Skip to content
ইউনেস্কো ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর বেলুর, হালেবিডু ও সোমনাথপুরার হোয়সল মন্দিরগুলোকে ভারতের ৪২তম বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান করেছে, সমগ্র বহির্ভাগ জুড়ে ছড়ানো ভাস্কর্যের কথা উল্লেখ করে
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারত

ইউনেস্কো ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর বেলুর, হালেবিডু ও সোমনাথপুরার হোয়সল মন্দিরগুলোকে ভারতের ৪২তম বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান করেছে, সমগ্র বহির্ভাগ জুড়ে ছড়ানো ভাস্কর্যের কথা উল্লেখ করে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রিয়াদে তার বর্ধিত ৪৫তম অধিবেশনে (i), (ii) ও (iv) মানদণ্ডে হোয়সলদের পবিত্র সমাহার তালিকাভুক্ত করেছে। তিনটি মন্দির হলো বেলুরের চেন্নাকেশব, হালেবিডুর হোয়সলেশ্বর আর সোমনাথপুরার কেশব, সবকটি ১২ ও ১৩ শতকে ক্লোরাইটিক শিস্টে গড়া। ইউনেস্কো সমগ্র সম্পত্তিকে ধরেছে ১০.৪৭ হেক্টর, আর তিনটিই সুরক্ষিত ও পরিচালিত ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের (এএসআই) হাতে।

· · 7 মিনিটের পাঠ

২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রিয়াদে তার বর্ধিত ৪৫তম অধিবেশনে বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি হোয়সলদের পবিত্র সমাহারকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় তালিকাভুক্ত করেছে, ওই তারিখের ইউনেস্কোর নিজস্ব ঘোষণা অনুযায়ী। এটি সম্পত্তিটিকে ভারতের ৪২তম স্থান করেছে। সিদ্ধান্তে কর্নাটকের তিনটি মন্দিরের নাম আছে, বেলুরের চেন্নাকেশব, হালেবিডুর হোয়সলেশ্বর আর সোমনাথপুরার কেশব, এবং সেগুলো তালিকাভুক্ত হয়েছে (i), (ii) ও (iv) মানদণ্ডে।

বানান পাতাভেদে আলাদা। ইউনেস্কো লেখে Belur, Halebidu ও Somanathapura, যা এই লেখা অনুসরণ করেছে। Beluru ও Halebeedu কর্নাটক পর্যটনের রূপ, আর ব্রিটানিকা লেখে Halebid ও Somnathpur।

কমিটি কী লিখেছে

সিদ্ধান্তের পাঠ, নম্বর ৪৫ COM 8B.38, তিনটি মন্দিরকে ১২ ও ১৩ শতকের হোয়সল পবিত্র স্থাপত্যের সেরা প্রতিনিধি বলে গণ্য করেছে। (i) মানদণ্ডে কমিটি বলছে, মন্দিরগুলো হোয়সল স্থপতি ও শিল্পীদের সৃজনশীল প্রতিভার সাক্ষ্য, আর পাথর খোদাইয়ে তাঁদের দখলকে সে বলেছে “এমন দক্ষতা যা অতুলনীয় থেকে যায়”। (ii) মানদণ্ডে সে বলছে, হোয়সলরা অন্যত্রকার মন্দির-ঐতিহ্য থেকে ভেবেচিন্তে বেছে নিয়েছে, সেগুলোকে বদলেছে এবং নিজেদের উদ্ভাবন যোগ করেছে। (iv) মানদণ্ডে সে মন্দিরগুলোকে বর্ণনা করেছে হিন্দু মন্দিরস্থাপত্যের ঐতিহাসিক বিকাশের একটি উল্লেখযোগ্য ধাপ দেখানো হিসেবে।

তালিকায় পৌঁছনোর পথের তারিখ দিয়েছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো। মন্দিরগুলো ভারতের সাময়িক তালিকায় ওঠে ২০১৪ সালের ১৫ এপ্রিল, আর মনোনয়ন নথি ইউনেস্কোর কাছে পৌঁছয় ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি। ২০২৩ সালের বিজ্ঞপ্তি বলছে ২১টি দেশের কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবং তাতে সংস্কৃতিমন্ত্রীর উদ্ধৃতিতে ভারতকে তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে বসানো হয়েছে।

ইউনেস্কো সমগ্র সম্পত্তিকে দিয়েছে ১০.৪৭ হেক্টর, বাফার জোন ১৯৫.৮৭ হেক্টর। এর মানচিত্রের পাতা সেটিকে ভাগ করেছে বেলুরে ১.৫৯ হেক্টর, হালেবিডুতে ৭ আর সোমনাথপুরায় ১.৮৮ হেক্টর।

তাদের পেছনের রাজবংশ

ব্রিটানিকা হোয়সল রাজবংশের কাল ধরেছে প্রায় ১০০৬ থেকে প্রায় ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দ, দক্ষিণ দাক্ষিণাত্যে শাসন করে। এর প্রথম রাজারা এসেছিলেন দোরসমুদ্রের কাছের পাহাড় থেকে, যা বর্তমান হালেবিড। বিষ্ণুবর্ধন, যিনি প্রায় ১১১০ থেকে ১১৪১ পর্যন্ত রাজত্ব করেন, মালভূমি থেকে চোলদের তাড়িয়ে দেন, আর তাঁর নাতি দ্বিতীয় বল্লাল (রাজত্ব ১১৭৩ থেকে ১২২০) হোয়সলদের দক্ষিণ ভারতের প্রধান শক্তি করে তোলেন, ব্রিটানিকা বলছে। বিজয়নগর রাজবংশ তাদের কাছ থেকে দায়িত্ব নেয়। সেই সাম্রাজ্যের কাহিনি আছে আমাদের কৃষ্ণদেবরায় ও বিজয়নগরের স্বর্ণযুগ নিয়ে লেখায়, আর যে রাজ্যে এই সবকিছু অবস্থিত তার পরিচয় আছে এক নজরে কর্নাটক লেখায়।

তিন মন্দির, তিন তারিখ

বেলুরে ইউনেস্কো নথিবদ্ধ করেছে মন্দির শুরুর ১১১৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে অবিচ্ছিন্ন পূজা, আচার ও উৎসব। কর্নাটক পর্যটন বলছে, রাজা বিষ্ণুবর্ধন এটি বানিয়েছিলেন, একে বিজয়নারায়ণ মন্দিরও বলা হয়, ১১১৬ সালে চোলদের বিরুদ্ধে তাঁর জয়ের স্মরণে, আর বিশ্বাস করা হয় এটি শেষ হতে প্রায় ১০৩ বছর লেগেছিল। একই পাতা অনুযায়ী, ঐতিহ্য প্রধান শিল্পী হিসেবে নাম করে পিতা ও পুত্র দাসোজ ও চাবণের। ইউনেস্কো যোগ করছে, গর্ভগৃহের ওপরের চূড়া ১৯ শতকের শেষ দিকে নামিয়ে ফেলা হয়েছিল এবং আর কখনও গড়া হয়নি, আর মন্দিরটি এখনও উপাসনার জায়গা।

হালেবিডুতে ব্রিটানিকা প্রধান মন্দির, হোয়সলেশ্বরের, তারিখ দিয়েছে প্রায় ১১২১। কর্নাটক পর্যটন বর্ণনা করেছে জোড়া গর্ভগৃহের একটি শিব মন্দির, হোয়সলেশ্বর ও শান্তলেশ্বর, নাম রাজা ও রানির নামে। ইউনেস্কো বলছে সেখানে কোনো চূড়া নেই, এবং শিলালিপির কোনো সংগ্রহেই চূড়ার স্পষ্ট প্রমাণ সে পায়নি। পূজা বহুদিন বন্ধ, শুধু প্রতীকী পূজার অনুমতি আছে। ব্রিটানিকা লিখেছে, হালেবিড, একসময় হোয়সল রাজধানী, ১৩১১ সালে এবং আবার ১৩২৬ সালে লুট হয়েছিল।

সোমনাথপুরায় ব্রিটানিকা দিয়েছে ১২৬৮, আর কর্নাটক পর্যটন নির্মাতার নাম দিয়েছে সোমনাথ দণ্ডনায়ক, রাজা তৃতীয় নরসিংহের অধীনের একজন সেনাপতি। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া একই বছর দিয়েছে এবং তাঁকে সোম বলেছে। ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার মতে এটি তিন গর্ভগৃহের মন্দির, কেশব, বেণুগোপাল ও জনার্দনের আলাদা আলাদা গর্ভগৃহসহ। ইউনেস্কো একে বলেছে সবচেয়ে সম্পূর্ণ উদাহরণ, তিন গর্ভগৃহের প্রতিটির ওপর একটি করে চূড়াসহ। কমিটির পাঠ যোগ করছে, ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ (এএসআই) গত দশকে মূল মন্দিরের ঘেরা প্রাচীর খুলে আবার গড়েছে, আর মন্দির নিজে সেই কাজে ছোঁয়া হয়নি।

১১১৭ থেকে ১২৬৮ হলো ১৫১ বছর, কমিটির অখণ্ডতা-বিবৃতি যে “দেড়শো বছরের নির্মাণকর্ম”-এর কথা বলেছে তার কাছাকাছি।

দেয়াল কী দিয়ে তৈরি

ইউনেস্কোর পাঠ বলছে তিনটিই ক্লোরাইটিক শিস্টে গড়া। কর্নাটক পর্যটন একই উপাদানকে বলে সোপস্টোন। ব্রিটানিকা ব্যাখ্যা করেছে কেন তা কাজের উপযোগী ছিল: পাথর খনি থেকে তোলার সময় নরম, আর বাতাসের সংস্পর্শে শক্ত হয়। কমিটির ভাষায়, “অতি প্রাচুর্যময় অলংকরণ” সম্ভব হয়েছিল কারণ হোয়সলরা সেই মিহিদানার, তুলনামূলক নরম খনিজের গুণ পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছিল। পাঠ চালিয়ে বলছে, খোদাই উঁচু ভাস্কর্যে আর গভীর কাটা, শিল্পীরা প্রতিটি পুঁতি, নখ ও পাতার ফলা খুঁটিয়ে গড়েছিলেন।

মেঝের নকশায় একটি তারা

কমিটি হোয়সল শৈলী নির্ধারণকারী বৈশিষ্ট্যগুলোর তালিকা দিয়েছে: তারা-আকৃতির (নক্ষত্রাকার) গর্ভগৃহ, সেটি ঘিরে একই রেখা অনুসরণ করা একটি প্রদক্ষিণ পথ, বহুস্তরের ফ্রিজ, সেই পথ বরাবর ভাস্কর্যের একটি গ্যালারি আর পুরো বহির্ভাগ জুড়ে খোদাই। পাঠ বহু-কোণযুক্ত নকশার উৎস টেনেছে কর্ণাট দ্রাবিড় ও ভূমিজ ঐতিহ্যে, এবং বলছে এতে এমন তালে খাঁজকাটা দেয়াল হয়েছে যা আগে দেখা যায়নি। নির্মাতাদের বাছাইয়ে চারটি উৎস কাজ করেছিল: উত্তরের নাগর ঐতিহ্য, দক্ষিণের দ্রাবিড়, মধ্য ভারতের ভূমিজ আর কল্যাণীর চালুক্যদের কর্ণাট দ্রাবিড়।

বেলুরে কর্নাটক পর্যটন গর্ভগৃহকে বর্ণনা করেছে তারার আকারের বলে, এবং বলছে এর আঁকাবাঁকা দেয়াল বিষ্ণুর ২৪টি রূপকে দিনভর আলাদা দেখায়, আলো ও ছায়া সরার সঙ্গে সঙ্গে। এর হোয়সলেশ্বর পাতা যোগ করছে একটি তারা-আকৃতির মঞ্চ ও স্বাক্ষরসদৃশ লেদে-ঘোরানো স্তম্ভ, অর্থাৎ ঘোরানো যন্ত্রে আকার দেওয়া স্তম্ভ। ব্রিটানিকা হালেবিডেও ভেতরের লেদে-ঘোরানো স্তম্ভের কথা লিখেছে, নানা আকারে। কমিটির পাঠও বর্ণনা করেছে ভেতরের স্তম্ভগুলো অত্যন্ত পালিশ করা এবং বহু রকম রেখায় কাটা।

সিদ্ধান্তের পাঠ অনুযায়ী, হাঁটার পথ বরাবর উন্মোচিত হতে থাকা কাহিনির যে হোয়সল ধারণা, তা এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল হাম্পির কিছু ১৫ শতকের মন্দিরে। আমাদের হাম্পির ভ্রমণ নির্দেশিকা বলছে সেখানে কী দেখার আছে।

দেয়ালে কী খোদাই করা

কমিটির পাঠ বর্ণনা করেছে ভিত বরাবর একটি ফ্রিজ, হাতি, ঘোড়া, কুমির, গাছ, মানুষ ও পাখিসহ, যা পুরো মন্দিরকে জড়িয়ে আছে। তার ওপরে চলেছে দেবদেবী, বাদক, নর্তক ও তপস্বীর মানুষ-মাপের বা তার চেয়ে বড় মূর্তি। হিন্দু মহাকাব্য ও পুরাণের কাহিনি দেয়াল বরাবর পরপর সাজানো, যাতে প্রদক্ষিণের পথে হাঁটা ভক্ত সেগুলো ক্রমানুসারে পড়তে পারেন। হালেবিডুতে কর্নাটক পর্যটন রামায়ণ ও মহাভারতের নাম করেছে, আর সোমনাথপুরায় ভাগবত পুরাণ যোগ করেছে।

সিদ্ধান্তের পাঠ সল কিংবদন্তিরও নাম করেছে, বাঘ মারা সলের একটি ভাস্কর্য, মন্দিরগুলোর সারাংশ হিসেবে। ব্রিটানিকার রাজবংশ-নিবন্ধ বেলুর মন্দিরে সেই দৃশ্যের একটি ছবির ক্যাপশন দিয়েছে।

কর্নাটক পর্যটন বেলুরে ৪২টি মদনিকা গুনেছে, স্বর্গীয় তরুণীদের ব্র্যাকেট মূর্তি, এবং প্রতিটিকে আলাদা বলেছে। এর মন্দির-পাতা যোগ করছে, তাদের গায়ে জলের ফোঁটাও খোদাই করা, আর বলছে বিশ্বাস করা হয় রানি শান্তলা দেবী ছিলেন একটি মূর্তির আদর্শ, আয়নাধারী নারী। ভেতরের ব্র্যাকেটে কমিটির পাঠ নর্তক ও বাদকদের উপস্থাপনাকে ইন্দ্রিয়ঘন ও গতিশীল বলেছে।

শিল্পীরা তাঁদের কাজে সই করতেন। কমিটি হোয়সল মন্দিরগুলো জুড়ে শত শত স্বাক্ষর গুনেছে, কিছু শুধু নাম বা আদ্যক্ষর, কিছুতে ভাস্করের বংশপরিচয় ও উপাধি। ঔপনিবেশিক-পূর্ব ভারতীয় উপমহাদেশে এই রীতি ছিল অস্বাভাবিক, কমিটি বলছে, এবং এটি হোয়সল সমাজে শিল্পীদের মর্যাদার ইঙ্গিত দেয়।

কারা মন্দিরগুলো দেখে রাখে

কমিটির পাঠ বলছে, সংস্কৃতি মন্ত্রকের সংযুক্ত দপ্তর এএসআই তিনটি উপাদানই সুরক্ষা ও পরিচালনা করে। এএসআইয়ের কেন্দ্রীয়ভাবে সুরক্ষিত স্মৃতিসৌধের তালিকা এগুলোকে রেখেছে বেঙ্গালুরু সার্কেলের অধীনে, বেলুরের মন্দির “Kesava Temple and Inscriptions” নামে। আইনি সুরক্ষা প্রাচীন স্মৃতিসৌধ ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ও ধ্বংসাবশেষ আইন, ১৯৫৮, ২০১০ সালে সংশোধিত। প্রতিটি স্মৃতিসৌধের চারপাশে ১০০ মিটারের নিষিদ্ধ এলাকা আর তার বাইরে ২০০ মিটারের নিয়ন্ত্রিত এলাকা। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর ২০২২ সালের বিজ্ঞপ্তি বলছে, তিন মন্দিরের চারপাশে রাজ্য-সুরক্ষিত স্মৃতিসৌধ দেখে রাজ্য সরকার, আর একটি জেলা মাস্টার প্ল্যান তাদের বাফার জোন ঢাকবে। বেলুরে ধর্মীয় কার্যকলাপ চালায় কর্নাটক হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও দাতব্য বন্দোবস্ত দপ্তর।

ঘুরে দেখা

কর্নাটক পর্যটনের মতে, বেলুর মন্দিরের সময় প্রতিদিন সকাল ৭টা ৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ পর্যন্ত। সোমনাথপুরার ক্ষেত্রে ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার দুটি পাতা একমত নয়: একটিতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা ৩০, অন্যটিতে সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা, তাই সেদিন নিশ্চিত হয়ে নিন। হালেবিডুর সময়, বা তিন মন্দিরের কোনোটির প্রবেশ ফি, দেওয়া কোনো সরকারি পাতা আমরা পাইনি।

কর্নাটক পর্যটনের হিসাবে বেলুর বেঙ্গালুরু থেকে ২২০ কিমি। হাসান জংশন নিকটতম স্টেশন, মন্দিরের পাতায় ৪০ কিমি আর গন্তব্য-পাতায় ৩৪ কিমি। বোর্ড বেলুর থেকে হালেবিডুর দূরত্ব দিয়েছে এক পাতায় ২০ কিমি আর আরেক পাতায় ১৬ কিমি। সোমনাথপুরা মাইসুরু থেকে প্রায় ৩৫ কিমি, আর ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া নিকটতম স্টেশন হিসেবে নাম করেছে মাইসুরু জংশনের। সোমনাথপুরার জন্য বোর্ড আধবেলা সময় দিতে বলেছে। তার বেলুর ও হালেবিডুর পাতা অক্টোবর থেকে মার্চ আর খোদাই বোঝার জন্য একজন গাইড নিতে পরামর্শ দেয়, আর হালেবিডুর পাতা বলছে গর্ভগৃহের ভেতরে আলোকচিত্রে বিধিনিষেধ থাকতে পারে।

কমিটি এরপর কী চেয়েছে

সিদ্ধান্তটি সুপারিশ করেছে ভাস্কর্যের ওপর বাড়তে থাকা বায়ুদূষণের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে, সংরক্ষণে সম্প্রদায়কে যুক্ত করতে, বেলুরের বাফার জোনে ঐতিহাসিক ধ্বংসাবশেষ ও দৃশ্যপট উন্নত করতে, এবং দর্শনার্থী-সুবিধাসহ একটি ব্যাখ্যা পরিকল্পনা তৈরি করতে। এটি ভারতকে বলেছে এ নিয়ে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে, কমিটির ৪৭তম অধিবেশনে পর্যালোচনার জন্য।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. UNESCO World Heritage Centre: Sacred Ensembles of the Hoysalas (property page, read 22 October 2026)
  2. UNESCO World Heritage Committee: Decision 45 COM 8B.38, Sacred Ensembles of the Hoysalas (India)
  3. UNESCO World Heritage Centre: Sacred Ensembles of the Hoysalas, maps and component areas
  4. UNESCO: The Sacred Ensembles of Hoysalas, India's 42nd Inscription on the World Heritage List (18 September 2023)
  5. Press Information Bureau, Ministry of Culture (19 September 2023): India inscribes Hoysala temples and Santiniketan on the UNESCO World Heritage List
  6. Press Information Bureau, Ministry of Culture (31 January 2022): Sacred Ensembles of the Hoysalas submitted for inscription
  7. Archaeological Survey of India: Centrally Protected Monuments/Sites, State-wise and Circle-wise list
  8. Britannica: Hoysala dynasty
  9. Britannica: Halebid
  10. Britannica: Hoysaleshvara (with its entry on Karnatic temple architecture)
  11. Britannica: Somnathpur
  12. Karnataka Tourism: Chennakeshava Temple, Beluru
  13. Karnataka Tourism: Beluru
  14. Karnataka Tourism: Hoysaleswara Temple
  15. Karnataka Tourism: Halebeedu
  16. Karnataka Tourism: Somanathpura Temple
  17. Incredible India (Ministry of Tourism): Keshava Temple, Somnathpura
  18. Incredible India (Ministry of Tourism): Somnathpur Temple

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#hoysala temples#belur#halebidu#somanathapura#unesco world heritage#hoysala architecture#karnataka#archaeological survey of india

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারত
ধোলাভিরা পাথর কেটে বানানো অন্তত ১৬টি জলাধারে বৃষ্টির জল ধরে রেখেছিল, আর ২০২১ সালে ভারতের ৪০তম বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল হয়েছে
জোশীর জরিপ-দল ১৯৬০-এর দশকের শেষে ঢিপিগুলো পায়। তারপর বিষ্টের দল ১৩টি খননের মরসুমে বের করে আনে প্রাচীর, ফটক, কুয়ো আর পাথর-বাঁধানো জলাধারের একটি শৃঙ্খল, সঙ্গে দশটি বড় চিহ্নের একটি বোর্ড, যা কেউ পড়তে পারে না।
৫০০-র বেশি প্রধান ভাস্কর্যের পাটনের ধাপকূপ রানি কি বাভ ২০১৪ সালের ২২ জুন ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পায় আর এখন ১০০ টাকার নোটে
উত্তর গুজরাতের এগারো শতকের এক রানির স্মারক প্রায় সাত শতক নদীর পলির নিচে চাপা ছিল, ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণের খননে বেরিয়ে এসেছে, আর এখন ব্যাংকনোটে দেখা যায়। সরকারি নথি এ নিয়ে কী বলে, এখানে তা-ই।
কাকতীয় সেনাপতি রেচের্লা রুদ্রের হাতে ১২১৩ সালে শুরু হওয়া পালামপেটের রামাপ্পা মন্দির ২০২১ সালের ২৫ জুলাই ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হয়েছে
মুলুগু জেলার ১৩ শতকের একটি শিব মন্দির দাঁড়িয়ে বালির বিছানার ওপর, চূড়া বইছে ছিদ্রযুক্ত ইটে, আর জনপ্রিয়ভাবে তার নাম রামাপ্পার নামে। এর তালিকাভুক্তি, ইউনেস্কো ও এএসআইয়ের নথি এ নিয়ে কী বলে, তা এখানে।
← সব লেখা