্ধান্ত ৩৮ COM ৮B.২৫ সম্পত্তিটিকে দুটি মানদণ্ডে তালিকাভুক্ত করেছে। মানদণ্ড (i)-এর অধীনে কমিটি বলছে, ধাপকূপটি “ধাপকূপ-ঐতিহ্যের শৈল্পিক ও প্রযুক্তিগত উচ্চতার একটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরে” এবং নকশার বৈচিত্র্য ও অনুপাতের সুষমার জন্য একে মানুষের সৃজনশীল প্রতিভার স্মারক বলেছে। মানদণ্ড (iv)-এর ভাষা আলাদা: “ভূগর্ভস্থ ধাপকূপ নির্মাণের একটি অসামান্য দৃষ্টান্ত” এবং ভারতীয় উপমহাদেশ জুড়ে পাওয়া জলসঞ্চয়ের একটি ধরনের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।

একই পাঠ বলছে, কার্যকরী কূপটিকে জলের পবিত্রতা উদ্‌যাপনকারী মন্দিরসদৃশ কাঠামোর সঙ্গে মেলানো হয়েছিল, আর তার সংক্ষিপ্ত সংশ্লেষণে পুরোটিকে বলা হয়েছে উল্টো মন্দির। সংস্কৃতি মন্ত্রকের ২০১৪ সালের ২২ জুনের বিজ্ঞপ্তি তালিকাভুক্তিকে বলেছে “ভারতের ঐতিহ্যবাহী জলব্যবস্থার সাক্ষ্য”। এতে যোগ করা হয়েছে যে ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ (এএসআই) ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিজস্ব দল দিয়ে স্থানটির মনোনয়ন দিয়েছিল, আর গুজরাত সরকার শহরের উন্নয়ন পরিকল্পনায় আশপাশের বাফার অঞ্চলের সুরক্ষাকে সমর্থন করেছে।

সোলাঙ্কি যুগের এক রানির স্মারক

ইউনেস্কো বলছে, ধাপকূপটি “প্রথমে এগারো শতকে স্মারক হিসেবে গড়া হয়েছিল”, কিন্তু নির্মাতা বা সাল কোনোটিই বলেনি। অন্য সূত্র তা পূরণ করে। সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীন স্বশাসিত সংস্থা ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস (আইজিএনসিএ) নথিভুক্ত করেছে এই ঐতিহ্য যে রাজা প্রথম ভীমদেবের স্ত্রী রানি উদয়মতী এটি গড়েছিলেন, এবং তাঁর রাজত্বকাল দিয়েছে ১০২২ থেকে ১০৬৩। সহপিডিয়ার জন্য লেখা প্রত্নতত্ত্ববিদ কিরিট মানকোডি একে এগারো শতকের তৃতীয় চতুর্থাংশের বলেছেন এবং ভীমদেবের স্মারক বলেছেন, যিনি মোধেরার সূর্য মন্দিরও গড়েছিলেন।

মানকোডি যোগ করেছেন যে ১৩০৬ সালের প্রবন্ধচিন্তামণিতে ইতিহাসকার মেরুতুঙ্গ ধাপকূপটিকে উদয়মতীর কীর্তি বলেছেন, স্বামী ১০৬৪ সালে মারা যাওয়ার পর, আর রানির একটি পরবর্তী মার্বেল প্রতিকৃতিতে তাঁর নাম আছে। পর্যটন মন্ত্রকের পোর্টাল ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া কাজের আদেশের সাল দিয়েছে ১০৬৩ এবং বলছে মেরুতুঙ্গের বিবরণে কাজে প্রায় দুই দশক লেগেছিল। সংস্কৃতি পত্রিকা নির্মাণকে এগারো শতকের শেষ চতুর্থাংশে রেখেছে, তাই সালটি নিশ্চিত নয়। পাটন তখন সোলাঙ্কিদের রাজধানী ছিল এবং আহমেদাবাদের প্রায় ১২৫ কিমি উত্তরে।

সাত স্তর, চার মণ্ডপ, একটি গভীর কূপ

স্মৃতিসৌধটির মুখ পূর্বে। ইউনেস্কো এর অংশগুলো তালিকাভুক্ত করেছে: ভূমিতল থেকে শুরু হওয়া ধাপযুক্ত করিডর, পশ্চিমের দিকে ক্রমে তলা বাড়তে থাকা চারটি মণ্ডপ, একটি জলাধার, আর সুড়ঙ্গ-শাফটের আকারে একটি কূপ। প্রবেশদ্বারের হারিয়ে যাওয়া অলংকৃত তোরণ থেকে কূপের ওপারের দেয়াল পর্যন্ত মানকোডি মেপেছেন প্রায় ৬৫ মিটার। আইজিএনসিএ দিয়েছে ৬৪ মিটার বাই ২০ মিটার, শাফটের গভীরতা ২৭ মিটার, আর মানকোডি কূপকে ধরেছেন ২৮ মিটারের বেশি গভীর এবং মুখে ১০ মিটার চওড়া।

মানকোডি ও আইজিএনসিএ দুজনের মতেই মূলে সাতটি তলা ছিল, টিকে আছে পাঁচটি। মণ্ডপগুলোর ২৯২টি স্তম্ভের মধ্যে ২২৬টি এখনও দাঁড়িয়ে। মানকোডি লিখেছেন, আজ যে পাথরের দেয়াল দেখা যায় তা মাত্র ৪৫ সেন্টিমিটার পুরু, মাটির চাপ সামলানো লুকোনো ইটের পিঠের ওপর একটি আস্তরণ। সরস্বতী নদী প্রায় ৫০০ মিটার উত্তর দিয়ে বইত এবং কূপে জল জোগাত, আর ৭ বাই ৬ মিটারের একটি গাঁথনির জলাধার তার উদ্বৃত্ত নিত। তাঁর মতে, গুজরাতের যেকোনো ধাপকূপের সবচেয়ে বড় জলাধার সেটি।

দশ অবতার, স্বর্গীয় নারী আর জলের ওপর বিষ্ণু

আইজিএনসিএ বলছে, খোদাইয়ের কেন্দ্রে আছে দশাবতার, বিষ্ণুর দশ অবতার। মানকোডি তালিকা দিয়েছেন, আজ কুলুঙ্গিতে সাতটি পাওয়া যায়: বরাহ, বামন, রাম, বলরাম, পরশুরাম, বুদ্ধ ও কল্কি। নরসিংহের কুলুঙ্গি ফাঁকা। প্রায় ৪০০ কুলুঙ্গির মধ্যে বিষ্ণু ও পার্বতী অন্য যেকোনো দেবতার চেয়ে বেশি বার দেখা যান, আর তাদের মাঝখানের স্তম্ভযুক্ত বেরিয়ে থাকা ফলকে দাঁড়িয়ে আছে অপ্সরা, স্বর্গীয় নারীরা।

শেষ নাগের ওপর শায়িত বিষ্ণু আছেন জলের স্তরে, এমনভাবে যাতে জলাধারের পৃষ্ঠ দৃশ্যের অংশ হয়ে ওঠে। মানকোডির মতে, জলাধারের উঁচু দেয়ালে আছে বিষ্ণুর ২৪টি রূপ আর ১২টি গৌরী, পার্বতীর রূপ।

খোদাইয়ের গণনা সূত্রভেদে আলাদা। ইউনেস্কো দিয়েছে ৫০০-র বেশি প্রধান ও এক হাজারের বেশি ছোট ভাস্কর্য। মানকোডি আজ প্রায় ৪০০ বড় মূর্তি গুনেছেন, পরিকল্পিত অন্তত ৮০০-র বিপরীতে, আইজিএনসিএ বলছে আনুমানিক ৮০০-র মধ্যে প্রায় ৪০০ টিকে আছে, আর ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া বলছে ৮০০-র বেশি।

প্রায় সাত শতক পলির নিচে

ইউনেস্কোর পাঠ অনুযায়ী, ভূ-টেকটনিক নড়াচড়ায় সরস্বতী অদৃশ্য হয়ে গেলে ধাপকূপটি জলের উৎস হিসেবে অচল হয়ে যায়, আর তার পরের বন্যার পলি একে সাত শতকের বেশি সংরক্ষণ করেছিল। কমিটি বন্যা ও পলি জমার কাল ধরেছে তেরো শতক এবং বলছে কাঠামোটি তারপর বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে মনে হয় না। মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি একই ক্রম দিয়েছে এবং সংরক্ষণের অবস্থার কৃতিত্ব দিয়েছে এএসআইকে।

ক্ষতির আরও দীর্ঘ বিবরণ দিয়েছেন মানকোডি। বারবার বন্যায় ওপরের অংশগুলো ধসে পড়ে, আর উনিশ শতকের গোড়ায় এক জমির মালিক ওপরের তলার ভেঙে পড়া স্তম্ভ গাড়িতে করে নিয়ে গিয়েছিলেন পাটনের নতুন ধাপকূপ বারোট বাভের জন্য। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া বলছে, হেনরি কাউসেন্স ও জেমস বার্জেস উনিশ শতকের শেষে দেখেছিলেন শুধু কয়েকটি স্তম্ভ আর কূপের শাফট, এবং স্থানটি ফের আবিষ্কৃত হয় ১৯৪০-এর দশকে। সংস্কৃতি পত্রিকা এএসআই-এর খননের শুরু ধরেছে ১৯৫৮ সালে। মানকোডি লিখেছেন, ১৯৮০-র দশক থেকে এএসআই স্মৃতিসৌধটির পলি সরিয়েছে, দেয়াল সারিবদ্ধ করেছে আর টিকে থাকা ভাস্কর্য আবার বসিয়েছে। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়াও এএসআই-এর ব্যাপক পুনরুদ্ধার ওই দশকে রেখেছে।

মেরামত নিয়ে ইউনেস্কোর খাঁটিত্ব-মূল্যায়ন বলছে, পুনর্নির্মিত অংশ বসানো হয়েছে শুধু যেখানে অবশিষ্ট ভাস্কর্য রক্ষায় প্রয়োজন ছিল, আর সেগুলোর মসৃণ, অলংকরণহীন পৃষ্ঠ আদি পাথর থেকে সহজে আলাদা চেনা যায়। মন্ত্রক বলছে, এএসআই সাইআর্ক ও স্কটিশ টেনের সঙ্গে ধাপকূপটির ডিজিটাল নথিভুক্তি করেছে। বিজ্ঞপ্তি আরও যোগ করেছে যে ধাপকূপের পাশে ঐতিহাসিক জলাশয় সহস্রলিঙ্গ তালাওয়ের খনন-করা অংশ এএসআই-এর হাতে, আর গুজরাত এএসআই-এর সঙ্গে কাজ করে উন্নয়ন পরিকল্পনায় তার খনন-করা ও না-করা দুই অংশই সুরক্ষার জন্য চিহ্নিত করেছে।

১০০ টাকার নোটে আর পরিচ্ছন্নতার র‍্যাঙ্কিংয়ে

২০১৮ সালের ১৯ জুলাইয়ের রিজার্ভ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি মহাত্মা গান্ধী (নতুন) সিরিজের ১০০ টাকার নোট ঘোষণা করেছিল, গভর্নর উর্জিত আর প্যাটেলের সইসহ। দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরে পেছনের পিঠের মোটিফ হিসেবে রানি কি বাভের নাম বলা আছে, মূল রং ল্যাভেন্ডার আর মাপ ৬৬ মিমি বাই ১৪২ মিমি। আগের ১০০ টাকার নোট বৈধ মুদ্রাই থাকবে। ব্যাংকের কাঠামো জানতে দেখুন রিজার্ভ ব্যাংক ও টাকা নিয়ে আমাদের ব্যাখ্যা।

সংস্কৃতি মন্ত্রকের ২০১৯ সালের জানুয়ারির একটি সারাংশ বলছে, ২০১৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ২৫টি এএসআই স্থান আদর্শ স্মারক নামে শুরু হয়েছিল, আর এএসআই সেগুলোকে পরিচ্ছন্নতায় র‍্যাঙ্ক করেছে: শৌচাগার, সবুজ ঘাসের লন, পলিথিনমুক্ত এলাকা, সচেতনতার ফলক, প্রতিবন্ধী দর্শনার্থীর যাতায়াত, পানীয় জল ও আবর্জনার বিন। তার মতে, রানি কি বাভকে দেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন আইকনিক স্থান ঘোষণা করা হয়েছিল। পাটন জেলা প্রশাসন এই সম্মান ২০১৬ সালে নয়াদিল্লির ভারতীয় স্যানিটেশন সম্মেলনের বলে ধরেছে এবং খেতাবটি দিয়েছে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন আইকনিক স্থান। ইন্ডিয়া ওয়াটার পোর্টালের সেই সম্মেলনের প্রতিবেদন, ২০১৬ সালের ৪ অক্টোবর হালনাগাদ, লিখেছে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন আইকনিক স্মৃতিসৌধ।

আদালজ ও দাদা হরির বাভের সঙ্গে তুলনা

গুজরাতের ধাপকূপগুলোর মধ্যে মানকোডি রানি কি বাভকে একটি সবচেয়ে বড় বলেছেন এবং বলছেন তার ভাস্কর্যসম্পদ অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে যায়। ইউসিএলএ সেন্টার ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়া একে রাজ্যের সম্ভবত সবচেয়ে মহিমান্বিত বলে বর্ণনা করেছে, সিঁড়ির পাশের দেয়ালে হিন্দু দেবতা ও মনোহারিণী নারীমূর্তি নিয়ে। আদালজ ও দাদা হরির বাভ দুটিই সুলতান মাহমুদ বেগড়ার রাজত্বকালের, চার শতকেরও বেশি পরের।

ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া বলছে, গান্ধীনগরের কাছে আদালজ শুরু হয়েছিল ১৪৯৮ সালে। পাঁচ তলা গভীর, সোলাঙ্কি রীতিতে গড়া, এতে হিন্দু, জৈন ও ইসলামি মোটিফ মিশে আছে এবং আলো-বাতাস নামানোর জন্য একটি অষ্টভুজাকার খোলা অংশ আছে। একই পাতা বলছে, বাঘেলা রাজবংশের রানা বীর সিং এটি শুরু করেছিলেন এবং শেষ হওয়ার আগেই তাঁর রাজ্য সুলতান মাহমুদ বেগড়ার হাতে পড়ে। ইউসিএলএ যোগ করেছে, অষ্টভুজাকার কূপ আর পিছিয়ে যাওয়া স্তম্ভ ও আড়কাঠের সারি বিশেষভাবে নজরকাড়া।

দাদা হরির বাভ আহমেদাবাদের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১৫ কিমি দূরে আসারওয়ায়। একটি সংস্কৃত শিলালিপি একে মাহমুদ শাহের রাজত্বকালে ১৪৯৯ সালের ডিসেম্বরের বলে সাল দিয়েছে এবং খরচ লিখেছে ৩,২৯,০০০ মাহমুদি, যাকে ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া তৎকালীন মোটামুটি ৩ লক্ষ টাকা বলেছে। একটি ফারসি শিলালিপি কৃতিত্ব দিয়েছে ধাই হরিরকে, বেগড়ার অন্দরমহলের এক মহিলা, আর নামটি পরে সরে গিয়ে হয়েছে দাদা হরির। ইউসিএলএ বলছে, এটি আহমেদাবাদের আগেকার মাতা ভবানী বাভের ধারা অনুসরণ করেছে এবং এতে কোনো মূর্তিই নেই, পাটনের খোদাই-করা দেয়ালের ঠিক উল্টো। আদালজের সঙ্গে তাকে ইউসিএলএ মুসলিম যুগের সেরা ধাপকূপগুলোর মধ্যে ধরেছে।

গুজরাতের ইউনেস্কো-তালিকাভুক্ত অন্য জলের কাহিনি বলা আছে আমাদের ধোলাভিরা নিবন্ধে, আর রাজ্যের বৃহত্তর পরিচয় আছে এক নজরে গুজরাত লেখায়।

ইউনেস্কো এএসআই-কে এরপর কী করতে বলেছে

রানি কি বাভ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় থাকায় কমিটি স্থিতিকরণ ব্যবস্থাসহ একটি ঝুঁকি-প্রস্তুতি পরিকল্পনার সুপারিশ করেছে। সে মাপযোগ্য পর্যবেক্ষণ-সূচক, জরিপের নথি ভাস্কর্যের ছবি ও মানচিত্রের সঙ্গে যুক্ত একটি ডাটাবেস, পরিকল্পিত দর্শনার্থী কেন্দ্র গড়ার আগে একটি ঐতিহ্য প্রভাব মূল্যায়ন এবং আরও শক্তপোক্ত দর্শনার্থী ব্যবস্থাপনাও চেয়েছে। পাঠ বলছে, ধাপকূপের দিকে পাটনের পশ্চিমমুখী বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

জাতীয় স্মারক হিসেবে সম্পত্তিটি ২০১০ সালে সংশোধিত ১৯৫৮ সালের প্রাচীন স্মারক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান আইনের অধীনে সুরক্ষিত। সবদিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত একটি নির্মাণ-নিষিদ্ধ অঞ্চল আছে, আর এএসআই-এর ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. UNESCO World Heritage Committee, Decision 38 COM 8B.25: Rani-ki-Vav (The Queen's Stepwell) at Patan, Gujarat (text published by InforMEA)
  2. Press Information Bureau, Ministry of Culture: Inscription of Rani Ki Vav, Patan, Gujarat on World Heritage List (22 June 2014)
  3. Reserve Bank of India, Press Release 2018-2019/174: RBI to Issue New Design Rs 100 Denomination Banknote (19 July 2018)
  4. Press Information Bureau, Ministry of Culture: Major Achievements of Ministry of Culture in the last three years (8 January 2019)
  5. Indira Gandhi National Centre for the Arts (Ministry of Culture): Rani-ki-Vav, Patan, Gujarat
  6. Incredible India (Ministry of Tourism): Rani Ki Vav, Patan
  7. Patan district administration: Rani ki Vav, Patan
  8. Kirit Mankodi, Sahapedia: The Rani ki Vav Stepwell at Patan, Gujarat
  9. Sanskriti Magazine: Gujarat's Rani ki Vav added to UNESCO's World Heritage list
  10. India Water Portal: Champions of cleanliness (INDOSAN 2016 report, updated 4 October 2016)
  11. UCLA Center for India and South Asia: Stepwells
  12. Incredible India (Ministry of Tourism): Adalaj Stepwell
  13. Incredible India (Ministry of Tourism): Dada Harir Vav

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#rani ki vav#patan#stepwell#unesco world heritage#solanki dynasty#gujarat#archaeological survey of india#rs 100 note

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: ভ্রমণ
ইউনেস্কো ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর বেলুর, হালেবিডু ও সোমনাথপুরার হোয়সল মন্দিরগুলোকে ভারতের ৪২তম বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান করেছে, সমগ্র বহির্ভাগ জুড়ে ছড়ানো ভাস্কর্যের কথা উল্লেখ করে
পাথরটি এতটাই নরম যে সূক্ষ্ম খোদাই করা যায়, আর বাতাসে শক্ত হয়ে ওঠে। কর্নাটকের তিন মন্দির নিয়ে ইউনেস্কোর কমিটি কী লিখেছে, প্রতিটির তারিখ কীভাবে ঠিক করা হয়, দেয়ালে কী খোদাই আছে আর ঘুরে দেখা নিয়ে সরকারি পাতাগুলো কী বলে, তা এই লেখায়।
ধোলাভিরা পাথর কেটে বানানো অন্তত ১৬টি জলাধারে বৃষ্টির জল ধরে রেখেছিল, আর ২০২১ সালে ভারতের ৪০তম বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল হয়েছে
জোশীর জরিপ-দল ১৯৬০-এর দশকের শেষে ঢিপিগুলো পায়। তারপর বিষ্টের দল ১৩টি খননের মরসুমে বের করে আনে প্রাচীর, ফটক, কুয়ো আর পাথর-বাঁধানো জলাধারের একটি শৃঙ্খল, সঙ্গে দশটি বড় চিহ্নের একটি বোর্ড, যা কেউ পড়তে পারে না।
চণ্ডীগড়ের ক্যাপিটল কমপ্লেক্স, ১৯৪৮ সাল থেকে পরিকল্পিত একটি শহরের জন্য ল্য করবুজিয়ের নকশায় তৈরি, সাত দেশের ১৭টি স্থানের একটি হিসেবে ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় যুক্ত হয়েছে
১৯৪৮ সালের মার্চে অনুমোদিত একটি জায়গা থেকে খোলা হাত, ছায়ার মিনার আর জ্যামিতির পাহাড়সহ কংক্রিটের এক চত্বর পর্যন্ত, শহর আর ইউনেস্কোর সুরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভগুলো, সঙ্গে গোপনে শুরু হওয়া এক রক গার্ডেন।
← সব লেখা