Skip to content
আমির খানের লগান ২০০২ সালে অস্কারের পাঁচ মনোনীতের একটি ছিল, আর তাঁর দঙ্গল ২০১৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে চীনে প্রায় ১৯০ মিলিয়ন ডলার আয় করে সেখানকার সবচেয়ে বড় হলিউড-বহির্ভূত মুক্তি হয়ে ওঠে
সংবাদ

আমির খানের লগান ২০০২ সালে অস্কারের পাঁচ মনোনীতের একটি ছিল, আর তাঁর দঙ্গল ২০১৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে চীনে প্রায় ১৯০ মিলিয়ন ডলার আয় করে সেখানকার সবচেয়ে বড় হলিউড-বহির্ভূত মুক্তি হয়ে ওঠে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

আমির খান যে ছবির প্রযোজক ও নায়ক সেই লগান ২০০২ সালের ২৪ মার্চ ৭৪তম অ্যাকাডেমি পুরস্কারে সেরা বিদেশি ভাষার ছবির অস্কারে মনোনীত হয়। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর ভারতে মুক্তি পাওয়া দঙ্গল ২০১৭ সালের ৪ জুলাই প্রদর্শন শেষ হওয়া পর্যন্ত চীনে প্রায় ১৯০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে, জানিয়েছে স্ক্রিন ডেইলি। ভারত সরকারের তালিকায় খানের পদ্মশ্রী ২০০৩ সালে আর পদ্মভূষণ ২০১০ সালে।

· · 7 মিনিটের পাঠ

২০০২ সালের ২৪ মার্চ হলিউডের কোডাক থিয়েটারে ৭৪তম অ্যাকাডেমি পুরস্কারের আসরে সেরা বিদেশি ভাষার ছবির জন্য পাঁচটি ছবি মনোনীত হয়, আর তার একটি ছিল ভারতের লগান, ১৮৯৩ সালের পটভূমিতে একটি নাট্যছবি, যাতে আমির খান অভিনয় করেছিলেন এবং প্রযোজনাও করেছিলেন। অ্যাকাডেমির নথিতে ছবিটির সঙ্গে আছে ফ্রান্সের আমেলি, নরওয়ের এলিং আর আর্জেন্টিনার সন অব দ্য ব্রাইড। জেতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার নো ম্যানস ল্যান্ড।

পনেরো বছর পরে, ২০১৭ সালের ৫ মে খানের দঙ্গল চীনে মুক্তি পায়। ৪ জুলাই প্রদর্শন শেষ হওয়া পর্যন্ত সেখানে সে প্রায় ১৯০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছিল, যাকে স্ক্রিন ডেইলি বলেছে ওই দেশে এ পর্যন্ত হলিউড-বহির্ভূত সবচেয়ে বড় ছবি। এই দুই ফলাফল এমন এক কর্মজীবনের ভেতরে, যা শুরু হয়েছিল ১৯৮৮ সালে একটি জাতীয় পুরস্কারজয়ী ছবি দিয়ে, আর যার মধ্যে আছে ডিসলেক্সিয়া নিয়ে খানের পরিচালিত একটি ছবি এবং ভারত সরকারের দুটি সম্মান। নিচের বিবরণে বক্স অফিসের প্রতিটি অঙ্ক সেই সংবাদমাধ্যমের নামে লেখা হয়েছে যারা তা ছেপেছে, কারণ সংবাদমাধ্যমগুলো একমত নয়।

প্রথম নায়ক ভূমিকা আর একটি জাতীয় পুরস্কার

কিয়ামত সে কিয়ামত তক মুক্তি পায় ১৯৮৮ সালের ২৯ এপ্রিল। এটি মনসুর খানের প্রথম পরিচালিত ছবি, লিখেছিলেন ও প্রযোজনা করেছিলেন তাঁর বাবা নাসির হুসেন। আমির খান আর জুহি চাওলা অভিনয় করেছিলেন দুই বিবাদমান পরিবারের মধ্যে আটকে পড়া এক তরুণ জুটির ভূমিকায়, যে গল্পকে স্ক্রল তুলনা করেছে রোমিও আর জুলিয়েটের সঙ্গে।

স্ক্রল জানিয়েছে, হুসেন বিয়োগান্ত আর সুখের, দু’রকম সমাপ্তিই তুলিয়েছিলেন, আর খান মনে করেছিলেন বিয়োগান্তটি তোলার সময় দলটির উৎসাহ ছিল অনেক বেশি। পরবর্তী কালের মানদণ্ডে প্রচার ছিল সামান্যই, অটোরিকশা আর ট্যাক্সিতে পোস্টার সাঁটা। আপারস্টলের বিবরণে ছবিটি শুরুতে ধীর গতিতে চলে, তারপর মুখে মুখে ছড়িয়ে ওঠে, সুর দিয়েছিলেন আনন্দ-মিলিন্দ, গান গেয়েছিলেন উদিত নারায়ণ।

পুরস্কার এল তার পরে। আপারস্টল তালিকা দিয়েছে সেরা ছবি, মনসুর খানের জন্য সেরা পরিচালনা, আর আমির খানের জন্য সেরা নবাগত অভিনেতার ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের, সঙ্গে সুস্থ বিনোদন দেওয়া সেরা জনপ্রিয় ছবির জাতীয় পুরস্কার। তারা যোগ করেছে, এই ছবির আগে খান শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেছিলেন।

লগান: খরা, খাজনা আর একটি ক্রিকেট ম্যাচ

লগান প্রথম মুক্তি পায় ২০০১ সালের ১৫ জুন। পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর, প্রযোজনা আমির খান প্রোডাকশন্স। ওয়ায়ন গল্পটিকে বর্ণনা করেছে ব্রিটিশ শাসনে ১৮৯৩ সালের এমন এক খরাপীড়িত গ্রামের কাহিনি হিসেবে, যে গ্রাম দমনমূলক খাজনা এড়াতে ঔপনিবেশিক শাসকদের ক্রিকেট ম্যাচে চ্যালেঞ্জ জানায়। অভিনেতাদের মধ্যে আছেন খান, গ্রেসি সিং, র‍্যাচেল শেলি, পল ব্ল্যাকথর্ন, সুহাসিনী মুলে আর কুলভূষণ খারবান্দা, আর গানে সুর দিয়েছেন এ. আর. রহমান, তার মধ্যে “ঘনন ঘনন” আর “মিতওয়া”।

ছবির খাজনা একটি বৃহত্তর ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার অংশ, যার বিবরণ আছে tuput-এর ব্রিটেন কীভাবে ভারতের সম্পদ নিংড়ে নিয়েছিল লেখায়। গল্পের কেন্দ্রে যে খেলাটি, সেটি সেই খেলা যাতে ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর ভারতের মেয়েরা প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিল, যার কথা আছে tuput-এর সেই ফাইনালের বিবরণে।

ওয়ায়ন লগানকে বলেছে অস্কারে মনোনীত তৃতীয় ভারতীয় ছবি, মাদার ইন্ডিয়া আর সালাম বম্বে!-র পরে। সে জেতেনি। দ্য ট্রিবিউন জানিয়েছে, ৪৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা জনপ্রিয় ছবি-সহ ছবিটি আটটি পুরস্কার পায়। ২৫তম বার্ষিকীতে ছবিটি ২০২৬ সালের ১২, ১৩ ও ১৪ জুন সারা ভারতের সিনেমাহলে ফিরে আসে, ঘোষণা করেছিল আমির খান প্রোডাকশন্স, আর ১২ জুন মুম্বইয়ে খান অভিনেতা ও কলাকুশলীদের পুনর্মিলনের আয়োজন করেন, জানিয়েছে ওয়ায়ন।

তারে জমিন পর: যে ছবি খান পরিচালনা করেছেন

খানের ২০০৬ সালের মুক্তি রং দে বাসন্তী নিয়ে tuput-এর আলাদা লেখা আছে, ইন্ডিয়া গেটের জাগরণ আর মিগ বিমান নিয়ে। তারে জমিন পর এল ২০০৭ সালের ২১ ডিসেম্বর। বক্স অফিস ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী খান এটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন, গল্প আর চিত্রনাট্যে নাম আছে অমল গুপ্তের। খানের সঙ্গে অভিনেতাদের মধ্যে আছেন দর্শিল সাফারি, তিসকা চোপড়া আর তনয় ছেদা।

আম্বর চক্রবর্তী ২০০৯ সালে অ্যানালস অব ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব নিউরোলজিতে ছবির মূল কাহিনি সংক্ষেপে লিখেছিলেন। ডিসলেক্সিয়ায় আক্রান্ত বালক ইশান অবস্থি স্কুলে আর বাড়িতে উপহাসের পাত্র। তার আঁকার শিক্ষক রামশঙ্কর নিকুম্ভ খাতাগুলো দেখে সমস্যাটি চিনতে পারেন এবং তার প্রতিভার সন্ধান পান, আর ছেলেটি স্কুলের ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা জেতে। চক্রবর্তী লিখেছিলেন, ডিসলেক্সিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের অভিভাবকদের চোখ খুলে দেওয়া উচিত এই ছবির।

প্রেস ইনফরমেশন বুরোর নথি অনুযায়ী ২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ঘোষিত ৫৫তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে এটি সেরা পরিবার কল্যাণ বিষয়ক ছবি হয়, সঙ্গে সেরা পুরুষ নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী আর সেরা গীতিকারের পুরস্কারও। মুম্বইয়ে ৫৩তম ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ২০০৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছিল, ছবিটি সেরা ছবির পুরস্কার পায় এবং খান পান পরিচালনার পুরস্কার, মোট পাঁচটি জয়ের মধ্যে। বক্স অফিস ইন্ডিয়া ছবিটিকে “সুপার হিট” রেটিং দিয়েছে, ১৮ কোটি টাকার বাজেটে ভারতে নিট আয় ৬১.৮৩ কোটি টাকা (৬১৮.৩ মিলিয়ন রুপি), এবং জানিয়েছে, দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মহারাষ্ট্র আর দিল্লিতে এটি করমুক্ত ছিল।

দঙ্গল আর ফোগাট পরিবার

দঙ্গল ভারতে মুক্তি পায় ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর। বক্স অফিস ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী পরিচালক নিতেশ তিওয়ারি, আর প্রযোজক খান, কিরণ রাও এবং সিদ্ধার্থ রয় কাপুর, অভিনেতাদের তালিকায় খান, সাক্ষী তনওয়ার, ফাতিমা সানা শেখ ও সানিয়া মালহোত্রা। স্ক্রিন ডেইলি বলছে, আমির খান প্রোডাকশন্স আর ডিজনি ইন্ডিয়া যৌথভাবে অর্থ জুগিয়েছিল। খান অভিনয় করেছেন মহাবীর সিং ফোগাটের ভূমিকায়, যিনি তাঁর মেয়ে গীতা আর ববিতাকে কুস্তিগির হিসেবে তৈরি করেন।

এর পেছনের খেলাধুলার ফলাফল নথিভুক্ত আছে। গীতা ফোগাট ২০১০ সালে দিল্লির কমনওয়েলথ গেমসে ৫৫ কেজি বিভাগে সোনা জেতেন, যাকে ইএসপিএন বর্ণনা করেছে ভারতের কোনো মহিলা কুস্তিগিরের প্রথম সোনা বলে, আর তিনি ২০১২ সালের অলিম্পিকে একই ওজন বিভাগে নেমেছিলেন। ইএসপিএন লিখেছে, এই কাহিনি একটি ব্লকবাস্টার ছবিকে এবং তরুণ কুস্তিগিরদের একটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে।

২০১৭ সালের ১৪ জানুয়ারি মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত ৬২তম ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে দঙ্গল সেরা ছবি হয়, তিওয়ারি সেরা পরিচালক, খান সেরা অভিনেতা, জানিয়েছে বিজনেস রেকর্ডার। ফ্যান-এর জন্য মনোনীত শাহরুখ খান এবং সুলতান-এর জন্য মনোনীত সলমান খান একই বিভাগে ছিলেন, ১৯ বছরের মধ্যে প্রথমবার তিন খানই এই পুরস্কারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেন।

ছবিটি কী বদলেছে

দঙ্গল একটি নাট্যরূপ, আর দ্য ট্রিবিউন তালিকা করেছে সে কোথায় নথি থেকে সরে গেছে। ছবিতে ২০১০ সালের ফাইনালের সময় মহাবীরকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। দ্য ট্রিবিউন জানিয়েছে, গীতা ফোগাট বলেছেন এমন কখনও ঘটেনি, যদিও তিনি বলেছেন, তাঁর বাবাকে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি এবং তাঁর জয়ের পর তাঁকে ম্যাটের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি, আর পত্রিকাটি আখাড়া জীবনীগ্রন্থের সূত্রে বলেছে, লড়াইয়ের সময় তিনি ছিলেন গ্যালারিতে।

দ্য ট্রিবিউন বলছে, ছবিটি ২০১০ সালের আগে গীতার আন্তর্জাতিক খারাপ ফলের জন্য একজন জাতীয় কোচকে দায়ী করে, আর তারা মনে করিয়ে দিয়েছে, তিনি ২০০৯ ও ২০১১ সালে কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতেছিলেন। প্রাক্তন প্রধান জাতীয় কোচ ও. পি. যাদব বলেছেন, একজন জাতীয় কোচকে যেভাবে দেখানো হয়েছে তাতে ছবিটি সিনেমার স্বাধীনতা নিয়েছে, আর গীতা তাঁর সাফল্যের কৃতিত্ব দেন জাতীয় শিবির আর কোচদের।

ভারত আর চীনের অঙ্ক, সংবাদমাধ্যম ধরে ধরে

বক্স অফিস ইন্ডিয়া দঙ্গলের ভারতে মোট নিট আয় তালিকাভুক্ত করেছে ৩৭৪.৫৩ কোটি টাকা (৩.৭৫ বিলিয়ন রুপি), ৪,২৫০টি পর্দায়, ১৩২ কোটি টাকার বাজেটে, রায় “অল টাইম ব্লকবাস্টার”। এটি এক সংবাদমাধ্যমের অঙ্ক, অন্যেরা ভিন্ন অঙ্ক ছেপেছে।

বিশ্বব্যাপী অঙ্কে ফারাক আরও বেশি। বক্স অফিস মোজো তালিকাভুক্ত করেছে ৩০৩,৭২৬,৬৯৪ ডলার, যার মধ্যে চীন থেকে ১৯৩,০৫০,৮৭০ ডলার, ভারত থেকে ৭৭,৩১৯,৫০০ ডলার আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১২,৩৯১,৭৬১ ডলার। ২০১৭ সালের ২৭ জুন বিজনেস টুডে ফোর্বসের সূত্র দিয়ে জানায়, দঙ্গল বিশ্বব্যাপী ২,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে এবং একে বলে ভারতের সর্বোচ্চ আয়ের ছবি, বাহুবলী ২-এর আগে, যার আয় তারা ধরেছিল প্রায় ১,৭০০ কোটি টাকা। ২০১৭ সালের ৪ জুলাই ইন্ডিয়া টিভি নিউজ জানায়, খানের এক মুখপাত্র সরকারি বিশ্বব্যাপী আয় বলেছেন ১,৮৬৪ কোটি টাকা “বৃহস্পতিবার পর্যন্ত” এবং বলেছেন ছবিটি এখনও ২,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছয়নি।

চীনে কেন এত দিন চলেছিল

স্ক্রিন ডেইলি জানিয়েছে, দঙ্গল চীনে মুক্তি পায় ২০১৭ সালের ৫ মে, শুক্রবার, ১৩ শতাংশ পর্দায়, গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি ভল্যুম ২-এর পরে দ্বিতীয় স্থানে। প্রথম সপ্তাহ শেষে সে প্রথম স্থানে, ৩১ শতাংশ পর্দায়। প্রদর্শন শেষ হয় ৪ জুলাই, তখন স্ক্রিন ডেইলির দেওয়া ১৯০ মিলিয়ন ডলারে সেটি দেশি-বিদেশি মিলিয়ে চীনের সর্বকালের ১৭তম সর্বোচ্চ আয়ের ছবি। সেখানে আগের ভারতীয় রেকর্ড ছিল ২০১৫ সালে পিকে-র, প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার।

স্ক্রিন ডেইলির নামধারী সূত্র, বিতরণ কর্মকর্তা স্ট্র্যাটেজিক অ্যালায়েন্সের প্রসাদ শেট্টি আর ই স্টার্স ফিল্মসের অ্যালেন লিউ, তিনটি কারণের কৃতিত্ব দেন: ভিড়ের সপ্তাহান্ত এড়ানো মুক্তির তারিখ, খানকে সামাজিকভাবে সচেতন অভিনেতা হিসেবে তুলে ধরা, আর চীনা তারকাদের সমর্থন। দেং চাও, ওয়াং বাওচিয়াং আর ইয়াও চেন শুরুতেই যুক্ত হন, আর ফেং শিয়াওগাং, লু হান এবং ফ্যান বিংবিং পরে ছবিটির সুপারিশ করেন। প্রতিবেদনটি বলছে, থ্রি ইডিয়টস (২০০৯), ধুম ৩ (২০১৩) আর পিকে (২০১৪)-এর সূত্রে খান চীনা দর্শকদের কাছে আগেই পরিচিত ছিলেন, যদিও তারা যোগ করেছে, শুধু তারকাখ্যাতি হিট হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না।

পদ্মশ্রী আর পদ্মভূষণ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পদ্ম পুরস্কার ডিরেক্টরিতে আমির খানের নাম শিল্প বিভাগে, মহারাষ্ট্র রাজ্য থেকে, ২০০৩ সালে পদ্মশ্রী আর ২০১০ সালে পদ্মভূষণ সহ।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Academy of Motion Picture Arts and Sciences: The 74th Academy Awards, 2002
  2. Ministry of Home Affairs: Padma Awards Directory (1954-2017)
  3. Press Information Bureau, 19 October 2009: President to give away 55th National Film Awards
  4. Scroll: Celebrating 30 years of Qayamat Se Qayamat Tak
  5. Upperstall.com: Qayamat Se Qayamat Tak
  6. The Tribune: Aamir Khan starrer Lagaan to re-release on June 12
  7. WION, 12 June 2026: 25 years of Lagaan, Aamir Khan and cast reunite
  8. Box Office India: Taare Zameen Par
  9. Nyay Bhushan, The Associated Press, 25 February 2008: Bollywood shines with Filmfare Awards (Hollywood Reporter)
  10. Ambar Chakravarty, Annals of Indian Academy of Neurology, 2009: Taare Zameen Par and dyslexic savants
  11. Box Office India: Dangal
  12. Box Office Mojo: Dangal
  13. Liz Shackleton, Screen Daily, 19 July 2017: What the West can learn from the surprise success of Dangal in China
  14. Business Today, 27 June 2017: Aamir Khan's Dangal earns Rs 2,000 crore at box office
  15. India TV News, 4 July 2017: Aamir Khan's Dangal yet to earn Rs 2000 crore worldwide, clarifies spokesperson
  16. Business Recorder, 16 January 2017: 62nd Filmfare Awards 2017, complete winners' list
  17. The Tribune: Where the truth lies in Dangal
  18. ESPN: Nationals silver whets Geeta Phogat's appetite for Paris Olympics

পর্দায় ও বইয়ে

  • Dangal (2016) , পরিচালনায় Nitesh Tiwari , Hindi . মহাবীর সিং ফোগাট ও তাঁর মেয়ে গীতা ও ববিতার নাট্যরূপ, যাতে ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসের ফাইনালের বেশ কয়েকটি খুঁটিনাটি বদলে দেওয়া হয়েছে

এই তালিকা তাঁদের জন্য যাঁরা পর্দায় দেখা গল্পের পিছনের ইতিহাস খুঁজছেন। কোনো নাট্যরূপ সূত্র নয়, এবং এই কাজগুলির কোনোটির সঙ্গে tuput যুক্ত নয়।

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#aamir khan#lagaan#dangal#taare zameen par#qayamat se qayamat tak#indian cinema#china box office#padma bhushan

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
লগান, কচ্ছে তোলা রাজের বিরুদ্ধে ক্রিকেট ম্যাচের ছবিটি, ২০০২ সালে অস্কারের পাঁচ মনোনীতের একটি ছিল আর আটটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতে
চম্পানের নামে এক বানানো গ্রাম, বিভিন্ন জাত ও ধর্মের মানুষ নিয়ে গড়া এক দল, আর এমন এক প্রকল্প যা ছবির নায়ক নিজেই প্রথমে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। লগান কীভাবে অ্যাকাডেমি পুরস্কারে পৌঁছল তার নথিভুক্ত বিবরণ।
এ. আর. রহমান রোজা-র জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান, তারপর স্লামডগ মিলিয়নেয়ার-এর জন্য একটি গোল্ডেন গ্লোব, একটি বাফটা, দুটি অস্কার আর দুটি গ্র্যামি
১৯৯২ সালের পুরস্কারের ডিরেক্টরেট অব ফিল্ম ফেস্টিভালসের ক্যাটালগে রোজা-র সংগীত নিয়ে জুরির প্রশস্তিপত্র ছাপা আছে। বাকিটা আছে অ্যাকাডেমি, রেকর্ডিং অ্যাকাডেমি আর গেজেট অব ইন্ডিয়ায়, ১২৭ আওয়ার্স-এর জন্য রহমানের ২০১১ সালের অস্কার মনোনয়ন পর্যন্ত।
রং দে বাসন্তী মুক্তি পাওয়ার পাঁচ সপ্তাহ পরে একটি বেনামি এসএমএস ২,৫০০ মানুষকে মোমবাতি হাতে ইন্ডিয়া গেটে এনে জড়ো করেছিল
একটি টেবিল, দুটি চেয়ার, ব্যাটারিতে চলা একটি লাউডস্পিকার আর এক বাক্স মোমবাতি। ২০০৬ সালের ৪ মার্চ নিয়ে তেহেলকার বিবরণ দেখায়, একটি ছবি, একটি আদালতের রায় আর একটি এসএমএস কীভাবে দিল্লির এক লনে এসে মিলেছিল, আর ছবির নির্মাতাদের নিজেদের কী লড়াই করে পর্দায় আনতে হয়েছিল।
← সব লেখা