অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
পুনরুদ্ধার করা ছবিগুলো নিউ ইয়র্কে মুক্তি পায় ২০১৫ সালের মে মাসে, গড়া হয়েছিল লন্ডনের একটি ল্যাবরেটরিতে ১৯৯৩ সালের জুলাইয়ের নাইট্রেট আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া আসল নেগেটিভ দিয়ে। অ্যাকাডেমি ফিল্ম আর্কাইভ পোড়া কৌটোগুলো রেখেছিল ২০ বছর, আর বলোনিয়ার একটি ল্যাবরেটরি, জানুস ফিল্মসের হিসাবে, প্রায় এক হাজার ঘণ্টা হাতে সেগুলো মেরামত করেছে।
সত্যজিৎ রায়ের অপু ত্রয়ীর আসল নেগেটিভ পুড়ে গিয়েছিল ১৯৯৩ সালের জুলাইয়ে লন্ডনের হেন্ডারসনস ফিল্ম ল্যাবরেটরিজে নাইট্রেট আগুনে, আর তিনটি ছবি পরে গড়ে তোলা হয় যা বেঁচেছিল তা দিয়ে। পুনরুদ্ধার নিউ ইয়র্কে মুক্তি পায় ২০১৫ সালের মে মাসে। ছবিগুলো যে মার্কিন পরিবেশক মুক্তি দিয়েছে সেই জানুস ফিল্মস বলছে, পথের পাঁচালী-র প্রায় ৪০ শতাংশ আর অপরাজিত-র ৬০ শতাংশের বেশি সরাসরি এসেছে আসল নেগেটিভ থেকে, আর অপুর সংসার পুনরুদ্ধার হয়েছে একটি ফাইন-গ্রেন মাস্টার আর একটি নকল নেগেটিভ থেকে।
রায়ের জন্ম কলকাতায় ১৯২১ সালের ২ মে, আর তিনি ১৯৪০ থেকে ১৯৪২ পর্যন্ত শান্তিনিকেতনে পড়েছিলেন, সত্যজিৎ রায় ফাউন্ডেশনের বিবরণ অনুযায়ী। সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যাঁর নিজের গল্প আছে tuput-এর ঠাকুর, নোবেল আর ফিরিয়ে দেওয়া নাইটহুড লেখায়। তিনটি অপু ছবি মুক্তি পায় ১৯৫৫, ১৯৫৬ ও ১৯৫৯ সালে। সেগুলো কীভাবে পুরস্কার জিতেছিল তার কথা আছে আগের লেখা রায়, অস্কার আর ভারতরত্ন-এ। এই লেখায় আছে ছবিটির নিজের কী হয়েছিল।
অ্যাকাডেমি কেন রায়ের প্রিন্ট খুঁজতে গিয়েছিল
অ্যাকাডেমি অফ মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস ১৯৯২ সালে রায়কে সম্মানসূচক পুরস্কার দেয়। সম্প্রচারের প্রযোজকরা শ্রদ্ধাঞ্জলির জন্য ক্লিপ জোগাড় করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর ছবির প্রিন্ট বা ভিডিও মাস্টার খুব কমই পান, আর যা ছিল তা অসম্পূর্ণ ও খারাপ অবস্থায়, অ্যাকাডেমির অনুষ্ঠান-পাতা বলছে।
অ্যাকাডেমি ফিল্ম আর্কাইভের সত্যজিৎ রায় সংরক্ষণ প্রকল্প গড়ে ওঠে সেই খোঁজ থেকে। তাদের পাতা বলছে প্রকল্প শুরু ১৯৯২ সালে। জানুস ফিল্মস একটু ভিন্ন ক্রম দেয়: তাদের পুনরুদ্ধার-পাতা বলছে, রায়ের অনেক ছবি পুনরুদ্ধারের একটি প্রকল্প শুরু হয়েছিল পরের বছর, তাঁর মৃত্যুর পর। রায় মারা যান কলকাতায় ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল, ফাউন্ডেশনের জীবনী লিখেছে। মুভিং ইমেজ আর্কাইভ নিউজ লিখেছে, পুরস্কারের পর কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠানের একটি গোষ্ঠী একটি বিস্তৃত পুনরুদ্ধার শুরু করে।
অ্যাকাডেমি প্রকল্পের অংশীদারদের তালিকা দিয়েছে: সত্যজিৎ রায় সোসাইটি, রায়ের সঙ্গে কাজ করা প্রযোজকরা, ভারতের জাতীয় মহাফেজখানা, মার্চেন্ট আইভরি ফাউন্ডেশন, দ্য ফিল্ম ফাউন্ডেশন আর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্তা ক্রুজের সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড স্টাডি সেন্টার। তারা বলছে, আর্কাইভ রায়ের আঠারোটি পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি আর একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য বিষয় সংরক্ষণ করেছে।
হেন্ডারসনস ফিল্ম ল্যাবরেটরিজের আগুন
জানুস ফিল্মসের পুনরুদ্ধার-পাতায় ঘটনাক্রমটি আছে। ১৯৯৩ সালে রায়ের বেশ কয়েকটি আসল নেগেটিভ লন্ডনের হেন্ডারসনস ফিল্ম ল্যাবরেটরিজে পাঠানো হয়। জুলাইয়ে ল্যাবে একটি বিশাল নাইট্রেট আগুন ফিল্মের ভল্টে ছড়িয়ে পড়ে। তা ব্রিটিশ ক্ল্যাসিকের ২৫টিরও বেশি আসল নেগেটিভ নষ্ট করে আর রায়ের কয়েকটি ছবি, অপু ত্রয়ীর আসল নেগেটিভসহ, পুড়িয়ে দেয়।
মুভিং ইমেজ আর্কাইভ নিউজ কারণটিকে বর্ণনা করেছে দক্ষিণ লন্ডনে নাইট্রেট ফিল্ম মজুতের বিস্ফোরণ বলে। এনপিআর জানাচ্ছে, রিলগুলো নিরাপদে রাখার জন্য ভারত থেকে লন্ডনের ল্যাবে সরানো হয়েছিল। জানুস বলেনি নেগেটিভগুলো কোথা থেকে পাঠানো হয়েছিল।
যা কিছু রায়ের ছবির বলে শনাক্ত করা গিয়েছিল, ছাই, টুকরো বা ফিল্মের কৌটো, সবই গেল অ্যাকাডেমি ফিল্ম আর্কাইভে। ত্রয়ীর নেগেটিভগুলোকে ছাপার অযোগ্য ধরা হয়েছিল, জানুস বলছে, কারণ এত খারাপভাবে নষ্ট উপাদান পুরোপুরি ফিরিয়ে আনার মতো প্রযুক্তি তখন ছিল না। মুভিং ইমেজ আর্কাইভ নিউজ বলছে, ১৯৯২ সালে রায়ের মৃত্যুর সময়ই ছবিগুলোর অবস্থা খারাপ ছিল।
ভল্টে কুড়ি বছর
২০১৩ সালে ক্রাইটেরিয়ন যখন অ্যাকাডেমি ফিল্ম আর্কাইভের সঙ্গে কাজ শুরু করে, নেগেটিভগুলো কুড়ি বছর ধরে গুদামে পড়ে ছিল আর কেউ দেখেনি, জানুস বলছে। অনেক অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। যা বাকি ছিল তা তাপ আর শুষে নেওয়া দূষণের পর ভঙ্গুর, আর রিলগুলোর মাথা ও লেজের লিডার প্রায়ই ছিল না। তবু যথেষ্ট অংশ টিকে ছিল, যা থেকে উচ্চমানের ছবি তোলা যেত।
ক্রাইটেরিয়নের প্রযুক্তি পরিচালক লি ক্লাইন তাঁর দলের খোলা প্রথম কৌটোটির বর্ণনা দিয়েছেন: ‘ফিল্মটাকে আক্ষরিকভাবেই দেখাচ্ছিল যেন সেটা জ্বলছে।’ অ্যাকাডেমি আর্কাইভের সংরক্ষণ কর্মকর্তা জোসেফ লিন্ডনার বলেছেন, ক্রাইটেরিয়নের সঙ্গে ডিজিটাল পুনরুদ্ধারের সুযোগ ‘আমাদের ভাবনা শুরু করিয়েছিল, কিছু কি বাকি আছে?’ দুটি উদ্ধৃতিই মুভিং ইমেজ আর্কাইভ নিউজের প্রতিবেদন থেকে, যা অ্যাকাডেমির প্রকল্প নিয়ে ছোট ছবিটি নিয়ে লেখা।
বলোনিয়ার ল্যাবরেটরি কী করেছিল
জানুস বলছে কোনো বাণিজ্যিক ল্যাবরেটরি উপাদানটি হাতে নিতে রাজি হয়নি, তাই তা যায় বলোনিয়ার এল’ইম্মাজিনে রিত্রোভাতায় (L’Immagine Ritrovata), বিশ্বের অন্যতম সেরা পুনরুদ্ধার কেন্দ্র। সেখানকার প্রযুক্তিবিদরা ভঙ্গুর ফিল্মকে এক ভাগ গ্লিসারল, এক ভাগ অ্যাসিটোন আর তিন ভাগ জলের দ্রবণে পুনরায় আর্দ্র করেন। স্ক্যানের পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, পিন-রেজিস্টার্ড ওয়েট-গেট স্ক্যান, যা প্রতিটি ফ্রেমকে স্থির ধরে আর ফিল্ম তরলে মোড়া থাকা অবস্থায় স্ক্যান করে, সেরা ফল দিয়েছে।
এরপর এল শারীরিক মেরামত। জানুস একে ধরেছে প্রায় এক হাজার ঘণ্টার হাতের কাজ, যার মধ্যে ছিল ফিল্মের প্রান্তের ছিদ্রগুলো নতুন করে গড়া আর গলে যাওয়া টেপ ও আঠা সরানো। মুভিং ইমেজ আর্কাইভ নিউজ আর দ্য ফিল্ম স্টেজ দুটিই বলেছে ল্যাবরেটরিতে ছবির পেছনে ‘হাজার হাজার ঘণ্টা’ গিয়েছে, তাই মোট নিয়ে বিবরণগুলো আলাদা। অনেক স্প্রোকেট পুড়ে গিয়েছিল, তাই স্ক্যান হয়েছিল তাদের ছাড়াই, মুভিং ইমেজ আর্কাইভ নিউজের বিবরণ বলছে। বলোনিয়ার ইল সিনেমা রিত্রোভাতো উৎসব ২০১৫ সালের ২ জুলাই পুনরুদ্ধার নিয়ে একটি আলোচনা তালিকাভুক্ত করেছিল।
ক্রাইটেরিয়নের নিজের ল্যাবরেটরি এরপর প্রায় ছয় মাস ডিজিটাল পুনরুদ্ধারে লাগিয়েছে, ময়লা, ধ্বংসাবশেষ, বেঁকে যাওয়া ও ফাটল সরিয়ে। জানুস বলছে, দল আসল উপাদানের চেহারা রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আর দরকার হলে ক্ষত যেমন আছে তেমন রেখে দিয়েছিল, যাতে বেশি প্রক্রিয়ায় ছবিগুলো ফিল্মের দানা আর অনুভূতি হারিয়ে না ফেলে।
প্রতিটি ছবির কতটা আসল নেগেটিভ
তিনটি ছবির ভাগ্য এক রকম হয়নি। জানুস তাদের পুনরুদ্ধার-পাতায় সংখ্যাগুলো দিয়েছে:
- পথের পাঁচালী: ৪০ শতাংশ সরাসরি আসল নেগেটিভ থেকে পুনরুদ্ধার।
- অপরাজিত: ৬০ শতাংশের বেশি সরাসরি আসল নেগেটিভ থেকে পুনরুদ্ধার।
- অপুর সংসার: কিছুই না। টিকে থাকা দুটি আসল রিল ব্যবহারের অযোগ্য রকম নষ্ট ছিল, তাই পুরো ছবিটি এসেছে একটি ফাইন-গ্রেন মাস্টার আর একটি নকল নেগেটিভ থেকে।
হারানো আর অব্যবহারযোগ্য অংশের বদলি এসেছে জানুস ফিল্মস, অ্যাকাডেমি, হার্ভার্ড ফিল্ম আর্কাইভ আর ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সংরক্ষিত ফাইন-গ্রেন মাস্টার ও নকল নেগেটিভ থেকে। বেকার দ্য ফিল্ম স্টেজকে বলেছিলেন একটু ভিন্ন আকারে: দল শেষে পেয়েছিল পথের পাঁচালী-র জন্য প্রায় ৪০ শতাংশ আর অপরাজিত-র জন্য ৬০ শতাংশ ব্যবহারযোগ্য টিকে থাকা উপাদান।
২০১৫ সালে সিনেমাহলে ফেরা
এনপিআর জানাচ্ছে, পুনরুদ্ধার করা ত্রয়ী দেখানো হয়েছিল নিউ ইয়র্কের মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্টে ২০১৫ সালের ৪ মে, পথের পাঁচালী সেখানে প্রথম দেখানোর প্রায় দিনে দিনেই ৬০ বছর পর। রায়ের ছেলে, চলচ্চিত্র নির্মাতা সন্দীপ রায়, দর্শকদের মধ্যে ছিলেন। ‘ছবিটা দারুণ দেখাচ্ছিল আর দেখে আমরা খুব ভালো সময় কাটিয়েছি,’ তিনি এনপিআরকে বলেছিলেন।
জানুস বাণিজ্যিক মুক্তির তালিকা দিয়েছে: ৮ মে শুক্রবার নিউ ইয়র্কের ফিল্ম ফোরাম আর ২৯ মে শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসে ল্যান্ডমার্কের নুয়ার্ট থিয়েটার, গ্রীষ্মজুড়ে অন্য আর্টহাউস সিনেমাহলে। ক্রাইটেরিয়নের ডিভিডি ও ব্লু-রে সংস্করণ, তিনটি ছবির নতুন ৪কে ডিজিটাল পুনরুদ্ধারসহ, স্ক্রিনঅ্যানার্কির তালিকায় বাজারে আসার তারিখ ছিল ২০১৫ সালের ১৭ নভেম্বর।
অ্যাকাডেমি ২০১৩ সালের ৬ ও ৯ সেপ্টেম্বর বেভারলি হিলসের স্যামুয়েল গোল্ডউইন থিয়েটারে ত্রয়ী আগেই দেখিয়েছিল। অপুর সংসার-এ পর্দায় অভিষেক হওয়া শর্মিলা ঠাকুর দ্বিতীয় সন্ধ্যায় অতিথি ছিলেন, আর অ্যাকাডেমি পুনরুদ্ধারের কৃতিত্ব দিয়েছিল মার্চেন্ট আইভরি ফাউন্ডেশন আর দ্য ফিল্ম ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সত্যজিৎ রায় সংরক্ষণ প্রকল্পকে।
ভারতে চলচ্চিত্র বিদ্যালয় আর হেরিটেজ মিশন
ভারত সরকার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট গড়ে ১৯৯৫ সালে, প্রতিষ্ঠানের নিজের ইতিহাস-পাতা আর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় অনুযায়ী। মন্ত্রণালয় একে বর্ণনা করেছে একটি স্বায়ত্তশাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলে, পশ্চিমবঙ্গ সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯৬১-এর অধীনে নিবন্ধিত। এটি আছে কলকাতায়, tuput-এর এক নজরে পশ্চিমবঙ্গ-এ চিত্রিত রাজ্যে। প্রতিষ্ঠানটি নিজেকে বলে ভারতে চলচ্চিত্র শিক্ষার দ্বিতীয় জাতীয় কেন্দ্র।
এর প্রথম শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় ১৯৯৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর। এখানে ছয়টি চলচ্চিত্র বিশেষত্বে তিন বছরের স্নাতকোত্তর কোর্স আছে, আর ২০১৭ সালে যুক্ত হয়েছে ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মিডিয়া শাখা, দুই বছরের স্নাতকোত্তর কোর্সসহ।
ভারতীয় ছবি সংরক্ষণও সরকারি কর্মসূচি। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর ২০১৯ সালের ৩০ জুনের একটি বিবৃতি ন্যাশনাল ফিল্ম হেরিটেজ মিশনের লক্ষ্য ঠিক করেছে প্রায় ১,৫০,০০০ ফিল্ম রিলের অবস্থা মূল্যায়ন ও প্রতিরোধমূলক সংরক্ষণ, প্রায় ৩,৫০০ ছবির ডিজিটাইজেশন, আর ভারতীয় সিনেমার প্রায় ২,০০০ যুগান্তকারী ছবির ছবি ও শব্দ পুনরুদ্ধার। ২০২৩ সালের ৬ নভেম্বরের একটি বিবৃতি বলছে মিশন চালু হয়েছিল ২০১৫ সালে, আর ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বরের একটি বিবৃতি বলছে ১,৪৬৯টি শিরোনাম, ৪.৩ লক্ষ মিনিটের ফিল্মের সমান, এ পর্যন্ত ডিজিটাইজ হয়েছে আর রাখা আছে ন্যাশনাল ফিল্ম আর্কাইভ অফ ইন্ডিয়ায়। ভারতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি তৈরির শুরুর কথা আছে tuput-এর দাদাসাহেব ফালকে আর প্রথম ভারতীয় ছবি লেখায়।
২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটকে ডিমড টু বি ইউনিভার্সিটির মর্যাদা দিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস-পাতা বলছে।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- Janus Films: The Apu Trilogy, The Restoration
- Janus Films press release, 2015: Janus Films Announces Monumental Restoration of The Apu Trilogy (copy on The Film Stage blog)
- Academy of Motion Picture Arts and Sciences: Satyajit Ray's The Apu Trilogy (Samuel Goldwyn Theater, September 2013)
- Academy of Motion Picture Arts and Sciences: The Academy Celebrates Satyajit Ray Restorations with Screening of the Apu Trilogy (14 August 2013)
- Academy Film Archive: Satyajit Ray Collection
- Moving Image Archive News: Apu Trilogy, Revived from Flames
- NPR, 20 May 2015: An Indian Master Returns To Cinemas, Restored
- The Film Stage, 7 May 2015: The 60-Year Journey of Satyajit Ray's The Apu Trilogy
- Il Cinema Ritrovato (Bologna): Bringing the Trilogy of Apu Back From the Ashes
- ScreenAnarchy: Criterion in November, The Apu Trilogy
- Satyajit Ray Foundation: The Apu Trilogy
- Satyajit Ray Foundation: Biography
- Satyajit Ray Film and Television Institute: About the institute, a brief history
- Ministry of Information and Broadcasting, Government of India: Satyajit Ray Film and Television Institute, Kolkata
- Press Information Bureau, 30 June 2019: Government is committed towards the preservation of country's cinematic heritage
- Press Information Bureau, 6 November 2023: National Film Heritage Mission, the World's Largest Film Restoration Project
- Press Information Bureau, 10 December 2025: National Film Heritage Mission Digitized 1,469 Films
পর্দায় ও বইয়ে
- An Act of Faith: Saving The Apu Trilogy , পরিচালনায় Academy of Motion Picture Arts and Sciences , English . একটি ছোট ছবি, যাতে ক্রাইটেরিয়নের পিটার বেকার ও লি ক্লাইন পুনরুদ্ধারের কথা বলেছেন
এই তালিকা তাঁদের জন্য যাঁরা পর্দায় দেখা গল্পের পিছনের ইতিহাস খুঁজছেন। কোনো নাট্যরূপ সূত্র নয়, এবং এই কাজগুলির কোনোটির সঙ্গে tuput যুক্ত নয়।
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।