Skip to content
সাতজন নারী ৮০ টাকা ধার করে ১৯৫৯ সালের ১৫ মার্চ গিরগাঁওয়ের এক ছাদে চার প্যাকেট পাঁপড় বেলেছিলেন, আর লিজ্জত পাঁপড় এখন ৮৩টি শাখায় প্রায় ৪৫,০০০ নারী সদস্য গোনে
অর্থনীতি ও পরিকাঠামো

সাতজন নারী ৮০ টাকা ধার করে ১৯৫৯ সালের ১৫ মার্চ গিরগাঁওয়ের এক ছাদে চার প্যাকেট পাঁপড় বেলেছিলেন, আর লিজ্জত পাঁপড় এখন ৮৩টি শাখায় প্রায় ৪৫,০০০ নারী সদস্য গোনে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

লিজ্জত পাঁপড় শুরু হয়েছিল ১৯৫৯ সালের ১৫ মার্চ দক্ষিণ বোম্বাইয়ের গিরগাঁওয়ে, সাত প্রতিবেশী আর ধার করা ৮০ টাকা নিয়ে। নারীদের মালিকানার এই সমিতি জানায় তারা কখনও দান বা অনুদান নেয়নি, আর এখন তাদের সদস্য প্রায় ৪৫,০০০।

· · 7 মিনিটের পাঠ

লিজ্জত পাঁপড় শুরু হয়েছিল ১৯৫৯ সালের ১৫ মার্চ, যখন দক্ষিণ বোম্বাইয়ের গিরগাঁওয়ের একটি ফ্ল্যাটবাড়ির সাতজন নারী তাঁদের বাড়ির ছাদে চার প্যাকেট পাঁপড় (ডালের তৈরি পাতলা মচমচে চাকতি, যা ভাতের সঙ্গে খাওয়া হয়) বেলে বিক্রি করেছিলেন। তাঁদের হাতে কাজ চালানোর টাকা ছিল ৮০ টাকা, ধার করা। সমিতির নিজের ওয়েবসাইট এখন প্রায় ৪৫,০০০ ভগিনী সদস্য আর ৮৩টি শাখা গুনছে, এবং বলছে তারা কারও কাছ থেকে কখনও দান, উপহার বা অনুদান নেয়নি।

দরজার নামটি শ্রী মহিলা গৃহ উদ্যোগ লিজ্জত পাঁপড়। ডব্লিউআইপিও-র পরিচিতিতে নামটির অর্থ করা হয়েছে “শ্রীমতী বা কুমারী”, নারী, গৃহ, শিল্প আর সুস্বাদু। মুম্বইয়ের দীর্ঘদিন চলা ঘরোয়া উদ্যোগগুলির একটি এটি, ডাব্বাওয়ালাদের পাশাপাশি, আর এটি শেয়ারহোল্ডারওয়ালা কোম্পানি নয়, সদস্যদের সমিতি।

লোহানা নিবাসের সাত প্রতিবেশী আর একটি ছাদ

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ২০০৬ সালের ঘরে-কাজ-করা শ্রমিকদের সমীক্ষা অনুযায়ী সাতজন থাকতেন গিরগাঁওয়ের পাঁচটি পুরনো আবাসিক বাড়ির সমষ্টি লোহানা নিবাসে। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে জীবিত প্রতিষ্ঠাতার সাক্ষাৎকারে মিড-ডে গুজরাটি তাঁদের নাম দিয়েছে জসবন্তিবেন জমনাদাস পোপট, জয়াবেন ভি. ভিঠলানি, উজমবেন নারানদাস কুন্ডালিয়া, পার্বতী রামদাস থোডানি, দিওয়ালিবেন লুক্কা, ভানুবেন এন. টান্না এবং লাগুবেন অমৃতলাল গোকানি (নামগুলি গুজরাটি থেকে প্রতিবর্ণীকৃত)।

২০০৯ সালে বিবিসিকে পোপট বলেছিলেন কেন তাঁরা শুরু করেছিলেন: “আমরা আধা-শিক্ষিত ছিলাম, তাই চাকরি পাওয়ার সুযোগ কম ছিল।” পাঁপড় বানানোই ছিল সবার জানা একমাত্র কাজ, আর তাতে যে আয় হতো তা স্বামীদের ভার হালকা করার জন্য।

বিবিসির বিবরণে ৮০ টাকা এসেছিল সমাজকর্মী ছগনলাল করমসি পারেখের কাছ থেকে। সমিতির নিজের “সূচনা” পাতায় শুধু বলা আছে তাঁরা ধার করা অর্থ নিয়ে শুরু করেছিলেন, আর মিড-ডেতে পোপট বলেছেন ধারটি “ছগনবাপা”-র সাহায্যে জোগাড় হয়েছিল, যাঁকে কাগজটি ছগনলাল করমসি পারেখ বলে চিহ্নিত করেছে। ডব্লিউআইপিও-র পরিচিতিতে তাঁর নাম লেখা হয়েছে ছংগনলাল করমশি পারেখ, এবং লোকে তাঁকে ছগনবাপা বলে ডাকত তাও আছে।

মিড-ডেতে পোপটের বক্তব্য অনুযায়ী টাকায় কেনা হয়েছিল বিউলি ডালের (উরদ) ময়দা, হিং আর গোলমরিচ। নারীরা ময়দা মেখে বেলতেন, ছাদে পাঁপড় শুকোতেন আর কাছের একটি দোকানে বিক্রির জন্য দিতেন। এএফপি জানিয়েছে ১৯৫৯ সালে বিক্রি দাঁড়িয়েছিল মাত্র ৬,০০০ টাকার সামান্য বেশি।

দান না নেওয়ার পরামর্শ

পোপট বিবিসিকে বলেছিলেন, পারেখের পরামর্শ ছিল এই: “তিনি আমাদের পরামর্শ দিয়েছিলেন, সফল হতে চাইলে কখনও দান নিয়ো না।” সমিতির সংক্ষিপ্ত তথ্যের পাতা বলছে তারা কখনও কোনো দান, উপহার বা অনুদান নেয়নি এবং নেবে না। পাতাটি যোগ করেছে, তার বদলে সদস্যরা মিলে ভালো কাজে দান করেন। সমবায়ের এই পথ ভার্গিস কুরিয়েন ও অপারেশন ফ্লাড-এর দুগ্ধ-পথ থেকে আলাদা, যেখানে একটি সরকারি কর্মসূচি গোটা ভারতে কৃষকদের সমবায় নকল করেছিল।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সমীক্ষা কাঠামোটিকে বর্ণনা করেছে গান্ধীর ট্রাস্টিশিপের ধারণার ওপর দাঁড়ানো বলে, যেখানে সম্পদ সমিতির, কোনো মালিক বা কর্মচারী নেই, আছেন শুধু মালিক ভগিনী-সদস্যরা। ডব্লিউআইপিও তিনটি মূল নীতির কথা বলেছে: পারস্পরিক স্নেহ ও চিন্তা, কর্মস্থলের প্রতি নিষ্ঠা, এবং সর্বোদয় (যৌথ মালিকানা, যাকে সে ট্রাস্টিশিপ বলেছে)। ২০০৫ সালে তৎকালীন লিজ্জত সভাপতি জ্যোতি নায়েক রেডিফের একটি লেখায় লিখেছিলেন, একই পরামর্শদাতা তাঁদের প্রতিদিন হিসাবের খাতা বন্ধ করতে বলেছিলেন, আর প্রতিটি শাখা এখনও তাই করে।

শাখায় ময়দা, ঘরে পাঁপড় বেলা

নায়েক ২০০৫ সালে যেমন বর্ণনা করেছিলেন আর এএফপি ২০২১ সালে যেমন লিখেছিল, কর্মদিন শুরু হয় ভোরের আগে। নারীরা শাখায় জড়ো হয়ে সদ্য মাখা ময়দা নেন এবং আগের দিন বেলা পাঁপড় জমা দেন, যার মান পরীক্ষা করা হয়। নতুন ময়দা তাঁরা ঘরে বেলেন এবং সেখানেই শুকোন। আরেকটি দল শাখায় পরীক্ষিত পাঁপড় প্যাক করে।

ডব্লিউআইপিও-র মতে ১৮ বছরের বেশি বয়সী যে নারী ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ নেন তিনি সদস্য হতে পারেন। নায়েকের লেখা বলছে, যে নারী সমিতির মূল্যবোধ রক্ষার প্রতিজ্ঞা করেন এবং মানকে সম্মান করেন তিনি সদস্য ও সহ-মালিক হতে পারেন। পুরুষেরা কাজ করেন শুধু চুক্তিভিত্তিক ভূমিকায়: এএফপির তালিকায় দোকানের সহকারী, চালক ও ফাইফরমাশ খাটা ছেলে। ডব্লিউআইপিও বিশেষ চুক্তিভিত্তিক কাজ সম্পর্কে একই কথা বলেছে।

মজুরি উৎপাদন অনুযায়ী, আর লাভ ভাগ হয় আলাদাভাবে। নায়েক লিখেছেন প্রতিটি সদস্য দৈনিক বেলার মজুরি পান, যার নাম বানাই, আর শাখার লাভ সদস্যদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ হয়, জ্যেষ্ঠতা যাই হোক, প্রায়ই ৫ বা ১০ গ্রামের সোনার মুদ্রা হিসেবে। তিনি এও লিখেছেন যে একজন সদস্যও কোনো সিদ্ধান্ত আটকে দিতে পারেন, কারণ সিদ্ধান্ত হয় সর্বসম্মতিতে।

শীর্ষ পদ কীভাবে পূরণ হয় সে বিষয়ে এএফপি বর্তমান সভাপতি স্বাতী রবীন্দ্র পারাডকরকে উদ্ধৃত করেছে: “আমরা বিশ্বাস করি, যিনি পাঁপড় বেলতে পারেন একমাত্র তিনিই সভাপতি হতে পারেন।”

মান সম্পর্কে ডব্লিউআইপিও বলছে প্রতিটি শাখার নমুনা প্রতিদিন সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ দলের কাছে যায়, আর যে ব্যাচ ব্যর্থ হয় তা নষ্ট করে ফেলা হয়। সমিতির মান-পাতা বলছে তাদের আইএসও ৯০০১:২০১৫ ও আইএসও ২২০০০:২০১৮ প্রত্যয়ন আছে। নায়েকের লেখায় উৎপাদনের একটি নিয়মও আছে: প্রতি কিলো ময়দা থেকে অন্তত ৮০০ গ্রাম পাঁপড় আসতে হতো, নইলে সদস্যদের মজুরি কাটা যেত।

২৫ জন নারী থেকে ৩০০, আর ১৯৬৬ সালে নিবন্ধিত সমিতি

বিবিসি ও ডব্লিউআইপিও দুজনেই বলছে তিন মাসের মধ্যে দলে ২৫ জন নারী হয়েছিলেন। ডব্লিউআইপিও যোগ করেছে সংখ্যা ১০০ পেরিয়েছিল, তাঁরা কয়লার উনুন ছেড়ে বর্ষার জন্য ঢাকনাওয়ালা আর ওপরে শুকোনোর খাট ঝোলানো একটি চুলায় গিয়েছিলেন, এবং ছাদ ছোট হয়ে যাওয়ায় মাখা ময়দা বাড়িতে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়েছিল।

ডব্লিউআইপিও বলছে ১৯৬০-এর দশকে ভগিনী ছিলেন প্রায় ৩০০ জন। তার নথিতে ১৯৬১ সালে মালাডে আর ১৯৬৬ সালে সাঙ্গলিতে শাখা খোলার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল, এবং মহারাষ্ট্রের বাইরে প্রথম শাখা খোলে ১৯৬৮ সালে। সমিতি নিবন্ধিত হয় ১৯৬৬ সালে, যা ডব্লিউআইপিও-র মতে ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া সহ ব্যাংক থেকে সস্তায় ঋণের পথ খুলে দিয়েছিল। লিজ্জতের সংক্ষিপ্ত তথ্যের পাতা বিস্তারিত দিয়েছে: সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ ও বম্বে পাবলিক ট্রাস্টস অ্যাক্ট, ১৯৫০-এর অধীনে নিবন্ধিত, এবং ১৯৬৬ সালে খাদি ও গ্রামীণ শিল্প কমিশন (কেভিআইসি) তাকে গ্রামীণ শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। মিড-ডেকে পোপট বলেছেন ১৯৬০-এর দশকের গোড়ায় ১১ জন নারীর একটি কমিটি গঠিত হয়েছিল, কারণ ব্যাংকের স্বাক্ষরকারী দরকার ছিল।

পণ্যের তালিকা পাঁপড় থেকে বড় হয়েছে। ডব্লিউআইপিও খাখরা (মচমচে এক জলখাবার) ১৯৭৪ সালে, মশলা ১৯৭৬ সালে, ছাপা ও বিজ্ঞাপন বিভাগ ১৯৭৭ সালে, বেকারি ও দেশলাই ১৯৭৯ সালে, আর ডিটারজেন্ট ১৯৮৮ সালে বলে তারিখ দিয়েছে। ওই পরিচিতি অনুযায়ী পাঁপড় নিজে বিক্রি হয় ১৪ রকমে।

লিজ্জতের সংক্ষিপ্ত তথ্যের পাতা বলছে তাদের পণ্য বণিক-রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে বিদেশে যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও জাপানে। নায়েক ২০০৫ সালে লিখেছিলেন পাঁপড় উৎপাদনের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ রপ্তানি হতো, এবং রপ্তানির অর্ডারে উৎপাদন শুরু হতো পুরো অগ্রিম চেকে পাওয়ার পরই। ডব্লিউআইপিও ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ধরে রাখা ট্রেডমার্কের কথা লিখেছে।

পুরস্কার, আর একটি পদ্মশ্রী

লিজ্জতের “মাইলস্টোন” পাতায় আছে ২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ইকোনমিক টাইমসের “বিজনেস উইমেন অফ দি ইয়ার” পুরস্কার এবং ২০০৩ সালের ১৪ মার্চ নয়াদিল্লিতে কেভিআইসির এক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর হাতে পাওয়া “সেরা গ্রামীণ শিল্প প্রতিষ্ঠান” পুরস্কার। ডব্লিউআইপিও যোগ করেছে যে ১৯৯৮ থেকে ২০০১ পর্যন্ত প্রতি বছর কেভিআইসির পুরস্কার লিজ্জতই পেয়েছিল।

সমিতির পঞ্চাশতম বার্ষিকী পড়েছিল ২০০৯ সালের ১৫ মার্চ। বিবিসি জানিয়েছিল তখন ৮০ বছর বয়সী পোপটই ছিলেন একমাত্র জীবিত প্রতিষ্ঠাতা এবং সমবায়ের সদস্য ছিলেন ৪৫,০০০ নারী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তালিকা অনুযায়ী পোপটের পদ্মশ্রী ঘোষিত হয়েছিল ২০২১ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে, মহারাষ্ট্রের জন্য বাণিজ্য ও শিল্প বিভাগে। জি নিউজ জানিয়েছে ২০২১ সালের ৯ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ রাষ্ট্রপতি ভবনে তা তুলে দেন। তিনি মারা যান ২০২৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, সেদিনই শিদ্য পিপল জানিয়েছিল। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট আহমেদাবাদ সমিতিটির ২৬ পৃষ্ঠার একটি কেস স্টাডি অনেক আগেই প্রকাশ করেছিল, কে. আর. এস. মূর্তির লেখা কেস বিপি০১৩২, ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে।

বিক্রি, মজুরি আর যে সংখ্যাগুলি মেলে না

সূত্রগুলি একটিমাত্র বিক্রির অঙ্ক দেয় না। তারা যে অঙ্কগুলি দিয়েছে, প্রতিটি আরোপিত সূত্রসহ:

  • নায়েক, সভাপতি হিসেবে লিখে, ২০০৫ সালের এপ্রিলে: বার্ষিক বিক্রি ৩০১ কোটি টাকার বেশি।
  • বিবিসি, ২০০৯ সালের মার্চ: বছরে প্রায় ১০ কোটি ডলার।
  • ডব্লিউআইপিও, ২০১৩ সালের জন্য: প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা।
  • বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, সমিতির বার্ষিক সভায় এক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে: রাজস্ব প্রায় ১,৬০০ কোটি টাকা।
  • মিড-ডে গুজরাটি, ২০২১ সালের জানুয়ারি: বছরে প্রায় ১,৮০০ কোটি টাকা।

২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পড়া লিজ্জতের নিজের পাতাগুলিতে বিক্রির কোনো অঙ্ক নেই, এবং এই লেখার জন্য খোলা কোনো পাতায় নিরীক্ষিত হিসাব নেই।

সদস্যসংখ্যা বেশি স্থির: ডব্লিউআইপিও ২০১৩ সালে বলেছে “৪০,০০০-এর বেশি”, আর ২০০৯ সালে বিবিসি, ২০২১ সালে এএফপি এবং সমিতির পাতাগুলি সবাই বলছে প্রায় ৪৫,০০০। শাখার সংখ্যা নায়েকের ২০০৫ সালের লেখায় ৬২, এএফপির ২০২১ সালের এপ্রিলের প্রতিবেদনে ৮২ এবং সমিতির পাতায় ৮৩, যে পাতাগুলির একটিতে ৩১টি বিভাগ আর আরেকটিতে ২৭টি বলা আছে।

আয় তুলনা করা কঠিনতর, কারণ মজুরি উৎপাদন অনুসরণ করে। এএফপির ২০২১ সালের এপ্রিলের প্রতিবেদন বলছে প্রতিটি নারী উৎপাদন সক্ষমতা ও ভূমিকা অনুযায়ী মজুরি পান, এবং ৩৫ বছরের সেবাকালের একজন নামধারী সদস্যের জন্য গড়ে মাসে প্রায় ১২,০০০ টাকা দিয়েছে। ডব্লিউআইপিও-র পরিচিতি যে সময়ের কথা বলেছে তার জন্য মাসিক গড় ২,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকা দিয়েছে। এই লেখার জন্য খোলা সূত্রগুলির মধ্যে সদস্যদের আয় নিয়ে কোনো সমীক্ষা ছিল না।

এএফপি আরও জানিয়েছে, প্রাথমিক অনুমানে অতিমারি বিক্রি প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কমিয়েছিল, ছাঁটাই হয়নি আর মজুরি সামান্য বেড়েছিল। ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ৫২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এমএসএমই-র কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী লিজ্জতকে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের মতো পণ্য যোগ করতে আর স্বয়ংক্রিয়তা নিতে অনুরোধ করেছিলেন। নায়েক ২০০৫ সালে লিখেছিলেন সমিতি উৎপাদন বা প্যাকেজিংয়ে যন্ত্র ব্যবহার করে না, কারণ তার উদ্দেশ্য নারীদের জীবিকা দেওয়া। সেই অবস্থান বদলেছে কি না, এ নিয়ে এই লেখা পরবর্তী কোনো সূত্র পায়নি।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Shri Mahila Griha Udyog Lijjat Papad: Beginning (the society's own account of 15 March 1959)
  2. Shri Mahila Griha Udyog Lijjat Papad: Brief information (branches, members, 1966 registration, no-donation policy, exports)
  3. Shri Mahila Griha Udyog Lijjat Papad: About us (membership, central office, founders' mentors)
  4. Shri Mahila Griha Udyog Lijjat Papad: Milestone (awards, 2002 and 2003)
  5. Shri Mahila Griha Udyog Lijjat Papad: Our quality policies (ISO 9001:2015 and ISO 22000:2018)
  6. Indian Institute of Management Ahmedabad case catalogue: Shri Mahila Griha Udyog Lijjat Papad (case BP0132, K. R. S. Murthy, 1978, 26 pages)
  7. National Human Rights Commission, Shalini Sinha: Rights of Home-based Workers (2006), section on Lijjat Papad
  8. World Intellectual Property Organization, IP Advantage: Pappadums and the Path to Empowerment (Lijjat profile, last updated 24 July 2013)
  9. BBC News, Zubair Ahmed: Indian meal starter lasts 50 years (11 March 2009)
  10. Gulf News (AFP): Crunch time, Indian snack spins feminist success story (15 April 2021)
  11. Mid-day Gujarati, Varsha Chitaliya: interview with Jaswantiben Jamnadas Popat on her Padma Shri (31 January 2021)
  12. Rediff.com, Jyoti Naik (then president of Lijjat): The incredible story of Lijjat Papad (15 April 2005)
  13. Business Standard (PTI): Minister proposes product diversification for Lijjat (15 September 2017)
  14. Zee News: Meet Jaswantiben Jamnadas Popat, a Padma Shri recipient (investiture of 9 November 2021)
  15. Ministry of Home Affairs Padma Awards 2021 list, as reproduced by Indian Bureaucracy (26 January 2021)
  16. SheThePeople: Remembering the legacy of Lijjat Papad's Jaswantiben Jamnadas Popat (21 September 2023)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#lijjat papad#women's cooperative#girgaum#mumbai#papad#chhaganlal parekh#jaswantiben popat#women entrepreneurs

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: অর্থনীতি ও পরিকাঠামো
মুম্বইয়ের ডাব্বাওয়ালারা ১৮৯০ সাল থেকে ট্রেন আর সাইকেলে বাড়ির রান্না করা দুপুরের খাবার অফিসের টেবিলে পৌঁছে দিচ্ছেন, প্রতিটি বাক্সকে চালিয়ে রঙ-করা সংকেত দিয়ে
আটটা সাড়ে আটটায় তোলা, বারোটা সাড়ে বারোটায় টেবিলে, আর বাক্স ফেরত বিকেলের মাঝামাঝি। হাতবদলের ধাপ, সংকেত, এই পেশার পেছনের আস্থা আর সূত্রগুলো এর যে সংখ্যা দেয়, তার একটি ঘুরে দেখা।
ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস মুম্বাইয়ে এফ. ডব্লিউ. স্টিভেন্সের নকশায় ১৮৭৮ সাল থেকে তৈরি হয়েছিল, ২০০৪ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ঢোকে, আর ২০১৮ সালে তালিকায় যোগ হয় ৯৪টি ভিক্টোরীয় গথিক ও আর্ট ডেকো ভবন
একটি কর্মব্যস্ত রেল সদর দপ্তরের মাথায় পাথরের গম্বুজ, আর একটি খোলা উদ্যানের ওপারে পুনরুদ্ধার করা জমিতে আর্ট ডেকো সিনেমাহল ও অ্যাপার্টমেন্টের সারি। মুম্বাইয়ের দুটি তালিকা নিয়ে ইউনেস্কো, ইকোমস আর মধ্য রেলওয়ে যা নথিভুক্ত করেছে, এখানে তা-ই।
মুম্বাইয়ের কাছে এক দ্বীপের পাথর-কাটা শিবমন্দির এলিফ্যান্টা গুহা ১৯৮৭ সালের ১১ ডিসেম্বর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল হয়েছিল
মুম্বাই বন্দরের এক দ্বীপে আছে ব্যাসল্টে কাটা একটি শিবমন্দির, একটি পাথরের হাতি যা দ্বীপকে দিয়েছে তার পর্তুগিজ নাম, আর কালনির্ণয়ের একটি প্রশ্ন যা কোনো টিকে-থাকা শিলালিপি মেটাতে পারে না। ইউনেস্কো, এএসআই আর শিল্প-ইতিহাসবিদেরা যা লিখে রেখেছেন, এখানে তা-ই।
← সব লেখা