Skip to content
আইহোলে প্রায় ১২৫টি মন্দির আছে যেখানে চালুক্য নির্মাতারা পাথরে মন্দিরের গড়ন পরখ করেছিলেন, আর তার একটি, মেগুতির জৈন মন্দির, নিজের শিলালিপি দিয়েই ৬৩৪ বা ৬৩৫ সালের বলে নির্ধারিত
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারত

আইহোলে প্রায় ১২৫টি মন্দির আছে যেখানে চালুক্য নির্মাতারা পাথরে মন্দিরের গড়ন পরখ করেছিলেন, আর তার একটি, মেগুতির জৈন মন্দির, নিজের শিলালিপি দিয়েই ৬৩৪ বা ৬৩৫ সালের বলে নির্ধারিত

ছবি: AmlanTheTramp / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)

বাংলা

কর্ণাটকে মালপ্রভা নদীর তীরে আইহোলে ২২টি গুচ্ছে প্রায় ১২৫টি মন্দির আছে, জানাচ্ছে বাগলকোট জেলা প্রশাসন। ইউনেস্কোর অস্থায়ী তালিকায় ভারতের প্রবেশিকা বলছে, আইহোল ও বাদামির নির্মাতারা ১৬ ধরনের স্বাধীনভাবে দাঁড়ানো মন্দিরের আদিরূপ গড়ে তুলেছিলেন। শুধু মেগুতি মন্দিরের নিজের একটি তারিখ আছে, ৬৩৪ বা ৬৩৫ সাল।

· · 6 মিনিটের পাঠ

কর্ণাটকের বাগলকোট জেলায় মালপ্রভা নদীর তীরের গ্রাম আইহোলে ২২টি গুচ্ছে প্রায় ১২৫টি মন্দির আছে, বলছে জেলা প্রশাসন, আর তার বেশিরভাগ ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শতকের। তার মধ্যে একটিরই নিজের একটি তারিখ আছে। মেগুতি মন্দিরের একটি সংস্কৃত শিলালিপি সালটি দিয়েছে শক ৫৫৬, যাকে এপিগ্রাফিয়া ইন্ডিকা পত্রিকার জন্য সম্পাদনা করতে গিয়ে এফ. কিলহর্ন রূপান্তর করেছেন ৬৩৪ থেকে ৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে।

বাকিগুলোর তারিখ ঠিক করতে হয় সেগুলো কীভাবে গড়া তা পড়ে, আর আইহোলের খ্যাতি সেখানেই। ইউনেস্কোর অস্থায়ী তালিকায় ভারতের প্রবেশিকা বলছে, ১৬ ধরনের স্বাধীনভাবে দাঁড়ানো মন্দির আর চার ধরনের পাহাড়-কাটা মন্দিরের আদিরূপ গড়ে উঠেছিল বাদামি ও আইহোলে এবং পট্টদকলে তা পরিণততম রূপ পেয়েছিল। ওই প্রবেশিকা মালপ্রভা উপত্যকাকে “মন্দির স্থাপত্যের দোলনা” বলেছে এবং জানিয়েছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা “আইহোলে শুরু হয়েছিল।” ভাটিতে পট্টদকলে আছে সমাপ্ত ধাপ: দেখুন পট্টদকল।

মন্দিরের দেয়ালে একটি তারিখ

মেগুতি দাঁড়িয়ে আছে গ্রামের ওপরের এক টিলায়, আর কাউসেন্স নামটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন মেগুদি, অর্থাৎ “ওপরের মন্দির”-এর বিকৃতি হিসেবে। ১৮৭৬ সালে জে. এফ. ফ্লিট ফলকটি বর্ণনা করেছিলেন “পূর্ব দেয়ালের বাইরের দিকে বসানো” বলে। শিলালিপিটি সংস্কৃত শ্লোকে লেখা, মোট ৩৭টি শ্লোক, কবির নাম রবিকীর্তি। কিলহর্নের অনুবাদে ৩৫ নম্বর শ্লোক বলছে, জিনেন্দ্রের পাথরের প্রাসাদ, অর্থাৎ একটি জৈন মন্দির, বানিয়েছেন রবিকীর্তি, যিনি রাজা সত্যাশ্রয়ের পরম অনুগ্রহ পেয়েছিলেন। ৩৬ নম্বর শ্লোক বলছে, রবিকীর্তি প্রশস্তি লিখেছেন এবং মন্দিরটি নিজেই প্রতিষ্ঠা করেছেন।

কিলহর্নের ভূমিকা অনুযায়ী, কাব্যটি লেখা হয়েছিল পশ্চিমী চালুক্য রাজা দ্বিতীয় পুলকেশীর রাজত্বকালে, আর রবিকীর্তি তাঁকে নিজের পৃষ্ঠপোষক বলেছেন। সালটি দেওয়া আছে দুই গণনায়, কলিযুগের ৩৭৩৫ (ভারত যুদ্ধ থেকে গোনা) আর শক ৫৫৬, এবং দুটিই দাঁড়ায় ৬৩৪ থেকে ৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে। রাজার অভিযান নিয়ে কাব্য কী বলে তা আছে দ্বিতীয় পুলকেশী ও চালুক্যরা লেখায়।

রবিকীর্তি শেষে কালিদাস ও ভারবি, দুই ধ্রুপদী সংস্কৃত কবির খ্যাতির দাবি করেছেন। কিলহর্ন তাকে “নিশ্চিতভাবেই অতিরঞ্জন” বলেছেন, তবে কবিকে সভাকবিদের সামনের সারিতে রেখেছেন এবং সংস্কৃত কাব্যশাস্ত্রের নিয়মে তাঁর দক্ষতার প্রশংসা করেছেন।

হেনরি কাউসেন্স, যিনি ১৯২৬ সালে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের জন্য চালুক্য স্থাপত্যের খণ্ডটি লিখেছিলেন, তাঁর পরিক্রমা শুরু করেছিলেন আইহোল থেকে, কারণ সেখানে আছে এমন জিনিস যাকে তিনি বলেছেন দেশের সবচেয়ে পুরোনো তারিখযুক্ত গাঁথা মন্দির। সেখানকার অন্য মন্দিরগুলোতেও শিলালিপি আছে, তিনি লিখেছেন, কিন্তু কোনোটিতে তারিখ নেই, আর অক্ষরের ধরন থেকে শুধু তাদের সর্বশেষ সম্ভাব্য বয়স আন্দাজ করা যায়। মূল কথায় জেলা প্রশাসনও একমত, মেগুতিকে বলছে “আইহোলের একমাত্র তারিখযুক্ত স্মৃতিসৌধ।”

ঠিক কতগুলো মন্দির

১২৫ সংখ্যাটির পাশে আরও কয়েকটি গণনা আছে। ১৯২৬ সালে লিখতে গিয়ে কাউসেন্স পুরোনো গ্রাম-প্রাচীরের ভেতরে ত্রিশটির বেশি মন্দির গুনেছিলেন, যে প্রাচীর ঘিরেছিল ৫০০ গজের একটু বেশি চওড়া জায়গা, আর মাঠে আরও অনেক। এ ছাড়া তিনি তালিকায় রেখেছিলেন দুটি পাহাড়-কাটা মন্দির, একটি জৈন আর একটি ব্রাহ্মণ্য, এবং দুই তলার একটি গর্ভগৃহ যার অর্ধেক পাথর কেটে আর অর্ধেক গেঁথে বানানো।

ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তৈরি পাঠ-স্লাইড বলছে ৬০ থেকে ৭০টি মন্দির নানা অবস্থায় টিকে আছে। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত স্মৃতিসৌধের তালিকায় আইহোল পড়ে ধারওয়াড় সার্কেলে আর ১ থেকে ৫৯ নম্বরের এন্ট্রি গ্রামের ভেতরে। ইউনেস্কোর অস্থায়ী তালিকার মনোনয়নে আইহোল থেকে ছোট একটি সংখ্যা প্রস্তাব করা হয়েছে: দুটি গুহা, আংশিক কাটা আর আংশিক গাঁথা একটি গর্ভগৃহ, আর ১২টি গাঁথা মন্দির। কর্ণাটক পর্যটন বলছে, শহরে চতুর্থ থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে গড়া ১২৫টির বেশি মন্দির আছে, যা জেলার পাতার চেয়ে বড় সময়সীমা।

লাড খান, হলঘর থেকে মন্দির

লাড খান আদি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মানক উদাহরণ। এর নকশা স্তম্ভযুক্ত একটি হলঘর, গর্ভগৃহ ঠেসে বসানো পেছনের দেয়ালে, আর হলের মাঝখানের ওপরে ছাদে একটি ছোট দ্বিতীয় গর্ভগৃহ। প্রথম দেখায় মনে হয় হলঘরে পরে একটি গর্ভগৃহ বসানো হয়েছে। পাশের কোণ্ট-গুডি মন্দিরগুলো থেকে কাউসেন্স যুক্তি দিয়েছেন যে ব্যবস্থাটি মূলের। তিনি লিখেছেন, এর বিশাল চৌকো স্তম্ভ, সমতল ছাদ আর জালি জানালায় জোড়া খুঁটি একে আইহোলের অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে গুহা-স্থাপত্যের কাছাকাছি করেছে, এবং গুহা-স্থাপত্য নিজেই এসেছে কাঠের গড়ন থেকে।

নামটি পরের। জেলার পাতা বলছে, মন্দিরটির নাম এক মুসলিম রাজপুত্রের নামে, যিনি একে নিজের বাসস্থান বানিয়েছিলেন। সামনের দেয়ালের একটি শিলালিপি, কাউসেন্স যার অক্ষর অষ্টম বা নবম শতকের বলে ধরেছেন, আর্যপুরের (আইহোলের পুরোনো নাম) বৈদিক পণ্ডিতদের সংস্থা পাঁচশোকে একটি অনুদানের কথা লিখেছে। কাউসেন্স তার সঙ্গে ভবনের কোনো যোগ দেখেননি, তাই এটি মন্দিরের তারিখ ঠিক করে না।

তারিখের জন্য পণ্ডিতদের হাতে আছে শুধু শৈলী, আর তাঁরা একমত নন। জেলার পাতা বলছে প্রায় ৪৫০ খ্রিস্টাব্দ। কাউসেন্স লাড খানকে গ্রামের সম্ভবত সবচেয়ে পুরোনো মন্দির আর মেগুতির আগের বলে ধরেছেন, কিন্তু কতটা আগের তা সঠিকভাবে বলতে পারেননি। তিনি ভেবেছিলেন লাড খান ও কোণ্ট-গুডি মন্দির নিয়ে প্রাচীনতম গুচ্ছ এসেছে মেগুতির সম্ভবত দেড়শো বছর আগে। আইজিএনটিইউ-র স্লাইড লাড খান ও কোণ্ট-গুডি গুচ্ছকে রেখেছে প্রথম পুলকেশীর রাজত্বের আগে, যাঁর রাজত্ব তারা দিয়েছে ৫৫৩ থেকে ৫৬৭।

হুচ্চিমল্লি আর উত্তরের চূড়া

আইহোলে দুই ধরনের চূড়া ছিল। দক্ষিণী বা দ্রাবিড় ধরন ধাপে ধাপে উঠে যায়, যেমন মেগুতির গর্ভগৃহের ওপরের ভগ্নাংশটি। উত্তরের ধরন, যার নাম রেখা-নাগর, একটি বাঁকা শিখর। জেলার পাতা বলছে, হুচ্চিমল্লি মন্দিরের গর্ভগৃহের ওপর রেখা-নাগর চূড়া আছে, আর গর্ভগৃহের সামনের অন্তরালটি “এখানেই প্রথম চালু হয়েছিল।”

কাউসেন্স হুচ্চিমল্লির শিখরকে তুলনা করেছেন ওডিশার ভুবনেশ্বরের পরশুরামেশ্বর মন্দিরের সঙ্গে এবং এর খুঁটিনাটি দুর্গা মন্দিরের চেয়ে বেশি প্রাচীন রীতির বলে ধরেছেন। রাজা বিজয়াদিত্যের ১৩তম বছরের, অর্থাৎ ৭০৮ থেকে ৭০৯ খ্রিস্টাব্দের, মন্দিরের পুরোহিতকে তেল অনুদানের একটি লিপি এর সামনে খোদাই করা, তাই তখন মন্দিরে পূজা চলছিল। শৈলী ধরে কাউসেন্স একে মেগুতির চেয়ে পুরোনো মনে করেছেন।

কাউসেন্স আরও লক্ষ করেছেন, দুই ধরনের চূড়া পাশাপাশি ছিল। তিনি লিখেছেন, নির্মাতাদের একটি বা অন্যটি বাছার কোনো বিশেষ কারণ ছিল বলে মনে হয় না, আর চূড়ার নিচের ভবনগুলো একই রকম। অস্থায়ী তালিকার প্রবেশিকা নকশা থেকে একই কথা বলেছে: দুটি মৌলিক বিন্যাস, গর্ভগৃহ ঘিরে প্রদক্ষিণের পথসহ আর পথ ছাড়া, আইহোল ও বাদামির মন্দিরে গড়ে উঠেছিল এবং পট্টদকলে চূড়ান্ত হয়েছিল। হুচ্চিমল্লি, মেগুতি ও দুর্গা মন্দির, সেটি বলছে, পথসহ ধরনের।

দুর্গা মন্দির আর বৌদ্ধ হলঘর

কাউসেন্স দুর্গা মন্দিরকে নিঃসন্দেহে গ্রামের সবচেয়ে সুন্দর ও জমকালো বলেছেন। জেলার পাতা একে আইহোলের সবচেয়ে সুসজ্জিত স্মৃতিসৌধ বলেছে, বিষ্ণুর উদ্দেশে, রেখা-নাগর চূড়াসহ, আর সপ্তম শতকের শেষ বা অষ্টম শতকের শুরুর বলে ধরেছে। নামের সঙ্গে দেবীর কোনো সম্পর্ক নেই। কাউসেন্স লিখেছেন এটি এসেছে দুর্গ, অর্থাৎ “কেল্লা” থেকে, কারণ মন্দিরটি একটি সুরক্ষিত বেষ্টনীর ধ্বংসাবশেষের ভেতরে দাঁড়িয়ে।

এর নকশাই বিরল অংশ। অস্থায়ী তালিকার প্রবেশিকা দুর্গা মন্দিরকে অর্ধবৃত্তাকার নকশার (পেছনে গোলাকার) এক বিরল উদাহরণ বলেছে এবং জানিয়েছে নকশাটি বৌদ্ধ চৈত্য, অর্থাৎ গোলাকার প্রান্তযুক্ত প্রার্থনাগৃহ, গ্রহণ করেছে। কাউসেন্স মন্দিরের নকশা পাশে রেখেছেন অজন্তার ১৯ নম্বর গুহার, একটি বৌদ্ধ চৈত্য গুহার, এবং দেখিয়েছেন গুহার পাথুরে দেয়াল কীভাবে মন্দিরের বাইরের স্তম্ভের বলয়ের সঙ্গে মেলে আর গর্ভগৃহ কীভাবে স্তূপের জায়গা নেয়। দুই সারি স্তম্ভ হলটিকে মাঝের নেভ আর পাশের প্রকোষ্ঠে ভাগ করেছে, গুহার মতোই। অজন্তার কথা আছে অজন্তা ও ইলোরা, পাথর কেটে গড়া লেখায়।

তারিখের ব্যবধান বড়। আইজিএনটিইউ-র স্লাইডে পার্সি ব্রাউনের ষষ্ঠ শতক আর সৌন্দররাজনের সপ্তম শতক লেখা আছে। উৎসর্গ নিয়ে কাউসেন্স ধরেছেন মন্দিরটি সম্ভবত প্রথমে বৈষ্ণব ছিল, হয়তো সূর্য-নারায়ণের জন্য, গর্ভগৃহের দরজার ওপরের গরুড়ের কথা বলে, যদিও বাইরের বারান্দার কুলুঙ্গিতে শৈব ও বৈষ্ণব মূর্তি মেশানো এবং পেছনের মাঝেরটি ফাঁকা।

গুহা, আর তারপর যা এল

পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুধু গাঁথা পাথরে ছিল না। জেলার পাতা রাবণফাড়ি গুহাকে, নৃত্যরত শিবসহ একটি শৈব গুহা, রেখেছে ষষ্ঠ শতকে এবং বলছে এর গর্ভগৃহ বাদামির গুহাগুলোর চেয়ে বড়। অস্থায়ী তালিকা এর নকশাকে বর্ণনা করেছে স্তম্ভযুক্ত হল, একটি গর্ভগৃহ আর দুই পাশের গ্যালারি হিসেবে, এবং বলেছে জৈন মীনা বসদি গুহার নকশা, সুখনাসি (গর্ভগৃহের সামনের ছোট কক্ষ) আর আরও স্পষ্ট অন্তরালসহ, গাঁথা মন্দিরের নকশার দিকে “একটি বড় পদক্ষেপ” দেখায়।

অস্থায়ী তালিকার প্রবেশিকা জানায়, আইহোলের মন্দিরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাদামি, নাগরাল ও পট্টদকলে আরও সুনির্দিষ্ট গড়ন এনেছিল। এটি ইউনেস্কোয় জমা পড়েছিল ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সাংস্কৃতিক মানদণ্ড (iii) ও (iv)-এর অধীনে এবং তিন স্থান মিলিয়ে ছয়টি পাহাড়-কাটা গুহা ও ২৫টি মন্দির গুনেছে। কর্ণাটক পর্যটন আইহোলকে বলেছে মন্দির শৈলীর পরীক্ষাগার, যা পরে পট্টদকলে পূর্ণতা পায়।

সূত্রগুলো যেখানে আলাদা

কয়েকটি বিষয় এখনও খোলা। জেলার পাতা রবিকীর্তিকে বলেছে দ্বিতীয় পুলকেশীর সেনাপতি ও মন্ত্রী, আর কিলহর্ন তাঁকে বর্ণনা করেছেন সভাকবি ও প্রশস্তিকার হিসেবে। একই পাতা বলে মেগুতির ওপরের কাঠামো মূল নয় আর ১৬-স্তম্ভের বারান্দা ও হল পরে যোগ হয়েছে, অথচ কাউসেন্স ভেবেছিলেন মন্দিরটি কখনও শেষই হয়নি। অস্থায়ী তালিকার প্রবেশিকা আইহোলকে আদি চালুক্যদের প্রথম রাজধানী বলেছে, আর কাউসেন্স লিখেছেন কেবল এই যে গ্রামটি দক্ষিণে তাঁদের প্রথম ঘর হতে পারে। ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর খোলা ইউনেস্কোর পাতা আইহোল, বাদামি ও পট্টদকলের প্রবেশিকাকে ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির অস্থায়ী তালিকার জমা হিসেবে দেখায় এবং পট্টদকলকে (রেফারেন্স ২৩৯rev) বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ইতিমধ্যে থাকা সম্পত্তি হিসেবে উল্লেখ করে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. UNESCO World Heritage Centre, Tentative Lists: Evolution of Temple Architecture, Aihole-Badami-Pattadakal (submitted by India, 9 February 2015)
  2. Bagalkot District Administration, Karnataka: Aihole
  3. F. Kielhorn, Aihole Inscription of Pulikesin II, Epigraphia Indica vol. 6, introduction (metres, the date in Kali and Saka years, the poet)
  4. F. Kielhorn, Aihole Inscription of Pulikesin II, Epigraphia Indica vol. 6, introduction (37 verses, the Jaina temple on which the inscription is engraved)
  5. F. Kielhorn, Aihole Inscription of Pulikesin II, Epigraphia Indica vol. 6, translation of verses 34 to 37
  6. J. F. Fleet, Sanskrit and Old Canarese Inscriptions, Indian Antiquary vol. 5 (March 1876), p. 67, the Meguti temple and its tablet
  7. Henry Cousens, The Chalukyan Architecture of the Kanarese Districts (Archaeological Survey of India, New Imperial Series vol. 42, 1926), chapter on Aihole and its ancient temples
  8. Archaeological Survey of India: Centrally Protected Monuments/Sites, State-wise and Circle-wise (Dharwad Circle, Aihole entries)
  9. Karnataka State Tourism Development Corporation: Aihole
  10. Dr Manoj Kumar, History of Ancient Indian Architecture II, course slides on Chalukyan temples (IGNTU e-content, MA module)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#aihole#chalukya dynasty#meguti temple#durga temple aihole#lad khan temple#ravikirti#temple architecture#karnataka

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারত
কর্ণাটকের পট্টদকলের নয়টি হিন্দু মন্দির সপ্তম ও অষ্টম শতকে উত্তর ও দক্ষিণের নির্মাণরীতিকে একসঙ্গে মিলিয়েছিল, আর ১৯৮৭ সাল থেকে ইউনেস্কো এগুলিকে তালিকাভুক্ত রেখেছে
এক রানির বিজয়স্মারক, সৌর গ্রহণ দিয়ে ৭৫৪ সালের বলে নির্ধারিত একটি স্তম্ভ, আর এক প্রান্তে উত্তরের মিনার ও অন্য প্রান্তে দক্ষিণের ক্ষুদ্র ভবন নিয়ে একটি মন্দির: মালপ্রভার তীরের একটি গ্রামে কী দাঁড়িয়ে আছে।
বাদামির ৩ নম্বর গুহা চালুক্য রাজধানীর চারটি শিলাখোদিত গুহার মধ্যে সবচেয়ে বড়, আর একটি স্তম্ভলিপিতে শক ৫০০ বা ৫৭৮ থেকে ৫৭৯ সালে বিষ্ণু মন্দির হিসেবে এর সমাপ্তির তারিখ লেখা
একটি স্তম্ভগাত্রের ক্ষয়ে যাওয়া ফলকে আছে এক রাজার নাম, একটি পূর্ণিমার দিন, একটি গ্রাম আর ষোলোজন ব্রাহ্মণ, আর এটিই গুহাটির প্রধান লিপি। ১৮৭০-এর দশকে দুজন সম্পাদক এটি পড়েছিলেন আর খুঁটিনাটিতে তাঁদের মত আলাদা।
ললিতাদিত্য মুক্তাপীড় কাশ্মীরে মার্তণ্ড সূর্য মন্দির গড়েছিলেন, আর কলহণের ইতিবৃত্ত ও চিনের তাং রাজবংশের বার্ষিক ইতিহাস দুটিতেই তাঁর রাজত্বের নথি আছে
একটি সংস্কৃত শ্লোক, চিনের একটি দরবারি নথি আর লিডার উপত্যকার ওপরের একটি মালভূমি, সবই একই রাজাকে দেখায়। ললিতাদিত্য সম্পর্কে প্রতিটি কী বলে, তাঁর কোন অভিযানগুলো ঐতিহাসিকেরা মেনে নেন, আর মার্তণ্ড মন্দির এখন দেখতে কেমন, তা এখানে।
← সব লেখা