Skip to content
কুড্ডালোরের বীরানাম জলাধার, ১৬ কিমি বাঁধের চোল আমলের এই জলাশয় আজও ৪৪,৮৫৬ একর জমিতে সেচ দেয়, ২৩৫ কিমি দূরের চেন্নাইয়ে জল পাঠায় আর ২০২১ সালে আইসিআইডি-র তালিকায় জায়গা পেয়েছে
বিজ্ঞান ও মহাকাশ

কুড্ডালোরের বীরানাম জলাধার, ১৬ কিমি বাঁধের চোল আমলের এই জলাশয় আজও ৪৪,৮৫৬ একর জমিতে সেচ দেয়, ২৩৫ কিমি দূরের চেন্নাইয়ে জল পাঠায় আর ২০২১ সালে আইসিআইডি-র তালিকায় জায়গা পেয়েছে

ছবি: Ssriram mt / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)

বাংলা

তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলার বীরানাম জলাধার খোঁড়া হয়েছিল চোল যুগে, আর ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন ইরিগেশন অ্যান্ড ড্রেনেজ ২০২১ সালে এটিকে ঐতিহ্যবাহী সেচ স্থাপনার স্বীকৃতি দেয়। ১৬ কিমি লম্বা বাঁধে ধরে ১,৪৬৫ মিলিয়ন ঘনফুট জল, তা ১০২টি গ্রামে অভিকর্ষের টানেই পৌঁছায়, আর একটি পাইপলাইন সেই জল নিয়ে যায় চেন্নাইয়ে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলার বীরানাম জলাধারের মূল বাঁধ ১৬ কিমি লম্বা, আর জল ধারণক্ষমতা ১,৪৬৫ মিলিয়ন ঘনফুট (প্রায় ৪১ মিলিয়ন ঘনমিটার)। ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন ইরিগেশন অ্যান্ড ড্রেনেজের (আইসিআইডি) বিবরণ অনুযায়ী এটি ১০২টি গ্রামের ৪৪,৮৫৬ একর (প্রায় ১৮,১৫০ হেক্টর) জমিতে সেচ দেয়। ২০২১ সালে মরক্কোর মারাকেশে আইসিআইডি-র ৭২তম আন্তর্জাতিক নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী সেচ স্থাপনার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। একই জলাধার প্রায় ২৩৫ কিমি দূরের চেন্নাইকেও জল জোগায়।

জলাধারটি চোল যুগের কীর্তি। কোন চোল রাজা কোন শতকে এটি বানিয়েছিলেন, সে প্রশ্নের তিন রকম উত্তর দেয় প্রকাশিত সূত্রগুলো।

আজ জলাধারটি কী করে

আইসিআইডি-র নথিতে বলা আছে, জলাধারটি ১৬৫ বর্গমাইলের জলগ্রহণ এলাকা থেকে বৃষ্টির জল পায়। এছাড়া কোলেরুন (কোল্লিডাম) নদী থেকে লোয়ার অ্যানিকাট, নদীর ওপরের একটি নিয়ন্ত্রক বাঁধ, আর ভাদাভার নামের একটি সরবরাহ খালের মধ্য দিয়ে কাবেরীর জলও আসে। পূর্ণ জলস্তরে জলের বিস্তার ১৫ বর্গমাইল, অর্থাৎ প্রায় ৩৯ বর্গ কিমি।

মূল বাঁধ বরাবর ২৮টি আর তীরের দিকের বাঁধ বরাবর ৬টি জলকপাট মাঠের নালায় জল ছাড়ে। আইসিআইডি জানাচ্ছে, জল এগুলোর ভেতর দিয়ে শুধু অভিকর্ষের টানেই চলে, আর সবচেয়ে লম্বা মাঠের নালা, বুথাঙ্গুডি নালা, ২৪.৩ কিমি দীর্ঘ। আয়াকাট নামে পরিচিত সেচ-এলাকা চিদাম্বরম, ভুবনগিরি ও কট্টুমান্নারকোইল তালুকে। বাড়তি বন্যার জল বঙ্গোপসাগরে নিয়ে যায় দুটি উদ্বৃত্ত জলের খাল।

কুড্ডালোর জেলা প্রশাসনের পাতায় এটিকে তামিলনাড়ুর অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম মানুষের তৈরি হ্রদ বলা হয়েছে। দ্য হিন্দু ২০২১ সালে জানিয়েছিল, আইসিআইডি সে বছর ঐতিহ্যবাহী সেচের তালিকার জন্য ভারতের যে চারটি স্থাপনা বেছেছিল, তার তিনটিই তামিলনাড়ুর। আইসিআইডি-র তালিকা তাদের নিজস্ব পুরস্কার, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির তালিকা থেকে আলাদা।

জল কীভাবে ঢোকে

জলাধারের বেশির ভাগ জল আসে নদী থেকে, আকাশ থেকে নয়। মাদ্রাজ সরকারের জন্য ডব্লিউ. ফ্রান্সিসের সম্পাদনায় ১৯০৬ সালের সাউথ আর্কট জেলা গেজেটিয়ারে ভাদাভারকে বর্ণনা করা হয়েছে এমন এক খাল হিসেবে, যা লোয়ার অ্যানিকাটে কোলেরুন ছেড়ে জলাধারে এসে পড়ে, আর পথে ২৬টি জলকপাটের মধ্য দিয়ে দুই পাড়ের জমিতে সেচ দেয়। গেজেটিয়ার ওই অ্যানিকাটের তারিখ দিয়েছে ১৮৩৬ সাল, কর্নেল আর্থার কটনের পরামর্শে বালি ও ঝোপের ডালের তৈরি একটি পুরনো কাঠামোর জায়গায় সেটি বানানো হয়।

ফ্রান্সিস আরও লিখেছেন, তখন ভাদাভারে কোনো মুখ-কপাট ছিল না। ফলে কোলেরুনে বড় বন্যা এলে জলাধারে প্রয়োজনের বেশি জল ঢুকত, আর পলিতে তার ধারণক্ষমতা কমে যেত। বি. এস. বালিগার ১৯৬২ সালের গেজেটিয়ার অনুযায়ী ১৯২০-র দশকে একটি মুখ-নিয়ন্ত্রক যোগ করা হয়। আইসিআইডি-র নথি যোগ করেছে যে জলাধারটি এখন উত্তর প্রান্তে একটি খালের মাধ্যমে ভেল্লার নদীর সঙ্গেও যুক্ত, ফলে ভেল্লার রাজন খালে জল কমে এলে উদ্বৃত্ত জল সেদিকে পাঠানো যায়।

কাঠামোটি একাধিকবার নতুন করে সাজানো হয়েছে। বালিগা বলেছেন, ১৯০৬ থেকে ১৯১৩ সালের মধ্যে পূর্ণ জলস্তর ২ ফুট উঁচু করা হয়। আইসিআইডি বলছে, ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সালের সংস্কারে বাঁধের উজানের পাশ পুরো দৈর্ঘ্য ধরে কংক্রিটের চাঁই দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়, আর নিউ বীরানাম প্রকল্পের অধীনে বাঁধের চূড়া আরও ২ ফুট উঁচু করা হয়। আইসিআইডি এই কাজের ফলে ক্ষমতা ৯৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে ১,৪৪০ মিলিয়নে ওঠার কথা বলেছে, আর উজানের দিকে এখন একটি ঢেউ-প্রাচীর আছে।

কে বানিয়েছিলেন, কবে

আইসিআইডি বলছে, জলাধারটি খোঁড়া হয়েছিল প্রথম পরান্তকের আমলে, নবম শতকে, যুদ্ধের পর বিশ্রামের সময়ে তাঁর সৈনিকদের হাতে। আইসিআইডি-র বিবরণে রাজা এর নাম রেখেছিলেন বীরনারায়ণন এরি, বীর নারায়ণ পেরুমল মন্দিরের নামে, আর পরে নামটি ছোট হয়ে বীরানাম হয়। আইসিআইডি-র পাতার ভাষা: “excavated by his soldiers during the rest time available after the war.”

কুড্ডালোর জেলার পাতা বলছে অন্য কথা: এটি দশম শতকে বানিয়েছিলেন প্রথম পরান্তকের ছেলে রাজাদিত্য চোল। তৃতীয় একটি পাঠ পাওয়া যায় ঔপনিবেশিক আমল ও রাজ্যের গেজেটিয়ারে। ফ্রান্সিস ১৯০৬ সালে লিখেছেন, স্থানীয় ঐতিহ্য জলাধারটি দিয়েছে সেই রাজাকে, যিনি গঙ্গাইকোন্ড চোলপুরম শহর গড়েছিলেন, আর শিলালিপি থেকে জানা যায় ওই রাজা প্রথম রাজেন্দ্র, যাঁর তারিখ তিনি দিয়েছেন ১০১১ থেকে ১০৩৭। বালিগার ১৯৬২ সালের খণ্ড বলছে, জলাধারটি রাজেন্দ্র চোলের তৈরি বলে ধরা হয়। কে. এ. নীলকণ্ঠ শাস্ত্রীর প্রামাণিক ইতিহাসে রাজেন্দ্রের শাসনকাল দেওয়া আছে ১০১২ থেকে ১০৪৪। শহরটির কথা আছে আমাদের জীবন্ত মহান চোল মন্দির লেখায়।

শতকের প্রশ্নেও সাবধান হওয়া দরকার। শাস্ত্রী প্রথম পরান্তকের তারিখ দিয়েছেন ৯০৭ থেকে ৯৫৫, যা দশম শতকে পড়ে, তাই আইসিআইডি-র “নবম শতক” তাদের নিজেদের বেছে নেওয়া রাজার সঙ্গে ঠিক খাপ খায় না। জেলার পাতার দশম শতক প্রথম পরান্তক ও রাজাদিত্য, দুজনের সঙ্গেই মেলে।

আমরা যে সূত্রগুলো খুলে দেখতে পেরেছি, তার মধ্যে সবচেয়ে জোরালো সূত্র নামটি। শাস্ত্রী লিখেছেন, বীরনারায়ণ ছিল প্রথম পরান্তকের একটি উপাধি, আর জলাধারের দক্ষিণ প্রান্তের কাছের মন্দির-শহর কট্টুমান্নারকোইল আনুষ্ঠানিকভাবে ছিল বীরনারায়ণ-চতুর্বেদিমঙ্গলম, পণ্ডিত ব্রাহ্মণদের দান করা একটি গ্রাম। তিনি ১১২৪ সালের একটি নথির উল্লেখ করেছেন, যাতে বিক্রম চোল সেখানকার এক প্রাসাদে বাস করছেন। ফ্রান্সিস যোগ করেছেন, শহরটির সংস্কৃত নাম ছিল বীরনারায়ণপুর আর বীরনারায়ণ নামের একজন এটি পত্তন করে জলাধারকে নিজের নাম দিয়েছিলেন বলে বলা হয়। এই তথ্যগুলো জায়গাটিকে এমন একটি নামের সঙ্গে জুড়ে দেয়, যা প্রথম পরান্তক বহন করতেন। আমরা যে পাতাগুলো পড়েছি, তার কোনোটিতেই এমন কোনো শিলালিপি উদ্ধৃত নেই যাতে জলাধার খোঁড়ার কথা লেখা আছে, তাই নির্মাতা কে, তা তারিখসহ পাথরের নথির বিষয় নয়, আরোপের বিষয় হয়ে আছে।

পরান্তকের শাসনকালের বৃহত্তর ছবির জন্য দেখুন উত্তরমেরুর শিলালিপি। শাস্ত্রী এটিও উল্লেখ করেছেন যে করন্দাই তামার ফলকে পরান্তক সারা দেশে বহু সেচখাল খোঁড়ার কৃতিত্ব পেয়েছেন। ফলে রাজার জলকর্মের একটি নথিবদ্ধ ইতিহাস আছে, যদিও আমরা যে অংশটি পড়েছি তাতে ফলকগুলো এই জলাধারের নাম করেনি।

আকার কত: তিন সেট সংখ্যা

আইসিআইডি-র নথিতে বাঁধ ১৬ কিমি লম্বা। ফ্রান্সিস ১৯০৬ সালে এটিকে দশ মাইল বলেছিলেন, যা প্রায় ১৬ কিমি, আর তিনি লিখেছিলেন যে তার আট মাইল জুড়ে বাঁধটি লোয়ার অ্যানিকাট পর্যন্ত মূল সড়কটিও বহন করত। জেলার পাতা দিয়েছে ১৪ কিমি।

ক্ষমতা ও সেচ-এলাকা প্রতিটি পুনর্নির্মাণের সঙ্গে বদলেছে। আইসিআইডি বর্তমান ধারণক্ষমতা দিয়েছে ১,৪৬৫ মিলিয়ন ঘনফুট। বালিগা ১৯৬২ সালে নথিবদ্ধ করেছিলেন প্রায় ৪১,৭০০ একর সেচ-এলাকা আর ২৩টি জলকপাট, আইসিআইডি-র এখনকার ৪৪,৮৫৬ একর ও ৩৪টি কপাটের তুলনায়। ফ্রান্সিস যেভাবে বর্ণনা করেছিলেন, জলাধারটি ছিল মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির বৃহত্তমগুলোর একটি, পূর্ণ জলস্তরে পরিধি ২৫ মাইল।

চেন্নাই পর্যন্ত পাইপলাইন

জলাধারের দ্বিতীয় কাজটি আধুনিক। আইসিআইডি জানাচ্ছে, তামিলনাড়ু জল সরবরাহ ও নিকাশি পর্ষদ জলাধারের বাঁ পাশে একটি পাম্পিং স্টেশন বানিয়েছে, যা প্রায় ৭০ কিউসেক, মোটামুটি সেকেন্ডে ২ ঘনমিটার, জল তুলে দেয় প্রায় ২২৫ কিমি দীর্ঘ একটি পাইপলাইনে। শোধনের পর জল যায় চেন্নাইয়ে, যাকে আইসিআইডি ২৩৫ কিমি দূরে বলেছে, দিনে ৫০ থেকে ১৮০ মিলিয়ন লিটার।

ডিটি নেক্সট ২০১৮ সালের এপ্রিলে জানিয়েছিল, প্রকল্পে শুরুতে দিনে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন লিটার জল সরবরাহ হত, পরে ১৮০ মিলিয়ন, আর জলসম্পদ বিভাগ সর্বোচ্চ ৭৮ কিউসেক তুলতে পারত। ওই প্রতিবেদনেই শহরের জলাধার ও লবণমুক্তকরণ কেন্দ্র মিলিয়ে মোট সরবরাহ ধরা হয়েছে দিনে প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন লিটার। জলসম্পদ বিভাগের এক কর্মকর্তা প্রতিবেদনে বীরানামকে বর্ণনা করেছেন জল সরবরাহের জন্য শহরের বিমা হিসেবে।

শুকনো বছর আর ভরা বছর

ডাউন টু আর্থ চেন্নাই মেট্রোওয়াটারের তথ্য উল্লেখ করে জানিয়েছিল, ২০২৪ সালের ১৫ এপ্রিল বীরানামে জল ছিল শূন্য মিলিয়ন ঘনফুট। মেটুর থেকে জল আসা বন্ধ হওয়ার পর ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সরবরাহ থেমে গিয়েছিল। ২০২৩ সালের একই তারিখে জলাধারে ছিল ৬৮৭.৪ মিলিয়ন ঘনফুট।

জলাধার আবার ভরেছে। ডিটি নেক্সট ২০২৫ সালের ৪ জুন জানিয়েছিল, হ্রদটি তার পূর্ণ স্তর ৪৭.৫০ ফুট আর ১,৪৬৫ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগের ৬৫০ মিলিয়ন থেকে বেড়ে। ভাদাভার ও স্থানীয় স্রোত থেকে আসা জলের পরিমাণ ছিল ৩৪২ কিউসেক, আর কর্মকর্তারা চেন্নাইয়ের জন্য ৭৪ কিউসেক নিয়ন্ত্রিত হারে ছাড়া শুরু করেছিলেন। লোকমত টাইমসে প্রকাশিত ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিসের প্রতিবেদনেও একই সংখ্যা ছিল। আমরা সবচেয়ে সাম্প্রতিক যে মজুত-প্রতিবেদন খুলে দেখতে পেরেছি, তা ২০২৫ সালের জুনের, আর চেন্নাই মেট্রোওয়াটার হ্রদের বর্তমান জলস্তর প্রকাশ করে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. International Commission on Irrigation and Drainage (ICID): World Heritage Irrigation Structures, Veeranam Tank (recognised at the 72nd IEC meeting, Marrakesh, 2021)
  2. Cuddalore District administration (National Informatics Centre): Veeranam Lake
  3. W. Francis, Madras District Gazetteers: South Arcot, vol. I (Government of Madras, 1906), chapter on agriculture and irrigation
  4. B. S. Baliga, Madras District Gazetteers: South Arcot (Government of Madras, 1962)
  5. K. A. Nilakanta Sastri, The Colas (University of Madras, 1955 edition), chapters on Parantaka I, Rajendra I and the successors of Kulottunga I
  6. T. Ramakrishnan, The Hindu, 2021: Rich heritage of irrigation structures (copy on inkl)
  7. DT Next, 25 April 2018: Cauvery water from Veeranam still quenches Chennai's thirst
  8. DT Next, 4 June 2025: Veeranam lake reaches full capacity after summer rains
  9. IANS via Lokmat Times, 3 June 2025: Veeranam lake reaches full capacity, boosting irrigation, drinking water supply of Chennai
  10. Down To Earth, April 2024: Chennai's main drinking water source, Veeranam lake, dries up

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#veeranam tank#chola irrigation#cuddalore#heritage irrigation structure#tamil nadu water#chennai drinking water#parantaka chola#tank irrigation

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: বিজ্ঞান ও মহাকাশ
কাবেরীর ওপর ৩২৯ মিটার লম্বা কল্লানাই বাঁধ, কাঁচা পাথরে গড়া এই বাঁধ ঐতিহ্য অনুসারে করিকাল চোলের কীর্তি, আজও নদীকে চার শাখায় ভাগ করে বদ্বীপে জল পৌঁছে দেয়, ২০২১ সালে আইসিআইডির স্বীকৃতি পেয়েছে
১৮৩০ সালে যে প্রকৌশলীরা বাঁধটির ভেতর দিয়ে কেটেছিলেন, তাঁরা পেয়েছিলেন প্লাস্টার করা মাথার নিচে কাদায় বসানো আলগা পাথর। কয়েক শতক ধরে এটি কাবেরীর বন্যা থেকে তাঞ্জাভুরের বদ্বীপকে বাঁচিয়েছে, আর আর্থার কটন এর পদ্ধতি নিয়ে গিয়েছিলেন গোদাবরীতে।
উত্তরমেরুরের গ্রামসভা প্রায় ৯২০ সালে মন্দিরের দেয়ালে নিজেদের নির্বাচনের নিয়ম লিখেছিল: ত্রিশটি ওয়ার্ড, একটি ছেলের তোলা কলসির টিকিট, আর আবার দায়িত্ব নিতে তিন বছরের বাধা
তামিলনাড়ুর একটি মন্দিরের ভিত্তিতে একটি গ্রামসভার দুটি পাথরের নথি আছে, যেখানে সভা ঠিক করেছিল তার কমিটিগুলো কীভাবে বাছা হবে, কাদের নাম উঠতে পারবে, আর কাদের আজীবন বাদ রাখা হবে। পণ্ডিতরা একশো বছরেরও বেশি সময় ধরে এগুলো পড়ছেন।
আদিত্য-এল১-এর ভারতে তৈরি করোনাগ্রাফ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের এক সৌর অগ্ন্যুৎপাতকে অসমভাবে প্রসারিত হতে দেখিয়েছে, প্লাজমা একই সঙ্গে মহাকাশযানের দিকে ও তার থেকে দূরে সরছিল
একটি ক্যামেরা দেখায় সৌর অগ্ন্যুৎপাত আকাশ জুড়ে সরছে। ভেলকের বর্ণালীমাপক তাতে যোগ করে মহাকাশযানের দিকে ও তার থেকে দূরের গতি, আর ২০২৪ সালের আগস্টের একটি দ্রুতগতি অগ্ন্যুৎপাতের ক্ষেত্রে দুটি মিলে এক অসম আকারের ছবি আঁকে।
← সব লেখা