Skip to content
ভারতের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রস্তাব জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৭৫ দিনে সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করেছিল, আর ২০১৫ সালে রাজপথে প্রথম ২১ জুনের আয়োজনে দুটি গিনেস বিশ্ব রেকর্ড হয়েছিল
আধুনিক ভারত

ভারতের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রস্তাব জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৭৫ দিনে সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করেছিল, আর ২০১৫ সালে রাজপথে প্রথম ২১ জুনের আয়োজনে দুটি গিনেস বিশ্ব রেকর্ড হয়েছিল

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বরের ৬৯/১৩১ নম্বর প্রস্তাবে ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ঘোষণা করা হয়। পরিষদের সভাপতি বলেছিলেন প্রস্তাবটি ১৭৭টি সহ-পৃষ্ঠপোষক পেয়েছিল, যাকে তিনি নজিরবিহীন বলেছিলেন। দিল্লির রাজপথে ২০১৫ সালের ২১ জুনের প্রথম আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন ৮৪টি জাতীয়তার ৩৫,৯৮৫ জন, আর ২০১৬ সালে ইউনেস্কো যোগকে তার ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর ৬৯/১৩১ নম্বর প্রস্তাবে ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ঘোষণা করে। ২০১৫ সালের ২১ জুনের প্রথম পালনের দিনে পরিষদের সভাপতি স্যাম কাহাম্বা কুতেসা বলেছিলেন, প্রস্তাবটি মাত্র ৭৫ দিনে এবং ১৭৭টি সহ-পৃষ্ঠপোষক নিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছিল। দুটিকেই তিনি পরিষদের জন্য ‘নজিরবিহীন সাফল্য’ বলেছিলেন।

দিবসটির প্রস্তাব দিয়েছিল ভারত, আর যোগ ও অন্যান্য আয়ুষ চিকিৎসা পদ্ধতির কেন্দ্রীয় মন্ত্রক আয়ুষ মন্ত্রক দিল্লির রাজপথে প্রথম অনুষ্ঠানটি চালায়। সেই অধিবেশন দুটি গিনেস বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করেছিল।

২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বরের ভাষণ আর ৭৫ দিন পরের সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদে তাঁর প্রথম ভাষণে প্রস্তাবটি তোলেন। ভারত সরকারের প্রেস দপ্তর প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) যোগ দিবস নিয়ে একটি পুস্তিকায় সেই অংশ ছাপিয়েছে। তা শেষ হয়েছে এই লাইনে: ‘চলুন একটি আন্তর্জাতিক যোগ দিবস গ্রহণের দিকে এগোই।’ সেই ভাষণ থেকে প্রস্তাব পর্যন্ত ক্যালেন্ডার ধরে ৭৫ দিন, সভাপতিও একই সংখ্যা বলেছিলেন।

প্রস্তাবের শিরোনামে লেখা আছে, তা গৃহীত হয়েছিল ‘কোনো প্রধান কমিটির কাছে না পাঠিয়ে’, অর্থাৎ A/69/L.17 নম্বরের খসড়াটি আগে কোনো বিষয়ভিত্তিক কমিটির মধ্য দিয়ে না গিয়ে সরাসরি পূর্ণ পরিষদে গিয়েছিল। এতে কার্যকর অনুচ্ছেদ চারটি। প্রথমটিতে আছে, পরিষদ ‘২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে’। দ্বিতীয়টি রাষ্ট্র, জাতিসংঘ ব্যবস্থা আর নাগরিক সমাজকে যোগচর্চার উপকারিতা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে দিবসটি পালনের আমন্ত্রণ জানায়। তৃতীয়টি বলে, খরচ আসবে স্বেচ্ছা অনুদান থেকে। প্রস্তাবনায় স্বীকার করা হয়েছে ‘যোগ স্বাস্থ্য ও সুস্থতার প্রতি একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি দেয়’। ২১ জুন কেন বাছা হল, তা পাঠে বলা নেই।

সহ-পৃষ্ঠপোষকের সংখ্যা সূত্রভেদে আলাদা। সভাপতির ২০১৫ সালের বক্তব্যে ১৭৭। গ্রহণের দিন তিনি বলেছিলেন ‘একশো সত্তরের বেশি’। জাতিসংঘের নিজের পালন-পাতায় ১৭৫, আর পিআইবির পুস্তিকায় ১৭৩। খসড়া আর তার সংযোজনী A/69/L.17/Add.1-এ tuput-এর গণনায় ১৭৭টি পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র তালিকাভুক্ত: খসড়ায় ১২৮টি আর ২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর যোগ হওয়া ৪৯টি।

আয়ুষ মন্ত্রকের নিজের বয়স তখন এক মাসের কিছু বেশি। পিআইবির পুস্তিকা বলছে, আয়ুষের জন্য আলাদা মন্ত্রক তৈরি হয়েছিল ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর।

২০১৫ সালের ২১ জুন রাজপথে দুটি গিনেস বিশ্ব রেকর্ড

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বলছে, সরকারি ভবনগুলোর সামনের আনুষ্ঠানিক সড়ক রাজপথের ১.৪ কিলোমিটার জুড়ে ৩৫,৯৮৫ জন একটি যোগ-পাঠে অংশ নিয়েছিলেন এবং একক স্থানে বৃহত্তম যোগ-পাঠের নতুন রেকর্ড তাতে হয়েছে। দ্বিতীয় রেকর্ডটি গেছে এক যোগ-পাঠে সবচেয়ে বেশি জাতীয়তার অংশগ্রহণে, ৮৪টি। আগের একক স্থানের সংখ্যাটি ছিল ২৯,৯৭৩, যা ২০০৫ সালের নভেম্বরে গোয়ালিয়রে হয়েছিল।

গিনেসের সরকারি বিচারকেরা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, সাহায্য করেছিলেন এক হাজারের বেশি স্টুয়ার্ড। প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, ৫,০০০-এর বেশি স্কুলছাত্র আর কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ৫,০০০ সদস্যের সঙ্গে। চারজন প্রশিক্ষক পাঠ চালিয়েছিলেন, ৩২টি বড় পর্দায় তা দেখানো হয়েছিল, নির্দেশনা ছিল হিন্দি ও ইংরেজিতে। গিনেস একে বর্ণনা করেছে প্রচলিত যোগ হিসেবে, সাধারণ আসন নিয়ে, যা সব বয়সের মানুষ চেষ্টা করতে পারে। পিআইবির পরবর্তী বিবরণও ৩৫,৯৮৫ জন অংশগ্রহণকারী আর দুটি রেকর্ডের কথা বলেছে, তবে ‘জাতীয়তা’র বদলে ‘দেশ’ শব্দটি ব্যবহার করে।

পিটিআইয়ের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়ুষ মন্ত্রী শ্রীপাদ নায়েক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, একদিনে দুটি রেকর্ড ভাঙা গর্বের বিষয়। একই প্রতিবেদন বলছে, গিনেসের রেকর্ড যাচাই বিভাগের প্রধান মার্কো স্রিগাত্তি বলেছিলেন, এই প্রথম যোগ রেকর্ডের জন্য ন্যূনতম শর্ত রাখা হয়েছিল অন্তত ৫০টি জাতীয়তার অংশগ্রহণ, আর আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়াং অনুষ্ঠানটির নিরীক্ষা করেছিল। পিটিআই যোগ করেছে, নিরীক্ষায় ১০১ জনকে পাওয়া গিয়েছিল যাঁরা উপস্থিত ছিলেন কিন্তু যোগ করেননি। গিনেস আরও লিখেছে, দিবসটির পক্ষে ছিল ১৭০টির বেশি জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্র, আর ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর, সিওল, বেইজিং ও প্যারিসে বড় যোগ-পাঠ হয়েছিল।

আয়ুষ মন্ত্রক যা চালায়: কমন ইয়োগা প্রোটোকল

পিআইবির পুস্তিকা অনুযায়ী, আয়ুষ মন্ত্রক যোগ-কার্যক্রমের নোডাল মন্ত্রক এবং কমন ইয়োগা প্রোটোকলের নকশা করেছে, ৪৫ মিনিটের একটি আসনক্রম, যাতে দিবসটি একই ধরনে পালিত হয়। পুস্তিকা বলছে, মন্ত্রক ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি জাতীয় যোগ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা প্রচার ও উন্নয়ন পর্ষদ গড়েছে, আর যোগ পেশাদারদের সনদ দেওয়ার জন্য একটি যোগ সনদ পর্ষদ। ভেষজ পণ্য নিয়ে মন্ত্রকের বৃহত্তর নিয়মাবলি আলাদা বিষয়, যা আমরা পড়েছি চারটি আয়ুর্বেদিক ভেষজের পরীক্ষা নিয়ে আমাদের লেখায়।

পুস্তিকা মন্ত্রকের অংশগ্রহণের আনুমানিক হিসাবও দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় যোগ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের হিসাবে ২০১৬ সালে কমন ইয়োগা প্রোটোকলের প্রদর্শনীতে প্রায় ৮৫ লক্ষ (৮.৫ মিলিয়ন) মানুষ অংশ নিয়েছিলেন, যা অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া সংখ্যার ভিত্তিতে, আর ২০১৯ সালে এই অনুমান পৌঁছায় ৯ কোটিতে (৯০ মিলিয়ন)। এগুলো মন্ত্রকের অনুমান, একক স্থানে মানুষ গোনা নয়।

২০২২ সালে মহীশূর আর ২০২৫ সালে বিশাখাপত্তনম

২০২২ সালের ২১ জুনের ৮ম আয়োজনের প্রধান অনুষ্ঠান ছিল মহীশূরের মহীশূর প্রাসাদ প্রাঙ্গণে গণ প্রদর্শনী। মহীশূর কর্ণাটকের একটি শহর, যাকে পিআইবির পুস্তিকা যোগ শেখার জন্য বিশ্বখ্যাত জায়গা বলেছে। প্রতিপাদ্য ছিল ‘মানবতার জন্য যোগ’। পিআইবির বিজ্ঞপ্তি বলছে প্রধানমন্ত্রী ‘হাজার হাজার অংশগ্রহণকারী’র সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন, সঠিক সংখ্যা দেয়নি। খালিজ টাইমসে প্রকাশিত একটি এএনআই প্রতিবেদন বলেছে ১৫,০০০-এর বেশি মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।

একই পিআইবি বিজ্ঞপ্তিতে গার্ডিয়ান ইয়োগা রিং নামের একটি কর্মসূচির বর্ণনা আছে, বিদেশে ভারতীয় মিশনগুলোর সঙ্গে ৭৯টি দেশ ও জাতিসংঘ সংস্থার যৌথ উদ্যোগ। আরও বলা হয়েছে, স্বাধীনতার ৭৫তম বছর উপলক্ষে ৭৫ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতজুড়ে ৭৫টি বিশিষ্ট স্থানে প্রদর্শনী হয়েছিল। পুস্তিকা যোগ করেছে, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর ৪৫ মিনিটের একটি কমন ইয়োগা প্রোটোকল পর্ব হয় এবং তা দূরদর্শনে সম্প্রচারিত হয়েছিল।

২০২৫ সালের ১১তম আয়োজনের প্রধান অনুষ্ঠান হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের সৈকতে। পিআইবির নিউ ইন্ডিয়া সমাচার পত্রিকা বলছে, প্রতিপাদ্য ছিল ‘এক পৃথিবী, এক স্বাস্থ্যের জন্য যোগ’, ১৯১টি দেশের প্রায় ১,৩০০টি স্থানে ২,০০০-এর বেশি কর্মসূচি হয়েছিল, আর বিশাখাপত্তনমে তিন লক্ষ দুই হাজার মানুষ যোগ করেছিলেন, যা এক জায়গায় বৃহত্তম সমাবেশের গিনেস রেকর্ড। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের আয়ুষ বিভাগের ২০২৫ সালের ২১ জুন সৈকত সড়কের ২৬ কিলোমিটার জুড়ে অর্জিত রেকর্ডের জন্য গিনেসের নিজের এন্ট্রিতে লেখা ৩,০০,১০৫। দ্বিতীয় একটি গিনেস রেকর্ড ছিল ২০২৫ সালের ২০ জুনে ২২,১২২ জন আদিবাসী শিক্ষার্থীর সূর্য নমস্কার করার জন্য। একই পত্রিকা প্রধানমন্ত্রীর কথা উদ্ধৃত করে বলেছে, ভারত যখন জাতিসংঘে ২১ জুনের প্রস্তাব দেয়, তখন সবচেয়ে অল্প সময়ে ১৭৭টি দেশ প্রস্তাবের পাশে দাঁড়িয়েছিল।

ইউনেস্কোর ২০১৬ সালের তালিকাভুক্তি

অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ইউনেস্কোর আন্তঃসরকারি কমিটি তার ১১তম অধিবেশনে বসেছিল ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর আদ্দিস আবাবায়। তার ১১.COM 10.b.17 নম্বর সিদ্ধান্তে ভারতের মনোনয়ন ফাইল ০১১৬৩, যোগ, মানবতার প্রতিনিধিত্বমূলক অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। সিদ্ধান্ত নথিভুক্ত করেছে যে ফাইলটি পাঁচটি মানদণ্ডই, R.1 থেকে R.5, পূরণ করেছে, আর ভারতীয় প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানিয়েছে দুটি মানদণ্ড, R.2 ও R.5, নিয়ে ব্যাখ্যার জন্য।

ইউনেস্কোর বিবরণ যোগকে বলেছে একটি প্রাচীন ভারতীয় চর্চা, যার দর্শন স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ও শিল্পকলার মতো ক্ষেত্রকে গড়ে। কৌশলগুলোর মধ্যে সে নাম করেছে আসন, ধ্যান, নিয়ন্ত্রিত শ্বাস আর মন্ত্রোচ্চারণের, আর বলেছে সব বয়স, লিঙ্গ, শ্রেণি ও ধর্মের মানুষ এটি অনুশীলন করেন। সে বলছে জ্ঞান ঐতিহ্যগতভাবে গেছে গুরু-শিষ্য পদ্ধতিতে, অর্থাৎ গুরু আর শিষ্যের সম্পর্কের মাধ্যমে, আর এখন তা আশ্রম, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, কমিউনিটি সেন্টার ও সামাজিক মাধ্যমেও ছড়ায়। একই তালিকায় ভারতের অন্য চর্চাগুলোর মধ্যে আছে কুম্ভমেলা আর কলকাতার দুর্গাপুজো।

যোগসূত্র: ১৯৫টি সংক্ষিপ্ত নিয়ম

ঐতিহ্য যোগসূত্রকে পতঞ্জলির রচনা বলে মনে করে। ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অব ফিলোসফিতে লিখতে গিয়ে রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এডউইন ব্রায়ান্ট বলেন, গ্রন্থটিতে ১৯৫টি সূত্রে প্রায় ১,২০০ শব্দ আছে, সূত্র হল সংক্ষিপ্ত একটি নিয়ম, যা মুখস্থ করার জন্য আর শিক্ষকের ব্যাখ্যার জন্য। এটি চারটি অধ্যায়ে বিভক্ত, যাদের বলা হয় পাদ: সমাধি, সাধনা, বিভূতি ও কৈবল্য নিয়ে।

ব্রায়ান্ট বলেন, পতঞ্জলি যোগের সংজ্ঞা দিয়েছেন চিত্তবৃত্তিনিরোধ হিসেবে, মনের সব অবস্থার স্থির হয়ে আসা। তিনি গ্রন্থে বর্ণিত আটটি অঙ্গের তালিকা দিয়েছেন: যম, নিয়ম, আসন, প্রাণায়াম, প্রত্যাহার, ধারণা, ধ্যান ও সমাধি। আসন তৃতীয় অঙ্গ, আর ব্রায়ান্ট বলেন পতঞ্জলি তাকে মাত্র তিনটি সংক্ষিপ্ত সূত্র দিয়েছেন। তিনি এও লেখেন, পতঞ্জলি এমন চর্চাকে সুসংগঠিত করেছিলেন যা আগে থেকেই প্রচলিত ছিল, উপনিষদ ও মহাভারতে যোগের উল্লেখ তার প্রমাণ হিসেবে দেখিয়েছেন।

পতঞ্জলির নিজের সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়, লিখেছেন ব্রায়ান্ট। খ্রিষ্টীয় ১১শ শতকের একটি ভাষ্যে প্রথম প্রমাণিত ঐতিহ্য তাঁকে পাণিনির ব্যাকরণের প্রধান ভাষ্যের রচয়িতার সঙ্গে অভিন্ন বলে চিহ্নিত করে, আর পণ্ডিতেরা তা নিয়ে বিতর্ক করেন। বেশিরভাগ পণ্ডিত যোগসূত্রের কাল ধরেন খ্রিষ্টাব্দের শুরুর কিছু পরে, প্রথম বা দ্বিতীয় শতকে, যদিও কেউ কেউ তা কয়েক শতক আগে বসান। ব্রায়ান্ট লিখেছেন, গ্রন্থটি খ্রিষ্টীয় ৫ম শতকের পরে নয়, আর সবচেয়ে পুরোনো টিকে থাকা ভাষ্য, ব্যাসের, সাধারণত ধরা হয় খ্রিষ্টীয় ৪র্থ বা ৫ম শতকের কাছাকাছি।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. United Nations General Assembly, resolution A/RES/69/131, International Day of Yoga (adopted 11 December 2014)
  2. President of the 69th General Assembly, statement at the Special Event on the International Day of Yoga (21 June 2015)
  3. President of the 69th General Assembly, statement on the launch of the International Day of Yoga (11 December 2014)
  4. United Nations, document A/69/L.17/Add.1, additional sponsors of the draft resolution International Day of Yoga (11 December 2014; copy hosted by the Sri Chinmoy Centre)
  5. United Nations: International Day of Yoga, 21 June
  6. Press Information Bureau, Government of India: Unflinching Aims of Transformational Reforms, Yoga Day (booklet, April 2023)
  7. Press Information Bureau, New India Samachar, 16 to 30 June 2023: 9th International Day of Yoga special report (page 11)
  8. Press Information Bureau, New India Samachar, 16 to 31 July 2025: 11th International Day of Yoga (page 21)
  9. Press Information Bureau: On the occasion of 8th International Day of Yoga, PM participates in a Mass Yoga Demonstration at Mysore Palace ground, Mysuru (21 June 2022)
  10. Guinness World Records: Prime Minister Modi helps India stretch its way to world records during International Day of Yoga (22 June 2015)
  11. Guinness World Records: Largest yoga lesson
  12. India TV, PTI: 35,985 participants make Yoga Day event a Guinness record (21 June 2015)
  13. Khaleej Times, ANI: Watch, Indian PM Modi celebrates Yoga Day (21 June 2022)
  14. UNESCO Intangible Cultural Heritage: Yoga (nomination file 01163, inscribed 2016)
  15. UNESCO Intangible Cultural Heritage: Decision 11.COM 10.b.17, Yoga
  16. UNESCO Intangible Cultural Heritage: Eleventh session of the Intergovernmental Committee, Addis Ababa, 28 November to 2 December 2016
  17. Internet Encyclopedia of Philosophy, Edwin Bryant (Rutgers University): The Yoga Sutras of Patanjali

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#international day of yoga#yoga#ministry of ayush#unesco intangible heritage#united nations#patanjali#yoga sutras#guinness world records

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: আধুনিক ভারত
ভারতের আট শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী, তামিলনাড়ুর ভরতনাট্যম থেকে অসমের সত্রীয়া পর্যন্ত, সবকটির সঙ্গীত নাটক অকাদেমি পুরস্কারে নিজস্ব বিভাগ আছে
সংস্কৃতি মন্ত্রক আর তার কেন্দ্র যেভাবে বর্ণনা করে, সেভাবে প্রতিটি নৃত্যের সংগীত, পোশাক আর হাতের ভাষা নিয়ে শৈলী ধরে ধরে একটি নির্দেশিকা, তারপর জাতীয় অকাদেমি, তার ফেলোরা আর আটটির পাশে ইউনেস্কো-তালিকাভুক্ত ঐতিহ্য।
কলকাতার দুর্গাপুজো ২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর ইউনেস্কোর অধরা ঐতিহ্যের তালিকায় ঠাঁই পায়, মনোনয়ন নথিতে শহরে গোনা হয়েছিল প্রায় ৫,০০০ পুজো
কুমোরটুলির মাটি থেকে নবমীর ধুনুচি পর্যন্ত, ভারত সরকারের নথিতে কী লেখা আছে, পাড়ার পুজো কীভাবে শুরু হয়েছিল আর ২০১৯ সালের একটি সমীক্ষা কী মেপেছে।
দীপাবলি চলে ধনতেরাস থেকে ভাই দুজ পর্যন্ত পাঁচ দিন, আর ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর ইউনেস্কো দীপাবলিকে তার ঐতিহ্য-তালিকায় তুলেছে
একটি উৎসব, পাঁচ দিন, আর প্রদীপ জ্বালানোর অন্তত ছয়টি ব্যাখ্যা। প্রতিদিন কীসের জন্য, কারা পালন করে, আর ভারত সরকার ও ইউনেস্কোর নথিতে কী আছে, তা এখানে।
← সব লেখা