Skip to content
১৯২৬ সালে রঘুরাজপুরে জন্ম নেওয়া গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র আধুনিক ওড়িশি নৃত্যকে রূপ দিতে সাহায্য করেছিলেন এবং ২০০০ সালে পদ্মবিভূষণ পেয়েছিলেন
শিল্প ও চলচ্চিত্র

১৯২৬ সালে রঘুরাজপুরে জন্ম নেওয়া গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র আধুনিক ওড়িশি নৃত্যকে রূপ দিতে সাহায্য করেছিলেন এবং ২০০০ সালে পদ্মবিভূষণ পেয়েছিলেন

ছবি: Meghroddur / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)

বাংলা

কেলুচরণ মহাপাত্র ১৯৬৬ সালে সঙ্গীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার পান, আর ২০০০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের রাষ্ট্রপতির বিজ্ঞপ্তিতে তিনি পদ্মবিভূষণ প্রাপকদের তালিকায় আসেন। ওড়িশা ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি ভুবনেশ্বরে তিন দিনের অনুষ্ঠানে তাঁর শততম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে।

· · 7 মিনিটের পাঠ

কেলুচরণ মহাপাত্র ১৯২৬ সালের ৮ জানুয়ারি ওড়িশার পুরী জেলার রঘুরাজপুর গ্রামে জন্মেছিলেন এবং আধুনিক ওড়িশি পদাবলিকে রূপ দেওয়া গুরুদের একজন হয়ে উঠেছিলেন। সঙ্গীত, নৃত্য ও নাটকের জাতীয় প্রতিষ্ঠান সঙ্গীত নাটক অকাদেমি ১৯৬৬ সালে তাঁকে পুরস্কার দেয়, আর ২০০০ সালের ২৬ জানুয়ারির রাষ্ট্রপতির বিজ্ঞপ্তিতে শিল্প (নৃত্য) বিভাগে, স্থান ভুবনেশ্বর উল্লেখ করে, তাঁকে পদ্মবিভূষণ প্রাপকদের মধ্যে রাখা হয়েছে। ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারির শতবর্ষের অনুষ্ঠান নিয়ে প্রতিবেদনে পিটিআই তাঁকে এই সম্মান পাওয়া প্রথম ওড়িয়া বলে উল্লেখ করেছে।

পটচিত্রশিল্পী আর ঢাকিদের গ্রাম

ওড়িশা সরকারের ২০০৫ সালের রেফারেন্স বার্ষিকী অনুযায়ী, তিনি জন্মেছিলেন পটচিত্রশিল্পীদের পরিবারে, অর্থাৎ পুরী অঞ্চলের কাপড়ে ছবি আঁকিয়েদের ঘরে। তিনি যে নৃত্য প্রতিষ্ঠান গড়েছিলেন, সেই সৃজনের কথায়, তাঁর বাবা চিন্তামণি মহাপাত্র ছিলেন চিত্রশিল্পী এবং মর্দল (ঢোল) বাদক। ছোট্ট ছেলে হিসেবে তিনি গ্রামের আখড়ায়, অর্থাৎ ঐতিহ্যবাহী প্রশিক্ষণ কক্ষে, নাচের অনুশীলন দেখতেন এবং ঢোলের বোল নিজের কোমরে বাজিয়ে দেখতেন।

গোটিপুয়া এমন এক ঐতিহ্য, যেখানে ছেলেরা মেয়ের সাজে জগন্নাথের উদ্দেশে নাচে, আর তাঁর বাবা চাননি তিনি তাতে যান। সৃজনের মতে, প্রায় ন বছর বয়সে তাঁকে পুরীর কুঞ্জ বিহারী রাসলীলা দলের পরিচালক মোহন সুন্দর দেব গোস্বামীর কাছে রাখা হয়। রাসলীলা হলো কৃষ্ণের জীবন নিয়ে গড়া ভক্তিমূলক নাট্য। সৃজন সেখানে তাঁর থাকার সময় দশ বছর ধরেছে, ওড়িশা রেফারেন্স বার্ষিকী ধরেছে বারো বছর। তিনি অভিনয়, গান, তাল, রূপসজ্জা, মঞ্চসজ্জা ও নৃত্যনির্মাণ শিখেছিলেন, আর দলটি বছরে ছয় থেকে সাত মাস গ্রামে ও শহরে ঘুরে অনুষ্ঠান করত।

কটক আর অন্নপূর্ণা থিয়েটার

এক কঠিন বছর শ্রমিকের কাজ করার পর তিনি কটকে এক থিয়েটার কোম্পানিতে কাজ পান। সৃজনের মতে, ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানকার অন্নপূর্ণা থিয়েটারে ছিলেন, নৃত্যশিল্পী, তালবাদক ও নৃত্যপরিচালক হিসেবে। নাচে তাঁর শিক্ষক ছিলেন উদয় শঙ্কর দলের পঙ্কজ চরণ দাস ও দয়াল শরণ। সৃজন বলছে, উদয় শঙ্করের প্রশিক্ষণ, যাতে হাতের মুদ্রা আর শরীর নমনীয় করার অনুশীলন ছিল, তাঁর গতিভাষা প্রসারিত করেছিল। অকাদেমির ফেলোশিপ প্রশস্তিতেও একই শিক্ষকদের নাম আছে। মর্দল তিনি শিখেছিলেন অগাধু মোহরানার কাছে, আর তবলা ক্ষেত্রমোহন কর ও হরিহর রাওয়ের কাছে।

পরে যিনি তাঁর স্ত্রী হন, সেই লক্ষ্মীপ্রিয়া অন্নপূর্ণার বছরগুলোয় তাঁর বিপরীতে নেচেছিলেন। ভারতীয় শিল্প ও সংস্কৃতির অনলাইন বিশ্বকোষ সহপিডিয়া লিখেছে, ওড়িশির প্রথম মঞ্চ পরিবেশনাগুলোর একটি ১৯৪৬ সালে লক্ষ্মীপ্রিয়া করেছিলেন, পঙ্কজ চরণ দাসের মহারী ধাঁচে নৃত্যনির্মাণে, আর কেলুচরণ সঙ্গে তাল বাজিয়েছিলেন। মহারীরা ছিলেন জগন্নাথের মন্দিরসেবায় উৎসর্গিত নারীরা।

মহারী আর গোটিপুয়া থেকে যা তিনি নিয়েছিলেন

সৃজন বলছে, থিয়েটার ছাড়ার পর, প্রায় আটাশ বছর বয়সে, তিনি পুরীতে ফিরে গিয়ে কয়েক বছর মহারী ও গোটিপুয়া দুই ধারাই অধ্যয়ন করেন। তাঁর নিজের ভাষায়, তিনি নিয়েছিলেন “প্রথমটি থেকে ভক্তির অনুভব, আর অন্যটি থেকে কৌশল।” তাঁর ছাত্রী সুজাতা মহাপাত্র নিজের সাইটে একই বাক্য উদ্ধৃত করেছেন।

সহপিডিয়া লিখেছে, এই পুনরুজ্জীবনের পুরুষ গুরুদের বেশির ভাগই ছেলেবেলায় গোটিপুয়া হিসেবে প্রশিক্ষণ পেয়েছিলেন, তাই এই নৃত্যের সবচেয়ে পরিচিত দাঁড়ানোর ভঙ্গি, চৌকোনা চৌক আর তিন বাঁকের ত্রিভঙ্গ, ওই ঐতিহ্য থেকে এসেছে। সংস্কৃতি মন্ত্রকের সংস্থা সেন্টার ফর কালচারাল রিসোর্সেস অ্যান্ড ট্রেনিং বলছে, দুটি ভঙ্গিই ওড়িশি গতির ভিত্তি, ধড় এপাশ-ওপাশ দোলে আর শরীরের নিচের অংশ স্থির থাকে।

কলা বিকাশ কেন্দ্রে পনেরো বছর

কটকের কলা বিকাশ কেন্দ্র ১৯৫২ সালে শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ী বাবুলাল দোশি, আর সহপিডিয়া একে ওড়িশি নিয়ে গবেষণা ও শিক্ষাদানের প্রথম কেন্দ্র বলেছে। সৃজন ও সুজাতা মহাপাত্র দুজনেই বলেন কেলুচরণ ১৯৫৩ সালে যোগ দেন, ওড়িশি পাঠক্রম রাখা সঙ্গীত ও নৃত্যের প্রথম কলেজে, অথচ অকাদেমির প্রশস্তি বছরটি দিয়েছে ১৯৫৬। সৃজন, সুজাতা মহাপাত্র ও ওড়িশা রেফারেন্স বার্ষিকী তিনজনই বলে, সেখানে তিনি পনেরো বছর শিখিয়েছিলেন।

কেন্দ্রে তিনি ছাত্রছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেন, সৃজনের মতে তাঁদের মধ্যে ছিলেন সঞ্জুক্তা পানিগ্রাহী, মীনাতি মিশ্র ও প্রিয়ম্বদা হেজমাদি। তিনি পঞ্চপুষ্প, কৃষ্ণগাথা, গীতগোবিন্দ, উর্বশী, কোনার্ক ও শ্রীক্ষেত্র সহ নৃত্যনাট্য নির্মাণ করেন, আর ভঙ্গির ভাণ্ডার বাড়াতে ব্রহ্মেশ্বর, পরশুরামেশ্বর ও কোনার্ক মন্দিরের ভাস্কর্য অধ্যয়ন করেন। সৃজন এই সময়কেই তাঁর প্রথম পল্লবীর কৃতিত্ব দেয়, যে রচনায় নৃত্যশিল্পী রাগের স্বরবিন্যাস গতির মধ্যে ফুটিয়ে তোলেন, আর গীতগোবিন্দ থেকে তাঁর প্রথম অষ্টপদীর কৃতিত্বও দেয়। অষ্টপদী হলো জয়দেবের দ্বাদশ শতকের রাধা-কৃষ্ণ কাব্যের আট যুগলবন্দের গান, যা সেন্টার ফর কালচারাল রিসোর্সেস অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের মতে ওড়িশা দ্বাদশ শতক থেকে নেচে আসছে।

১৯৫৮ সাল, যখন ওড়িশি স্বীকৃতি পেল

ওড়িশা রেফারেন্স বার্ষিকীতে ১৯৫৮ সালের ৮ এপ্রিল তারিখের সংবাদপত্রের কাটিং ছাপা হয়েছে। দ্য স্টেটসম্যান লিখেছিল, সঙ্গীত নাটক অকাদেমি সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ওড়িশিকে ভরতনাট্যম ও কথাকলির সমান একটি শাস্ত্রীয় ধারা বলে স্বীকৃতি দিয়েছে, আর হিন্দুস্তান টাইমস একে ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের পঞ্চম ঘরানা বলেছিল। এটি ছিল দিল্লিতে অকাদেমির নৃত্য সেমিনারে। সহপিডিয়াও একই সময়, পঞ্চাশের দশকের শেষ, উল্লেখ করেছে, আর বলেছে ১৯৫৮ সালের জানুয়ারিতে মাদ্রাজে আগের অল ইন্ডিয়া ডান্স সেমিনারে কেলুচরণ ও তরুণ সঞ্জুক্তা পানিগ্রাহী কলা বিকাশ কেন্দ্রের হয়ে অংশ নিয়ে নেচেছিলেন।

ওড়িশি ভারতের আটটি শাস্ত্রীয় নৃত্যর একটি, আর একে গড়েছেন অনেকে। সহপিডিয়া পঙ্কজ চরণ দাস, দেবপ্রসাদ দাস, মায়াধর রাউত ও কেলুচরণ মহাপাত্রকে সেই গুরুদের মধ্যে নাম করেছে, যাঁরা এর ব্যাকরণ লিখে রাখার উদ্যোগে নেতৃত্ব দেন, সঙ্গে ছিলেন পণ্ডিত ও লেখকেরা। তাঁদের সমিতি জয়ন্তিকা ১৯৫৮ সালের ২২ জুন কটকে প্রথম বৈঠক করে এবং পাঁচ-ছয় বছর ধরে বসেছিল। এর পাঁচ ভাগের পদাবলি, মঙ্গলাচরণ, বটু, পল্লবী, অভিনয় ও মোক্ষ, ষাটের দশক থেকে অনুষ্ঠানের সবচেয়ে প্রচলিত ক্রম হয়ে ওঠে। সহপিডিয়া আরও লিখেছে, ওড়িশিকে কীভাবে গড়া উচিত তা নিয়ে মতভেদে পঙ্কজ চরণ দাস ও দেবপ্রসাদ দাস দুজনেই দল ছেড়েছিলেন, একজন মহারী ঐতিহ্যে আর অন্যজন ওড়িয়া শব্দভাণ্ডারে দাঁড়িয়ে।

পুরস্কার, টেলিগ্রাম আর সম্মাননা

সৃজনের জীবনীতে আছে, ১৯৬৬ সালে অকাদেমির টেলিগ্রাম যখন এল, তিনি তখন কটকে নিজের বাড়ির দেয়ালে পলেস্তারা দিতে বাঁশের ভারায় উঠে। টেলিগ্রামটি ইংরেজিতে ছিল, তাই এক প্রতিবেশী পড়ে শোনান, আর তিনি জানতে পারেন যে এই পুরস্কার পাওয়া প্রথম ওড়িশি গুরু তিনিই। ওড়িশা রেফারেন্স বার্ষিকী আর অকাদেমির নিজের প্রশস্তি, দুটিই পুরস্কারের সাল ১৯৬৬ বলে।

পরবর্তী সম্মানগুলো, সূত্রগুলো যেভাবে দিয়েছে:

  • পদ্মশ্রী: অকাদেমি ও ওড়িশা রেফারেন্স বার্ষিকীর মতে ১৯৭২ সাল, সৃজন বলে ১৯৭৪। মূল বিজ্ঞপ্তি দেখা হয়নি, তাই দুটি সালই দেওয়া হলো।
  • পদ্মভূষণ: ১৯৮৮ সালের ২৬ জানুয়ারির বিজ্ঞপ্তিতে তিনি নৃত্য (ওড়িশি) বিভাগে পদ্মভূষণ প্রাপক হিসেবে আছেন। অকাদেমির প্রশস্তি বলে ১৯৮৯, কিন্তু গেজেটই প্রামাণ্য, আর সৃজনও ১৯৮৮ বলেছে।
  • পদ্মবিভূষণ: ২০০০ সালের ২৬ জানুয়ারি, পণ্ডিত জসরাজ ও পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার সঙ্গে একই বিজ্ঞপ্তিতে।
  • সঙ্গীত নাটক অকাদেমি ফেলোশিপ: অকাদেমির প্রশস্তিতে, তার ১৯৯১ সালের পুরস্কার প্রকাশনা থেকে, তাঁকে “ভারতীয় নৃত্যে তাঁর অবদানের জন্য” ফেলো নির্বাচিত করা হয়।
  • মধ্যপ্রদেশ সরকারের কালিদাস সম্মান: সৃজনের হিসেবে ১৯৮৭, অকাদেমির হিসেবে ১৯৮৯।

সারা ভারতে শেখানো

সৃজন বলছে, ১৯৮০-র দশক থেকে তিনি শেখাতে বিভিন্ন জায়গায় যেতেন, দিল্লির গন্ধর্ব মহাবিদ্যালয়, মুম্বইয়ের ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস এবং কলকাতার পদাতিক নৃত্যকেন্দ্রে নিয়মিত অতিথি শিক্ষক হয়ে ওঠেন। ১৯৮৬ সালে গড়া ভুবনেশ্বরের ওড়িশি গবেষণা কেন্দ্র, যা পরে তাঁর নামে নামকরণ হয়, তাঁকে সিনিয়র গুরু করে, আর ওড়িশা রেফারেন্স বার্ষিকী বলে ওড়িশি কৌশলের স্বরলিপি তৈরির প্রকল্প তাঁর নির্দেশনায় এগিয়েছিল। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানে ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া তাঁর বিদেশের অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে, যা রেফারেন্স বার্ষিকী তালিকাভুক্ত করেছে।

তিনি নৃত্যশিল্পীদের এক দীর্ঘ ধারা শিখিয়েছেন। অকাদেমির প্রশস্তিতে সঞ্জুক্তা পানিগ্রাহী ও সোনাল মানসিংয়ের নাম আছে। সহপিডিয়া যোগ করেছে কুমকুম লাল, মাধবী মুদগল, শর্মিলা বিশ্বাস এবং দিল্লি, কলকাতা ও মুম্বইয়ের আরও অনেকের নাম, আর বলেছে তাঁর ছাত্রী প্রতিমা গৌরী ১৯৯০ সালে বেঙ্গালুরুর কাছে নৃত্যগ্রাম নামের নৃত্যপল্লি গড়েছিলেন। তাঁর ছেলে রতিকান্ত মহাপাত্র ভুবনেশ্বরে সৃজনের পরিচালনা করেন।

সৃজন তাঁর নামে দুশোর বেশি একক রচনা আর প্রায় পঞ্চাশটি নৃত্যনাট্য গোনে। সুজাতা মহাপাত্রের সাইট, যার গণনা আলাদা, বলে একশোর বেশি নৃত্যনির্মাণ। সহপিডিয়া যোগ করেছে, ওড়িশির পদাবলির সবচেয়ে বেশি পরিবেশিত কিছু রচনায় তিনি বেহালাবাদক ভুবনেশ্বর মিশ্রের সঙ্গে কাজ করেছেন। সৃজন বলে, তাঁর মর্দল বাজানো ঢোলকে অনুষ্ঠানের এক প্রধান উপাদান করে তুলেছিল, শুধু নৃত্যশিল্পীর সহায়ক নয়।

গবেষকেরা তাঁকে কোথায় বসান

সহপিডিয়া কেলুচরণ মহাপাত্রকে গুরুদের মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে সৃজনশীল আর সবচেয়ে বেশি পরিচিত বলেছে। সে গবেষক রত্না রায়কে উদ্ধৃত করেছে, যাঁর মতে তাঁর ধারাকে প্রায়ই পুরো ওড়িশি নৃত্যের সমান ধরা হয়। সহপিডিয়া দেবপ্রসাদ দাস, মায়াধর রাউত ও সুরেন্দ্রনাথ জেনা সহ অন্যদের গড়া আলাদা ধারার কথাও বলেছে।

শতবর্ষ

২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী ভুবনেশ্বরের গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র ওড়িশি গবেষণা কেন্দ্রে তিন দিনের শিল্প ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী কেলুচরণ কীর্তি শতকম উদ্বোধন করেন, ওএমএমসিওএম নিউজ ও পিটিআইয়ের মতে। প্রদর্শনী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি গবেষণা কেন্দ্র ও রবীন্দ্র মণ্ডপে চলে, আর তাঁর জীবন নিয়ে একটি ছোট চলচ্চিত্র প্রকাশিত হয়। প্রিয়ম্বদা হেজমাদি, কুমকুম মোহান্তি ও মাধবী মুদগল অংশ নেন, সঙ্গে রতিকান্ত মহাপাত্র।

সৃজনের ৩২তম গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র পুরস্কার উৎসব শতবর্ষের সংস্করণ হিসেবে ২০২৬ সালের ৫ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর ভুবনেশ্বরের রবীন্দ্র মণ্ডপে হয়েছিল। সম্বাদ ইংলিশের সমাপনী রাতের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশস্তিপত্রসহ ১,০০,০০০ টাকার গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র পুরস্কার ২০২৬ পেয়েছেন নৃত্যে শ্যারন লোয়েন, সঙ্গীতে কেশবচন্দ্র রাউত, নাটকে ধীরেন্দ্রনাথ মল্লিক এবং চলচ্চিত্রে মহাশ্বেতা রায়।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. The Gazette of India Extraordinary, 30 March 2000: Padma awards notified 26 January 2000 (Padma Vibhushan list)
  2. The Gazette of India Extraordinary, 19 March 1988: Padma awards notified 26 January 1988 (Padma Bhushan list)
  3. Sangeet Natak Akademi: Kelucharan Mohapatra, Akademi Fellowship citation
  4. Government of Odisha: Orissa Reference Annual 2005, Odissi Dance
  5. Centre for Cultural Resources and Training (Ministry of Culture): Odissi Dance (archived copy)
  6. Sahapedia: A Brief History of Odissi Dance
  7. Srjan, Guru Kelucharan Mohapatra Odissi Nrityabasa: Guruji, the biography
  8. OMMCOM News: Odisha marks birth centenary of Odissi legend Guru Kelucharan Mohapatra (8 January 2026)
  9. PTI via Devdiscourse: Odisha pays tribute to Kelucharan Mohapatra on birth centenary (8 January 2026)
  10. Sambad English: 32nd Guru Kelucharan Mohapatra Award Festival concludes (September 2026)
  11. India Whispers: Shubha Mudgal opened Guru Kelucharan Mohapatra Award Festival 2026 (6 September 2026)
  12. Sujata Mohapatra: About Guru Kelucharan Mohapatra

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#kelucharan mohapatra#odissi#raghurajpur#gotipua#padma vibhushan#sangeet natak akademi#sanjukta panigrahi#odisha

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: শিল্প ও চলচ্চিত্র
ভারতের আট শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী, তামিলনাড়ুর ভরতনাট্যম থেকে অসমের সত্রীয়া পর্যন্ত, সবকটির সঙ্গীত নাটক অকাদেমি পুরস্কারে নিজস্ব বিভাগ আছে
সংস্কৃতি মন্ত্রক আর তার কেন্দ্র যেভাবে বর্ণনা করে, সেভাবে প্রতিটি নৃত্যের সংগীত, পোশাক আর হাতের ভাষা নিয়ে শৈলী ধরে ধরে একটি নির্দেশিকা, তারপর জাতীয় অকাদেমি, তার ফেলোরা আর আটটির পাশে ইউনেস্কো-তালিকাভুক্ত ঐতিহ্য।
রুক্মিণী দেবী অরুন্ডেল ১৯৩৫ সালের ডিসেম্বরে আড্যারে মঞ্চে ভরতনাট্যম নেচেছিলেন, ১৯৩৬ সালের ৬ জানুয়ারি কলাক্ষেত্র খুলেছিলেন এবং পরে ভারতীয় পশু কল্যাণ পর্ষদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন
১৯০৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি জন্মানো তিনি মন্দিরের নৃত্যকে নিয়ে গিয়েছিলেন কনসার্ট মঞ্চে, চেন্নাইয়ের সমুদ্রতীরে গড়েছিলেন ক্যাম্পাস, রামায়ণ থেকে রচনা করেছিলেন নৃত্যনাট্য, আর সংসদে কাজ করেছিলেন পশু সুরক্ষা আইনের জন্য। নথি ধরে ধরে তার বিবরণ।
জাকির হুসেন বাবা আল্লা রাখার কাছে তবলা শিখেছিলেন, ১৯৭০ সালে রবি শঙ্করের সঙ্গে ফিলমোর ইস্টে বাজিয়েছিলেন, শক্তি গড়েছিলেন আর ২০২৪ সালে এক রাতে তিনটি গ্র্যামি পুরস্কার জিতেছিলেন
এক তবলাবাদকের ছেলে, যিনি বারো বছর বয়সে সফরে বেরিয়েছিলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার এক গোলাবাড়িতে ঢোলবাদকদের আসর, এক ইংরেজ গিটারবাদকের সঙ্গে ফিউশন দল, আর তাঁর তিনটি পদ্ম পুরস্কারের গেজেট বিজ্ঞপ্তি। গ্র্যামির গোনাগুনতি সূত্রভেদে আলাদা, আর এই লেখায় তার কারণ বলা আছে।
← সব লেখা