Skip to content
গগনযানের ক্রু এসকেপ সিস্টেম ২০২৩ সালের ২১ অক্টোবর প্রথম উড়ান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, আর মানববিহীন G1 উড়ানের আগে চিনুকের দুটি ড্রপে প্যারাশুটগুলি যাচাই হয়েছে
সংবাদ

গগনযানের ক্রু এসকেপ সিস্টেম ২০২৩ সালের ২১ অক্টোবর প্রথম উড়ান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, আর মানববিহীন G1 উড়ানের আগে চিনুকের দুটি ড্রপে প্যারাশুটগুলি যাচাই হয়েছে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

ইসরোর ক্রু এসকেপ সিস্টেম ২০২৩ সালের ২১ অক্টোবর একটি ক্যাপসুলকে ১৭ কিলোমিটার উচ্চতায় নিয়ে যায়, আর ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট ও ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিলের হেলিকপ্টার ড্রপে প্যারাশুট যাচাই হয়েছে। ২০২৬ সালের ৬ আগস্ট পর্যন্ত সরকারের লক্ষ্য ব্যোমমিত্র রোবটকে নিয়ে প্রথম মানববিহীন উড়ান G1, ২০২৬ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

২০২৩ সালের ২১ অক্টোবর ইসরো শ্রীহরিকোটা থেকে গগনযানের প্রথম টেস্ট ভেহিকল ওড়ায়, আর ক্রু এসকেপ সিস্টেম, অর্থাৎ ব্যর্থ হতে থাকা উৎক্ষেপণ থেকে মহাকাশচারীদের টেনে সরিয়ে নেওয়ার জন্য রকেটচালিত যে ব্যবস্থা, পরিকল্পনামতো কাজ করেছে, সংস্থার মিশন পাতা অনুযায়ী। যে ক্যাপসুলটি সে বয়ে নিয়েছিল, ৪,৫২০ কিলোগ্রামের একটি চাপহীন ক্রু মডিউল, সেটি প্রায় ১৭ কিলোমিটার উচ্চতায় নেওয়া হয়, দশটি প্যারাশুটে নেমে আসে এবং ভারতীয় নৌবাহিনী সমুদ্র থেকে তা উদ্ধার করে।

এরপর ভারতীয় বায়ুসেনার চিনুক হেলিকপ্টার থেকে দুটি ড্রপ হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট ও ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল, আর ইসরো বলছে দুটিতেই প্যারাশুট ব্যবস্থা যাচাই হয়েছে। দ্বিতীয়টিতে ছিল প্রায় ৫.৭ টনের একটি ডামি মডিউল, ইসরো যাকে গগনযানের প্রথম মানববিহীন উড়ান G1-এ ক্রু মডিউলের ভর বলে জানায়। ২০২৬ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত G1 ওড়েনি। মহাকাশ বিভাগ ২০২৬ সালের ৬ আগস্ট রাজ্যসভাকে জানিয়েছে এর লক্ষ্য ২০২৬ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিক।

প্রতিটি পরীক্ষা কী প্রমাণ করতে

ইসরোর গগনযান পাতায় পূর্ববর্তী উড়ানের তিনটি ধরন তালিকাভুক্ত: ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ড্রপ টেস্ট (IADT), প্যাড অ্যাবর্ট টেস্ট (PAT) ও টেস্ট ভেহিকল (TV) উড়ান। সেখানে বলা আছে, “মানব মিশনের আগে মানববিহীন মিশনে সব ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণ করা হবে।” শেষে মানুষ নিয়ে যে উড়ান হবে তাতে তিনজনকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় তিন দিনের জন্য নিয়ে গিয়ে ভারতের জলসীমায় নামানোর কথা।

TV-D1 যখন ওড়ে, মহাকাশমন্ত্রী ডা. জিতেন্দ্র সিং বলেন, এতে পরীক্ষা হয়েছে মিশন বাতিল হলে ক্রু যে ব্যবস্থায় পালিয়ে বাঁচবে সেই কৌশল, এবং বাকি যোগ্যতা-পরীক্ষা ও মানববিহীন মিশনের ভিত তৈরি হল। যাঁরা শেষ পর্যন্ত যানটিতে চড়বেন তাঁদের কথা আছে ভারতের গগনযান মহাকাশচারীদের নিয়ে আমাদের লেখায়।

TV-D1: ২০২৩ সালের ২১ অক্টোবরের উড়ান

টেস্ট ভেহিকলটি ছিল একটি পরিবর্তিত বিকাশ ইঞ্জিন ঘিরে গড়া এক-ধাপের তরল-জ্বালানির রকেট, দৈর্ঘ্য ৩৪.৯৫৪ মিটার, উৎক্ষেপণের সময় ওজন ৪৪ টন, আর সামনের প্রান্তে বসানো ক্রু মডিউল ও এসকেপ সিস্টেম। উড়ানের জন্য ইসরোর ব্রোশিয়র অনুযায়ী এসকেপ সিস্টেমে পাঁচ ধরনের দ্রুত-কাজ-করা সলিড মোটর ব্যবহার হয়।

ইসরোর পাতার মিশন-রূপরেখায় অ্যাবর্ট হয় ম্যাক ১.২ (শব্দের গতির ১.২ গুণ) ও ১১.৭ কিলোমিটার উচ্চতায়। ক্রু মডিউল এসকেপ সিস্টেম থেকে আলাদা হয় ১৭ কিলোমিটারে, ড্রোগ প্যারাশুট খোলে ১৬.৭ কিলোমিটারে, আর মূল প্যারাশুট খোলে ২.৫ কিলোমিটারের নিচে। স্বাভাবিক অবতরণ গতি সেকেন্ডে ৮.৫ মিটার। ইসরোর ব্রোশিয়র বলছে, উড়ানের আগে প্যারাশুটগুলি চণ্ডীগড়ের একটি রেঞ্জে ১২টি রকেট-স্লেজ যোগ্যতা-পরীক্ষা এবং আগ্রা ও ঝাঁসিতে AN-32 ও Il-76 বিমান থেকে মূল প্যারাশুটের চারটি এয়ার ড্রপের মধ্য দিয়ে গেছে।

উৎক্ষেপণ প্রথমে মসৃণ হয়নি। ২১ অক্টোবর উৎক্ষেপণের সময় ঠিক ছিল সকাল ৮টা। আবহাওয়ায় ৪৫ মিনিট গেল, তারপর স্বয়ংক্রিয় ক্রম উৎক্ষেপণের পাঁচ সেকেন্ড আগে কাউন্টডাউন থামিয়ে দেয়। ইসরোর চেয়ারম্যান এস. সোমনাথ কারণটিকে “নজরদারি ব্যবস্থার অসঙ্গতি” বলেন, যা দ্রুত ঠিক করা হয়, স্পেসপলিসিঅনলাইন জানিয়েছে, আর যানটি ১০টায় লঞ্চপ্যাড ছাড়ে। সেদিনের পিআইবি বিজ্ঞপ্তি বলছে অভিযানটি “প্রত্যাশামতো সম্পন্ন হয়েছে।” ভারতীয় নৌবাহিনী মডিউলটি সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে।

পিআইবির ২০২৩ সালের ৩ আগস্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী উড়ানটি পরিকল্পিত ছিল ২০২৩ সালের আগস্ট বা সেপ্টেম্বরে। ২১ অক্টোবরের তারিখ ঘোষণা করেন সিং ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর।

চিনুক থেকে দুটি ড্রপ, ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট ও ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল

প্রথম ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ড্রপ টেস্ট, IADT-01, হয় শ্রীহরিকোটায় ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট। একটি চিনুক প্রায় ৪.৮ টনের একটি নকল ক্রু মডিউল প্রায় ৩ কিলোমিটার উচ্চতায় তুলে ছেড়ে দেয়। চার ধরনের দশটি প্যারাশুট পরপর খোলে: আলগা হওয়া অ্যাপেক্স কভারকে সরাতে দুটি ছোট, দুটি ড্রোগ, তিনটি পাইলট প্যারাশুট ও তিনটি মূল, প্রতিটি মূলের ব্যাস ২৫ মিটার। অবতরণের সময় মডিউলের গতি নেমে আসে সেকেন্ডে প্রায় ৮ মিটারে। ইসরো বলছে পরীক্ষাটি লঞ্চপ্যাডে অ্যাবর্টের অনুকরণ করেছে, আর নৌবাহিনীর জাহাজ আইএনএস অন্বেষা মডিউলটি চেন্নাই বন্দরে নিয়ে যায়।

ইসরো আগে ডামি যন্ত্রাংশ নিয়ে পরীক্ষামূলক উড়ান চালায়, এবং একটি টেস্ট অথরাইজেশন বোর্ড আসল পরীক্ষায় ছাড়পত্র দেয়। ইসরোর নিজস্ব কেন্দ্রগুলির পাশাপাশি ডিআরডিও, বায়ুসেনা, নৌবাহিনী ও উপকূলরক্ষী বাহিনী অবদান রাখে।

IADT-02 হয় ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল, ৫.৭ টনের মডিউল, একই ৩ কিলোমিটার ছাড়ার উচ্চতা ও একই দশটি প্যারাশুট নিয়ে। মডিউলটি শ্রীহরিকোটার কাছে সমুদ্রে পড়ে এবং নৌবাহিনীর সঙ্গে উদ্ধার হয়। ইসরোর বিবরণ পরীক্ষাটিকে G1-এর জন্য প্রস্তুতির দিকে একটি ধাপ বলেছে।

TV-D2, পরের টেস্ট ভেহিকল উড়ান

২০২৬ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত TV-D2 ওড়েনি। ২০২৫ সালের ৭ আগস্টের একটি সংসদীয় উত্তরে এটি তালিকাভুক্ত ছিল ২০২৫ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে, আর G1 চতুর্থ ত্রৈমাসিকে এবং G2 ও G3 ২০২৬ সালে। ২০২৬ সালের আগস্টের উত্তরগুলি বলছে এর দিকে কাজ চলছে, আর ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই মন্ত্রীর লিখিত উত্তর নিয়ে ডিডি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন প্রস্তুতিকে উন্নত পর্যায়ে বলে বর্ণনা করেছে। এই নথিগুলির কোনওটিতেই TV-D2 এর তারিখ বা উড়ানের রূপরেখা নেই।

ডিডি ইন্ডিয়া যেমন জানিয়েছে, ওই জুলাইয়ের উত্তরেই বলা আছে HLVM3 উৎক্ষেপণ যানের তিনটি ধাপ (HS200, L110 ও C32) এবং এসকেপ মোটরগুলি তৈরি, আর ক্রু ও সার্ভিস মডিউলের সংযোজন ও পরীক্ষা শেষের কাছাকাছি। পিআইবি বিজ্ঞপ্তি বলছে ২০২৬ সালের ৬ আগস্টের মধ্যে কর্মসূচির মিশন কন্ট্রোল সেন্টার, ক্রু প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং অরবিটাল মডিউল প্রস্তুতির সুবিধা চালু হয়েছে।

G1 আর ক্রুর আসনে রোবট

G1 তিনটি মানববিহীন উড়ানের প্রথম। ২০২৬ সালের ৬ আগস্টের পিআইবি বিজ্ঞপ্তি একে বলেছে কর্মসূচিতে “প্রথমবার তৈরি হচ্ছে এমন প্রযুক্তি যাচাই করার” একটি পরীক্ষামূলক মিশন। এতে যাবে ব্যোমমিত্র, একটি অর্ধ-মানবরূপী রোবট। দ্য উইক বর্ণনা করেছে এটিকে পা-ছাড়া নারীরূপী রোবট হিসেবে, যে হিন্দি ও ইংরেজিতে কথা বলে, মডিউলের ভেতরে তাপমাত্রা, চাপ, আর্দ্রতা ও কার্বন ডাই-অক্সাইড নজরে রাখে, সতর্কবার্তা দেয় এবং জীবনরক্ষা ব্যবস্থার কাজ চালায়। নামটিতে সংস্কৃত শব্দ ব্যোম (মহাকাশ) আর মিত্র জুড়ে আছে। দ্য ট্রিবিউন ২০২৫ সালের আগস্টে জানিয়েছিল চেয়ারম্যান ভি. নারায়ণন একই দায়িত্বের কথা বলেছেন: মডিউলের মাপকাঠি নজরে রাখা, সতর্কবার্তা দেওয়া ও জীবনরক্ষা ব্যবস্থা চালানো।

প্রথম মানব-উড়ানের বিন্যাসে আরও দুটি মানববিহীন উড়ান ২০২৭ সালের মধ্যে লক্ষ্য, ২০২৬ সালের আগস্টের বিজ্ঞপ্তি বলছে। নারায়ণন ২০২৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ইটিভি ভারতকে বলেন, দ্বিতীয়টি যাবে প্রথমটির ছয় মাস পরে আর তৃতীয়টি তার ছয় মাস পরে। একই প্রতিবেদন বলছে ইসরো ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত CE20 ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের একটি ফ্লাইট অ্যাকসেপ্টেন্স হট টেস্ট চালিয়েছে, যা তারা গগনযান প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তুলে ধরে।

G1-এর লক্ষ্য কীভাবে সরেছে

প্রথম মানববিহীন উড়ানের জন্য দেওয়া তারিখ প্রতিটি সরকারি বক্তব্যে বদলেছে:

  • ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর: সিং বলেন ব্যোমমিত্রকে নিয়ে একটি পরীক্ষা-উড়ান আসবে “আগামী বছর”, অর্থাৎ ২০২৪ সালে।
  • ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট: একটি সংসদীয় উত্তরে G1 তালিকাভুক্ত হয় ২০২৫ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে।
  • ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর: নারায়ণন বলেন G1 ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঠিক হয়েছে আর প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পূর্ণ, নিউজ অন এআইআর জানিয়েছে।
  • ২০২৬ সালের ৬ আগস্ট: রাজ্যসভাকে বলা হয় ২০২৬ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিক।
  • ২০২৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর: নারায়ণন বলেন ডিসেম্বরের শেষ।
  • ২০২৬ সালের ৫ অক্টোবর: মহেন্দ্রগিরির ইসরো প্রপালশন কমপ্লেক্সের অধিকর্তা নারায়ণন আপ্পু বলেন প্রথম মানববিহীন পরীক্ষা এ বছরের শেষে পরিকল্পিত, টাইমস অফ ইন্ডিয়া অনুযায়ী।

এগুলির কোনওটিই উৎক্ষেপণের বিজ্ঞপ্তি নয়। দ্য ট্রিবিউন ২০২৫ সালের আগস্টে জানিয়েছিল ইসরো ৭,৭০০-র বেশি গ্রাউন্ড টেস্ট শেষ করেছে এবং ২০২৬ সালের মার্চের আগে আরও ২,৩০০-র বেশি করার পরিকল্পনা।

মানববিহীন উড়ানের পর কী

মানুষ নিয়ে উড়ানের তারিখও বিভিন্ন আধিকারিক বিভিন্নভাবে বলেছেন। পিআইবির ২০২৬ সালের ৫ আগস্টের সংসদীয় উত্তর বলছে প্রথম মানব মিশনের লক্ষ্য ২০২৭ সালে। নারায়ণন ইটিভি ভারতকে বলেন মানুষ উড়বে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে বা ২০২৮ সালের শুরুতে, আর আপ্পু ২০২৬ সালের ৫ অক্টোবর বলেন মানব মহাকাশ উড়ানের লক্ষ্য ২০২৮ সালের মাঝামাঝি।

আলাদা একটি উড়ান, শুভাংশু শুক্লের অ্যাক্সিয়ম-৪ মিশন, নিয়ে আছে আমাদের লেখা। দীর্ঘ পরিকল্পনা হল মহাকাশ স্টেশনটি, যার কথা আছে ভারতীয় অন্তরিক্ষ স্টেশন নিয়ে আমাদের লেখায়, যার প্রথম মডিউল ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ উৎক্ষেপণ হবে বলে আপ্পু আশা প্রকাশ করেছেন।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. ISRO: Gaganyaan TV-D1 Mission
  2. ISRO: Test platform for validation of Crew Escape System, Gaganyaan TV-D1 brochure
  3. Press Information Bureau: Test flight success of Abort Mission-1 (TV-D1), Dr Jitendra Singh (21 October 2023)
  4. Press Information Bureau: Gaganyaan Test Vehicle flight TV-D1 scheduled on 21st October (10 October 2023)
  5. Press Information Bureau: First Test Vehicle mission planned in August/September 2023 (3 August 2023)
  6. SpacePolicyOnline: India Aces Crew Capsule Abort Test (21 October 2023)
  7. ISRO: First Integrated Air Drop Test (IADT-01) for Gaganyaan (24 August 2025)
  8. ISRO: Second Integrated Air Drop Test (IADT-02) for Gaganyaan (10 April 2026)
  9. ISRO: Gaganyaan
  10. Press Information Bureau: Parliament Question, Status of Gaganyaan Mission (7 August 2025)
  11. Press Information Bureau: Dr. Jitendra Singh informs Rajya Sabha of key milestones in Gaganyaan (6 August 2026)
  12. Press Information Bureau via GlobalSecurity.org: Parliament Question, Human Spaceflight Mission (5 August 2026)
  13. DD India: Gaganyaan Mission advances as ISRO completes key systems (29 July 2026)
  14. The Tribune: ISRO to launch Gaganyaan's first uncrewed mission G1 with robot Vyommitra (21 August 2025)
  15. The Week: What is Vyommitra's role in ISRO's Gaganyaan mission (19 September 2025)
  16. News On AIR: ISRO Chairman Dr V. Narayanan confirms Gaganyaan G1 launch set for December (23 October 2025)
  17. ETV Bharat: Will send humans into space by 2028, ISRO Chairman (11 September 2026)
  18. Times of India: 95% of initial phase tests for Gaganyaan complete, ISRO official (5 October 2026)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#gaganyaan#isro#tv-d1#vyommitra#crew escape system#uncrewed mission#human spaceflight

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: সংবাদ
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিমানবাহিনীর চার টেস্ট পাইলটের নাম ঘোষণা হয়েছিল ভারতের মহাকাশচারী হিসেবে, আর তাঁদের একজন ইতিমধ্যে মহাকাশ স্টেশনে ঘুরে এসেছেন
১৭ কিলোমিটার উচ্চতায় একটি পরীক্ষামূলক রকেট থেকে ক্রু ক্যাপসুলটিকে আলাদা করে আনা হয়েছিল, আর সেটি দশটি প্যারাশুটে ঝুলে সমুদ্রে নেমেছিল। সেই উড়ানের পেছনে আছেন চারজন পাইলট, রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি, আর উৎক্ষেপণের কয়েকটি তারিখ, যা একাধিকবার সরেছে এবং এখানে দেওয়া হয়েছে সূত্র-সহ।
ভারতের মহাকাশ স্টেশনের পাঁচটি মডিউলের একটির অনুমোদন আছে, আনুমানিক খরচ ১,৭৬৩ কোটি টাকা আর উৎক্ষেপণের লক্ষ্য ২০২৮
২০,১৯৩ কোটি টাকার অঙ্কটি প্রায়ই স্টেশনের গায়ে জুড়ে দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভার পাঠ আর সংসদের উত্তরগুলি দেখায় এটি কী কী ঢাকে, প্রথম মডিউলের দাম কত ধরা হয়েছে, আর পরিকল্পনার কোন অংশের এখনও কোনো অনুমোদন নেই।
২০২৫ সালের জুনে, রাকেশ শর্মার ৪১ বছর পর, শুভাংশু শুক্লা হয়েছিলেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে প্রথম ভারতীয়, আর কক্ষপথে চালিয়েছিলেন ভারতের সাতটি পরীক্ষা
উৎক্ষেপণের দশ মিনিট পরে তিনি ভারতের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক দলের সঙ্গে ভাগ করে খেয়েছিলেন গাজর কা হালুয়া, আর ভারতের সাতটি পরীক্ষাগারের নমুনা নিয়ে ঘরে ফিরেছিলেন। মহাকাশ সংস্থাগুলো আর মহাকাশচারী নিজে উড়ানটিকে যেভাবে নথিবদ্ধ করেছেন।
← সব লেখা