Skip to content
অল্লুরি সীতারাম রাজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ভোগাপুরমে চালু হয়েছে ২০২৬ সালের ১ আগস্ট, চুক্তির ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের তারিখের আগেই, আর ১৭ আগস্ট বিশাখাপত্তনমের সব নির্ধারিত ফ্লাইট নিয়ে নিয়েছে
আধুনিক ভারত

অল্লুরি সীতারাম রাজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ভোগাপুরমে চালু হয়েছে ২০২৬ সালের ১ আগস্ট, চুক্তির ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের তারিখের আগেই, আর ১৭ আগস্ট বিশাখাপত্তনমের সব নির্ধারিত ফ্লাইট নিয়ে নিয়েছে

ছবি: Saiphani02 / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)

বাংলা

প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের ১ আগস্ট ভিজিয়ানগরম জেলার এই গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেছেন, আর ১৭ আগস্ট সেখানে নির্ধারিত ফ্লাইট শুরু হয়েছে। এর রানওয়ে ৩,৮০০ মিটার, টার্মিনাল ৭৭,৩৪২ বর্গমিটার, আর প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো খরচ দিয়েছে ৫,৬৪০ কোটি টাকার বেশি।

· · 6 মিনিটের পাঠ

অল্লুরি সীতারাম রাজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অন্ধ্রপ্রদেশের ভিজিয়ানগরম জেলার ভোগাপুরমে ২,২০৩ একর জমিতে গড়া, আর প্রধানমন্ত্রী এর উদ্বোধন করেছেন ২০২৬ সালের ১ আগস্ট। সেখানে নির্ধারিত ফ্লাইট শুরু হয়েছে ১৭ আগস্ট, যেদিন বিশাখাপত্তনম থেকে ওড়া পরিষেবাগুলো এখানে সরে এসেছে। সরকারের বিজ্ঞপ্তি-সংস্থা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) এর খরচ দিয়েছে ৫,৬৪০ কোটি টাকার বেশি আর প্রথম পর্যায়ের ক্ষমতা বছরে ৬০ লক্ষ যাত্রী।

দুটি তারিখ, ১ আগস্ট আর ১৭ আগস্ট

পিআইবি-র ৩১ জুলাইয়ের সূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ১ আগস্ট সকাল প্রায় ১১টায় যাত্রী টার্মিনাল ঘুরে দেখেন আর সকাল প্রায় ১১টা ৩০ মিনিটে বিমানবন্দর খোলেন। একই সফরে রাজ্যের অন্যত্র ১৭,৯০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের প্রকল্প ছিল। আকাশবাণী নিউজ জানিয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আর কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়েছেন।

এরপর অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক নির্ধারিত উড়ান শুরুর দিন ঠিক করে ১৭ আগস্ট। সংবাদ সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, সেদিন রাত ১২টা ১ মিনিটে একটি প্রজ্ঞাপন কার্যকর হয়, যা বিশাখাপত্তনম অসামরিক এনক্লেভে নির্ধারিত পরিচালনা বন্ধ করে এবং বিমানবন্দরের তিন-অক্ষরের আইএটিএ কোড VTZ ভোগাপুরমে সরিয়ে দেয়। VTZ লেখা টিকিটের মানে এখন নতুন বিমানবন্দর।

উড়ানের প্রথম সকাল

দ্য উইক ও ডেকান ক্রনিকলের খবর, হায়দরাবাদ থেকে ইন্ডিগো ফ্লাইট 6E 6408 ১৭ আগস্ট সকাল প্রায় ৬টা ৪৫ মিনিটে নামে এবং জলকামানের স্যালুট পায়। তার পরে আসে বেঙ্গালুরু থেকে একটি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ফ্লাইট। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী পরিষেবাগুলোর সূচনা করেন এবং যাত্রীদের হাতে বোর্ডিং পাস তুলে দেন, আর আগত যাত্রীদের দেওয়া হয় ঐতিহ্যবাহী এটিকোপ্পাকা খেলনা।

আইএএনএস প্রথম দিনের জন্য নির্ধারিত ৩১টি পরিষেবা গুনেছে, যা হায়দরাবাদ, দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, কলকাতা ও তিরুপতিকে জুড়েছে। দ্য ডেইলি পায়োনিয়র গুনেছে ৫২টি বিমান চলাচল, অর্থাৎ প্রতিটি অবতরণ ও উড়ানের হিসাব। পায়োনিয়র আর জিএমআর এয়ারপোর্টসের স্টক এক্সচেঞ্জ ফাইলিংয়ের একটি সারসংক্ষেপ দুটিই বলছে, সেদিন আবু ধাবিতে একটি ইন্ডিগো পরিষেবা আর সিঙ্গাপুরে একটি স্কুট পরিষেবাও ছিল। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে তারা ভোগাপুরম ও দিল্লির মধ্যে সপ্তাহে ১৪টি ফ্লাইট চালাবে।

বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থা জিএমআর বিশাখাপত্তনম ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেড (জিভিআইএএল) তার প্রধান নির্বাহী কানওয়ারবির সিং কালরাকে উদ্ধৃত করেছে, যিনি উদ্বোধনকে বলেছেন “উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য একটি রূপান্তরের মুহূর্ত”। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী বলেছেন এটি “উত্তর অন্ধ্রের জন্য একটি নতুন অধ্যায়”, ডেকান ক্রনিকলের প্রকাশিত মন্তব্যে।

৩,৮০০ মিটারের রানওয়ে আর অন্ধ্রের কুটির থেকে আঁকা ছাদ

রানওয়ে ৩,৮০০ মিটার লম্বা। আইএএনএস ও জিএমআর ফাইলিংয়ের সারসংক্ষেপ একে বলেছে কোড ই, যে শ্রেণি চওড়া-ফিউজলাজের জেটকে ধরে, আর আইএএনএস এর নেওয়া ধরনের মধ্যে তালিকা করেছে বোয়িং ৭৭৭, ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং এয়ারবাস এ৩৩০ ও এ৩৪০। ২০২৩ সালের মে মাসের পিআইবি-র বিজ্ঞপ্তি একে বর্ণনা করেছিল ক্যাটাগরি ১ ইন্সট্রুমেন্ট ল্যান্ডিংয়ের উপযোগী বলে, যা কম দৃশ্যমানতায় বিমান নামতে দেয়।

টার্মিনাল ৭৭,৩৪২ বর্গমিটার জুড়ে। আকাশবাণী নিউজের প্রতিবেদিত এয়ার ইন্ডিয়ার বিজ্ঞপ্তি তালিকা করেছে ২২টি চেক-ইন কাউন্টার, ১৮টি সেলফ-ব্যাগেজ-ড্রপ ইউনিট আর সাতটি অ্যারোব্রিজ, অর্থাৎ বিমানের দরজা পর্যন্ত ঢাকা পথ। পিআইবি বলছে ছাদের গড়ন অন্ধ্রপ্রদেশের ঐতিহ্যবাহী চুট্টিলু কুটির আর আরাকু উপত্যকার প্রকৃতিদৃশ্য প্রতিফলিত করে, আর তার প্রবহমান আকার একটি উড়ুক্কু মাছকে বোঝায়।

পিআইবি-র প্রযুক্তির তালিকায় আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিল্ডিং ইনফরমেশন মডেলিং, অর্থাৎ ভবনের একটি যৌথ ডিজিটাল মডেল, একটি এয়ারপোর্ট প্রেডিক্টিভ অপারেশনস সেন্টার, বায়োমেট্রিক যাত্রী প্রক্রিয়াকরণ আর স্বয়ংক্রিয় ব্যাগেজ পরিচালনা। টেকসই ব্যবস্থার জন্য সেটি তালিকা করেছে ৫ মেগাওয়াটের সৌর কেন্দ্র, বৃষ্টির জল সংগ্রহ, বৈদ্যুতিক যানের চার্জিং এবং কম বিদ্যুতের আলো ও এয়ার কন্ডিশনিং। সেটি যোগ করেছে, টার্মিনালটি মার্কিন গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলে নিবন্ধিত।

আইএএনএস ও কনস্ট্রাকশন ওয়ার্ল্ডের খবর, বিমানবন্দরটি ২,৭০৩.২৬ একরের একটি বৃহত্তর সমন্বিত প্রকল্পের ভেতরে, যাতে আছে ৫০০ একরের একটি বিমান-কেন্দ্র আর ১৩৬.৬৩ একরের একটি বিমান বিশ্ববিদ্যালয় ও এডুসিটির জায়গা। ২০২৩ সালের পিআইবি-র বিজ্ঞপ্তি ৫,০০০ বর্গমিটারের একটি কার্গো টার্মিনালেরও পরিকল্পনা করেছিল। দ্য উইক বিমানবন্দরকে বিশাখাপত্তনম থেকে ৪৪ কিমি আর ভিজিয়ানগরম থেকে ২৩ কিমি দূরে বলেছে।

বিমানবন্দরের খরচ, সূত্রগুলো যেভাবে দিয়েছে

পিআইবি-র উদ্বোধন-পূর্ব বিজ্ঞপ্তি বলছে বিমানবন্দরটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি মডেলে “৫,৬৪০ কোটি টাকার বেশি খরচে” গড়া হয়েছে, আর আকাশবাণী নিউজ ও বিজনেস টুডে ওই অঙ্কই বলেছে। ডেকান ক্রনিকল ও দ্য ডেইলি পায়োনিয়র দিয়েছে ৫,৭০০ কোটি টাকা, কনস্ট্রাকশন ওয়ার্ল্ড লিখেছে “Rs 50 billion”, আর আইএএনএস ১৬ আগস্ট নির্মাণ খরচ দিয়েছে প্রায় ৪,৭২৭ কোটি টাকা। শুধু প্রথম পর্যায়ের জন্য ২০২৩ সালের পিআইবি-র আনুমানিক হিসাব ছিল ৪,৫৯২ কোটি টাকা। এই লেখা পিআইবি-র অঙ্ক ধরেছে এবং অন্যগুলো চিহ্নিত করেছে, কারণ সূত্রগুলো বলেনি সেগুলোতে জমি, অর্থায়ন বা পরের সংযোজন ধরা আছে কি না।

ভিত্তিপ্রস্তর থেকে উদ্বোধন

পিআইবি-র মতে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ভিত্তিপ্রস্তর বসিয়েছিলেন ২০২৩ সালের ৩ মে। পিটিআই ২০২৪ সালে জানিয়েছিল, জিএমআর এয়ারপোর্টসের সহযোগী সংস্থা জিভিআইএএল ২০২০ সালে ৪০ বছরের নকশা-নির্মাণ-অর্থায়ন-পরিচালনা-হস্তান্তর ছাড় পেয়েছিল। এই মডেলে বেসরকারি সংস্থা ছাড়ের মেয়াদে বিমানবন্দর গড়ে ও চালায়, তারপর ফিরিয়ে দেয়।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জিএমআর গ্রুপের এক প্রতিনিধি বলেছিলেন, পরিকাঠামোর প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ, চুক্তি অনুযায়ী সমাপ্তির তারিখ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর আর জিএমআর লক্ষ্য রাখছে জুলাই। আইএএনএস লিখেছে বিমানবন্দর নির্ধারিত সময়ের প্রায় পাঁচ মাস আগে শেষ হয়েছে, জিকেটুডেও একই কথা বলেছে। প্রথম যাচাই-উড়ান নেমেছিল ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি, জানিয়েছে দ্য উইক, আর সেন্টার ফর অ্যাভিয়েশন (ক্যাপা) জানিয়েছে অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক জুলাইয়ে এরোড্রোম লাইসেন্স দিয়েছে। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন প্রথমে ঠিক হয়েছিল ২৬ জুন, জানুয়ারিতে লিখেছিল দ্য উইক, তারপর ঠিক হয় ১ আগস্ট।

পুরোনো বিমানবন্দরের কী হবে

বিশাখাপত্তনমের বিমানবন্দর নৌবাহিনীর আইএনএস ডেগা বিমানঘাঁটির সঙ্গে সুবিধা ভাগ করে, আর ২০২৩ সালের পিআইবি-র বিজ্ঞপ্তি লিখেছে যে সেখানকার অসামরিক এনক্লেভ ভোগাপুরমে পরিচালনা শুরুর দিন থেকে ৩০ বছর বন্ধ থাকবে। ২০১৭ সালের মার্চের একটি রাজ্যসভার উত্তর গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের অনুমোদনের জন্য একই শর্ত বলেছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ের প্রজ্ঞাপন নিয়ে স্বরাজ্যের প্রতিবেদন বলছে বন্ধের নিয়ম শুধু নির্ধারিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে খাটে, আর সামরিক উড়ান ও অনির্ধারিত ফ্লাইট চলতে থাকে।

দ্য উইক ও ডেকান ক্রনিকলের মতে পুরোনো বিমানবন্দর থেকে শেষ নির্ধারিত ফ্লাইট ছিল ১৬ আগস্ট দিল্লিগামী ইন্ডিগো 6E 2018। ডেকান ক্রনিকল জানিয়েছে উদ্বোধনের দিন বিশাখাপত্তনম ও ভোগাপুরমের মধ্যে শীতাতপ বাস আর ২০টি বৈদ্যুতিক বাসের ব্যবস্থা ছিল, আর আকাশবাণী নিউজ জানিয়েছে একই সকালে এয়ার ইন্ডিয়া তার বিশাখাপত্তনমের সব পরিষেবা সরিয়ে নিয়েছে।

একই দিনে ঘোষিত সড়ক, গ্রিড আর চিপ কারখানা

বিমানবন্দর ছিল একটি বড় প্যাকেজের কেন্দ্রে। পিআইবি-র বিজ্ঞপ্তি তালিকা করেছে ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশনের অধীনে অনুমোদিত অন্ধ্রপ্রদেশের প্রথম সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর, যা বছরে প্রায় ৯ কোটি ৬০ লক্ষ চিপ বানাবে, বিনিয়োগ ৪৬০ কোটি টাকার বেশি। সেটি আরও তালিকা করেছে কুর্নুল ও অনন্তপুর নবায়নযোগ্য শক্তি অঞ্চলের জন্য বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্প এবং ১,৮৮০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের জাতীয় মহাসড়কের কাজ।

বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পথ নিজেই চওড়া করা হচ্ছে। ডেকান ক্রনিকল জানিয়েছে সাতটি বড় সড়ক প্রকল্প, সোনতিয়াম সড়কসহ, আর বিশাখাপত্তনম ও বিমানবন্দরের মধ্যে একটি অনুমোদিত বিচ কোরিডর। দেশের চিত্রের জন্য, ভারতের বিমানবন্দরের সংখ্যা এবং নবি মুম্বই ও নয়ডার উদ্বোধন আলাদা লেখায় আছে, আর রাজ্যের সরকার, অর্থনীতি ও ভূগোল আরেকটিতে। বিমানবন্দরের নাম যে স্বাধীনতা সংগ্রামীর নামে, তিনিই রম্পা বিদ্রোহের ইতিহাসের বিষয়।

পরে কী আসছে

পিআইবি-র ২০২৩ সালের পরিকল্পনায় তিনটি পর্যায় ছিল, বছরে ৬০ লক্ষ যাত্রী থেকে বেড়ে ১ কোটি ২০ লক্ষ আর তারপর ১ কোটি ৮০ লক্ষ। জিএমআর এবং উদ্বোধনের প্রতিবেদনগুলো ৪ কোটির বেশির একটি মাস্টার প্ল্যানের কথা বলে। এই লেখা যা খুলে দেখেছে তার কোথাও দুটি সংখ্যা মেলানো হয়নি, আর কোনোটিই চাহিদা কবে সেখানে পৌঁছাবে তার পূর্বাভাস নয়।

২০২৬ সালের ২৭ অক্টোবর সাইক্লোনিক স্টর্ম অর্নবের ওপর অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের পর্যালোচনা, পিআইবি-র প্রকাশিত, বলেছে সেদিন বিকেল থেকে বিশাখাপত্তনমে পরিচালনা স্থগিত আর দিল্লি থেকে ভোগাপুরমের একটি পরিষেবা ২৮ অক্টোবরের জন্য বাতিল।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. PIB: PM to visit Andhra Pradesh and Karnataka on 1 August (31 July 2026)
  2. PIB: The first phase of the development of Bhogapuram International Greenfield Airport set in motion (4 May 2023)
  3. PIB: Construction of Bhogapuram International Airport, Rajya Sabha reply (21 March 2017)
  4. PIB: Ministry of Civil Aviation reviews Cyclone Arnab situation and operational readiness (27 October 2026)
  5. Akashvani News: PM Modi inaugurates Alluri Sitarama Raju International Airport in Andhra Pradesh (1 August 2026)
  6. Akashvani News: Air India shifts all Visakhapatnam flights to Bhogapuram airport from today (17 August 2026)
  7. Telangana Today (IANS): Bhogapuram airport starts commercial operations, Visakhapatnam flights shift to new facility (16 August 2026)
  8. Deccan Chronicle: Flight operations begin at Bhogapuram airport (17 August 2026)
  9. Deccan Chronicle: First flight lands at Bhogapuram airport, passengers greeted with Etikoppaka toys (17 August 2026)
  10. The Daily Pioneer: Commercial flight operations begin at new Vizag airport (17 August 2026)
  11. The Week: Why did the Visakhapatnam airport stop its operations (17 August 2026)
  12. The Week: Bhogapuram International Airport to be open by June 2026 (5 January 2026)
  13. InvestyWise: GMR Airports, Bhogapuram International Airport begins commercial operations (17 August 2026, summarising a BSE filing)
  14. eGov Elets: GMR Group announces accelerated timeline for Bhogapuram International Airport (16 December 2025)
  15. Maritime Gateway: Bhogapuram Airport to start commercial flight service from August 17, GMR (3 August 2026)
  16. CAPA Centre for Aviation: India renames Bhogapuram Airport
  17. Outlook Business (PTI): GMR's Bhogapuram International Airport project takes flight (7 May 2024)
  18. Construction World: Bhogapuram Airport (Alluri Sitarama Raju International Airport), Andhra Pradesh (6 August 2026)
  19. Swarajya: Commercial flights to shift from Visakhapatnam to Bhogapuram airport from 17 August as Centre transfers VTZ airport code (30 July 2026)
  20. ETV Bharat: PM Modi speaks at the inauguration of Bhogapuram airport and launch of development projects (1 August 2026)
  21. Business Today: PM Modi inaugurates Rs 5,640 crore Bhogapuram airport (3 August 2026)
  22. GKToday: Bhogapuram International Airport inaugurated in Andhra Pradesh

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#bhogapuram airport#alluri sitarama raju international airport#visakhapatnam#andhra pradesh#gmr airports#greenfield airport#indian aviation#north andhra

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: আধুনিক ভারত
কর্ণম মল্লেশ্বরী ২০০০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিডনিতে ২৪০ কেজি তুলে ব্রোঞ্জ জেতেন, অলিম্পিকে ভারতের কোনো মহিলার প্রথম পদক এবং সেই গেমসে দেশের একমাত্র পদক
শ্রীকাকুলামের এক গ্রামের যে ভারোত্তোলক বাঁকা বারবেল নিয়ে মাটিতে অনুশীলন করতেন, তিনি সিডনির কনভেনশন সেন্টারে পদক জিতলেন। লিফটগুলো, ব্যবধান, শেষ চেষ্টা নিয়ে তাঁর নিজের বিবরণ, আর তাঁর কর্মজীবন সম্পর্কে নথি কী বলে।
অন্ধ্রপ্রদেশের ভট্টিপ্রোলু স্তূপ ১৮৯২ সালে আলেকজান্ডার রিয়াকে দিয়েছিল তিনটি লেখাখচিত দেহাবশেষ-পাত্র, আর সেগুলোর ব্রাহ্মী অক্ষর, গেওর্গ বুলার যার কাল ধরেছিলেন খ্রিস্টপূর্ব ২০০-র পরে নয়, পাঁচটি ব্যঞ্জন আর স্বর অ লেখে অশোকের অনুশাসনের চেয়ে আলাদাভাবে
১৮৭০-এর দশকে ঢিপিটি থেকে রাস্তার খোয়ার জন্য পাথর কাটা হয়েছিল, তবু তার দেহাবশেষের পাত্রগুলো ছিল মাঝখানের নিচে। এমন স্তূপ কীভাবে বানানো হত তা নিয়ে রিয়ার বোঝাপড়া তাঁকে সোজা সেখানে নিয়ে যায়, আর পাত্রের অক্ষরগুলো নিয়ে তর্ক এখনও চলছে।
নাগার্জুন সাগর জলাধার ওঠার আগে পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ নাগার্জুনকোন্ডায় ১৩০টি স্থান খুঁড়ে ইক্ষ্বাকুদের রাজধানী বিজয়পুরী উদ্ধার করেছিল এবং তার স্মৃতিসৌধ উঁচু জমিতে নতুন করে গড়েছিল
গেট আর সেনানিবাসওয়ালা একটি দুর্গ, ৯৪ মিটার লম্বা ইটের তৈরি একটি রঙ্গভূমি, প্রায় চল্লিশটি বৌদ্ধ স্থান আর রোমের দুটি সোনার মুদ্রা, এক উপত্যকা থেকে ছয় বছরে বেরিয়ে এসেছিল। যা বাঁচানো গেছে, আজ তা দেখতে জলাধার পেরোতে হয় লঞ্চে।
← সব লেখা