ছবি: Arne Hückelheim / Wikimedia Commons, CC BY-SA 3.0 (ছাঁটা)
বাংলা
নেরাল (৩৯.৩১ মি) থেকে মাথেরান (৮০৩.৯৮ মি) পর্যন্ত রেলপথ ১৯.৯৭ কিলোমিটার, ০.৬১ মিটার গেজের, ১৯০৭ সালের ২২ মার্চ খুলেছিল বোম্বাইয়ের পিরভয় পরিবার। ইউনেস্কোর সম্ভাব্য তালিকার নথি গুনেছে ২২১টি বাঁক, একটি সুড়ঙ্গ আর ১২১টিরও বেশি সেতু। মধ্য রেলওয়ে ঘোষণা করেছে ২০২৬ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে সরাসরি ট্রেন আবার চলবে।
মাথেরান হিল রেলওয়ে মাত্র ০.৬১ মিটার (দুই ফুট) চওড়া ট্র্যাকে ১৯.৯৭ কিলোমিটার পথে প্রায় ৭৬৫ মিটার ওঠে, সমুদ্রতল থেকে ৩৯.৩১ মিটার উচ্চতার নেরাল থেকে ৮০৩.৯৮ মিটার উচ্চতার মাথেরানে। এর উদ্বোধন হয়েছিল ১৯০৭ সালের ২২ মার্চ, আর মধ্য রেলওয়ে ঘোষণা করেছে বছরের বর্ষা-বিরতির পর ২০২৬ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে নেরাল ও মাথেরানের মধ্যে সরাসরি ট্রেন আবার চলবে। দৈর্ঘ্য, উচ্চতা ও তারিখগুলি এসেছে ইউনেস্কোর সম্ভাব্য তালিকায় এই রেলপথের জন্য ভারতের নিজের জমা দেওয়া নথি থেকে, যা গুনেছে ২২১টি বাঁক, একটি সুড়ঙ্গ আর ১২১টিরও বেশি সেতু, যার বেশিরভাগই ছোট।
১৮৫০ সাল পর্যন্ত যে পাহাড়ে কেউ যায়নি
কোলাবা জেলার মহারাষ্ট্র রাজ্য গেজেটিয়ার বলছে ১৮৫০ সাল পর্যন্ত মাথেরানের প্রায় কোনো ইতিহাস ছিল না। ওই বছর ঠাণে জেলার কালেক্টর এইচ. পি. মালেট কাউক-এ ক্যাম্প করেন, এক সন্ধ্যায় পাহাড়ের কিছুটা পথ হেঁটে ওঠেন, পরদিন ফিরে আসেন এবং নভেম্বরে আবার এসে প্রায় এক মাস একটি কুঁড়েঘরে থাকেন। তখনকার বোম্বাইয়ের গভর্নর লর্ড এলফিনস্টোন ১৮৫৫ থেকে ১৮৫৮ সালের মধ্যে নেরাল থেকে একটি ভালো রাস্তা করে দেন, আর গেজেটিয়ার বলছে পাহাড়টি তখন ফ্যাশনদুরস্ত হয়ে ওঠে। ব্রিটানিকা শহরটিকে পশ্চিমঘাট-এর পশ্চিম দিকে বসিয়ে বর্ণনা করেছে একটি অবকাশকেন্দ্র হিসেবে, যেখানে ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি প্রথম আসতেন ব্রিটিশ কর্মকর্তারা আর বোম্বাই থেকে আসা দর্শনার্থীরা।
ওপরে ওঠা ছিল ধীর। গেজেটিয়ার বলছে রেলপথের আগে দর্শনার্থীরা ঘোড়ায় চড়ে উঠতেন বা পালকিতে, অর্থাৎ বাঁশে বহন করা ঢাকা আসনে, চড়ে যেতেন। ইউনেস্কোর নথি বলছে নামটির মানে “বনময় মাথা”।
যে পরিবার রেলপথের টাকা দিয়েছিল
গেজেটিয়ার রেলপথের পথিকৃৎ হিসেবে কৃতিত্ব দিয়েছে বোম্বাইয়ের স্যার আদমজি পিরভয়ের দ্বিতীয় ছেলে আব্দুল হুসেনকে। ফ্রি প্রেস জার্নাল বলছে বাবা ছেলের অনুরোধে ১৯০১ সালে নির্মাণ শুরু করেন, রেলপথের খরচ হয়েছিল ১৬ লক্ষ টাকা এবং ১৯০৭ সালে তা সম্পূর্ণ হয়। সে আরও বলছে রেলপথটি গড়েছিলেন এক ভারতীয় ব্যবসায়ী, ঔপনিবেশিক প্রশাসন নয়। ওই কাগজের বিবরণে ১৮৪৬ সালে জন্মানো স্যার আদমজি ১৮৯৭ সালে বোম্বাইয়ের প্রথম ভারতীয় শেরিফ হয়েছিলেন। মাথেরান টার্মিনাসে তাঁর একটি মার্বেলের আবক্ষ মূর্তি আছে, বসানো ১৯৮৫ সালে।
কাগজপত্রেরও একটি তারিখ আছে। ব্রিটিশ লাইব্রেরির একটি চুক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে ফিবিস উইকি লিখেছে, মাথেরান স্টিম লাইট ট্রামওয়ে কোম্পানি গঠিত হয়েছিল ১৮৮৬ সালের ইন্ডিয়ান ট্রামওয়েজ অ্যাক্ট এবং ১৯০৪ সালের ২৮ জুলাইয়ের একটি ট্রামওয়ে অর্ডারের অধীনে, এজেন্ট ছিল স্যার আদমজি পিরভয় অ্যান্ড সন্স। গ্রেসেস গাইডও পূর্ত বিভাগের অনুমোদনের জন্য ২৮ জুলাই ১৯০৪ এবং তিনটি ইঞ্জিন নিয়ে উদ্বোধনের জন্য ১৯০৭ সালের মার্চ দিয়েছে। গেজেটিয়ার যোগ করেছে সরকার জমি বিনামূল্যে দিয়েছিল।
১৯.৯৭ কিলোমিটারের ওঠা দেখতে কেমন
ইউনেস্কোর নথি রেলপথকে তিন অংশে ভাগ করেছে। প্রথম অংশ নেরাল থেকে ৫.৫৭ কিলোমিটার, যেখানে রেলপথের কারখানা, ইঞ্জিন শেড ও কোচ ডিপো, যায় ২৪১.৮১ মিটার উচ্চতার জুমাপট্টি পর্যন্ত। দ্বিতীয় অংশ জুমাপট্টি থেকে ৭৫৮.৯৫ মিটার উচ্চতার আমন লজ পর্যন্ত ১১.৫৭ কিলোমিটার। এটি সবচেয়ে বাঁকা অংশ, যেখানে আছে একটি ঘোড়ার খুরের আকারের বাঁধ, ব্যারি পাহাড়ের নিচে পেছনে-সামনে বাঁক, ৪৮৪.৬৩ মিটার উচ্চতার ওয়াটার পাইপ স্টেশন আর ওয়ান কিস নামে পরিচিত একমাত্র সুড়ঙ্গ। শেষ ২.৮৩ কিলোমিটার আমন লজ থেকে মাথেরান, মাঝে কোনো স্টেশন নেই।
গড় ঢাল ১ এর ২৫ আর সবচেয়ে খাড়া ১ এর ২০, যাকে ইউনেস্কোর নথি বলেছে অ্যাডহেশন রেলপথের সীমা, অর্থাৎ যেটি শুধু চাকার ঘর্ষণে আঁকড়ে চলে। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার, সবচেয়ে তীক্ষ্ণ বাঁকে নেমে ঘণ্টায় ৮ কিলোমিটার। একটি বাঁকে একটি ফলকে লেখা আছে “আহ, কী তীক্ষ্ণ বাঁক”। নথি বলছে রেলপথে ফ্লোটিং অ্যাক্সল ব্যবহার হতো, যা ট্রেনকে সংকীর্ণ বাঁক ধরতে দেয় এমন জোড়া লাগানো চাকার সেট, আর জুমাপট্টির ওপরের অংশে চারটি সাধারণ সাইডিং ও পালিয়ে যাওয়া ট্রেন থামানোর চারটি ক্যাচ সাইডিং আছে।
রেলপথের প্রকাশিত সংখ্যা সূত্রভেদে আলাদা:
- দৈর্ঘ্য: ইউনেস্কো দিয়েছে ১৯.৯৭ কিলোমিটার। গেজেটিয়ার নেরাল থেকে মাথেরান মেপেছে ১৩ মাইল, আর আউটলুক ট্র্যাভেলার ও গ্রেসেস গাইড বলেছে ২১ কিলোমিটার।
- বাঁক: ইউনেস্কো গুনেছে ২২১টি। আউটলুক ট্র্যাভেলার বলছে ২৩৬টির বেশি।
- সবচেয়ে তীক্ষ্ণ বাঁক: ইউনেস্কো ব্যাসার্ধ দিয়েছে ১৮.২৫ মিটার। গেজেটিয়ার বলছে ৪৮ ফুট, প্রায় ১৪.৬ মিটার।
এই লেখা ইউনেস্কোর অঙ্কগুলি ব্যবহার করেছে কারণ সেগুলির সঙ্গে অংশভিত্তিক জরিপের বিবরণ আছে, আর যেখানে অন্য সূত্র আলাদা সেখানে তার নাম করেছে।
পারিবারিক ট্রামপথ থেকে মধ্য রেলওয়ে
প্রতিষ্ঠাতাদের পর কী হয়েছিল তা গেজেটিয়ার ধরেছে। সে বলছে স্যার আদমজি ও তাঁর ছেলের মৃত্যুর পর রেলপথের যত্ন আগের মতো হয়নি, এবং ১৯২৭ সালে ৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তা গোয়ালিয়রের মহারাজার কাছে বন্ধক রাখা হয়। ১৯২৮ সালে আদালতের একটি ডিক্রিতে মহারাজা তা একটি লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে চালাতে পান। গ্রেট ইন্ডিয়ান পেনিনসুলা রেলওয়ে ১৯৪৮ সালের এপ্রিল থেকে তা নিয়ে নেয়, আর ১৯৫১ সালে ভারতীয় রেলওয়ের পুনর্গঠনে তা মধ্য রেলওয়ের অধীনে যায়। গেজেটিয়ার নথিবদ্ধ করেছে, ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৭ সালে মাথেরান স্টেশন থেকে ৩৭,৪৫৮ জন যাত্রী বুক করেছিলেন।
বৃষ্টিতে বন্ধ, প্রতিবারই ফিরে এসেছে
বৃষ্টির ক্ষতিতে আগেও পুরো রেলপথ বন্ধ হয়েছে। ফ্রি প্রেস জার্নাল ২০২২ সালের ৩ অক্টোবর জানিয়েছিল, ভারী বৃষ্টিতে প্রায় ২০টি জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আর ট্র্যাকের অংশ ভেসে যাওয়ায় নেরাল থেকে আমন লজ অংশ ২০১৯ সাল থেকে বন্ধ ছিল। লোকমত টাইমস ২০২২ সালের ২৭ অক্টোবর জানিয়েছিল ভিস্তাডোম কোচ, অর্থাৎ বড় কাচের জানালার কোচ, নিয়ে পরিষেবা আবার চালু হয়েছে, এবং রেলমন্ত্রীর পোস্ট উদ্ধৃত করেছিল যে খেলনা ট্রেন “আবার বাঁশি বাজাচ্ছে”।
এখন প্রতিটি বর্ষায় নেরাল থেকে আমন লজ অংশে একটি পরিকল্পিত বিরতি আসে। আজ তক ২০২৬ সালের ১৬ জুন জানিয়েছিল ধস ও অন্যান্য ঝুঁকির জন্য নিয়মিত পরিষেবা ২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত, মাথেরান ও আমন লজের মধ্যে দৈনিক শাটল চলছে। ২০২৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, সোমবার, ফ্রি প্রেস জার্নালের খবরে, ওয়াটার পাইপ স্টেশনের প্রায় ১৩৪ মিটার ওপরে কাডিয়াবর্চা গণপতির কাছে একটি ধসে ট্র্যাকের একটি অংশ মাটি ও পাথরে চাপা পড়ে। মাথেরানের একজন রেল কর্মকর্তা তখন বলেছিলেন মেরামতের কাজ চলছে।
২০২৬ সালের সময়সূচি
ফ্রি প্রেস জার্নাল ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর এবং মারাঠি কাগজ প্রহার ২৮ অক্টোবর জানিয়েছে, মধ্য রেলওয়ে শুক্রবার ৩০ অক্টোবর থেকে নেরাল-মাথেরান ট্রেন আবার চালু করবে। ফ্রি প্রেস জার্নাল প্রতিদিন প্রতি দিকে দুটি করে ট্রেনের তালিকা দিয়েছে:
- ৫২১০৩ নেরাল ছাড়ে সকাল ৮.৫০-এ আর মাথেরান পৌঁছায় সকাল ১১.৩০-এ।
- ৫২১০৫ নেরাল ছাড়ে সকাল ১০.২৫-এ আর মাথেরান পৌঁছায় দুপুর ১.০৫-এ।
- ৫২১০৪ মাথেরান ছাড়ে দুপুর ২.৪৫-এ আর নেরাল পৌঁছায় বিকেল ৫.৩০-এ।
- ৫২১০৬ মাথেরান ছাড়ে বিকেল ৪টায় আর নেরাল পৌঁছায় সন্ধ্যা ৬.৪০-এ।
৫২১০৩ ও ৫২১০৪ নম্বর ট্রেনে থাকে তিনটি দ্বিতীয় শ্রেণির কোচ, একটি ভিস্তাডোম কোচ আর মালপত্রের জায়গাসহ দুটি দ্বিতীয় শ্রেণির কোচ। ৫২১০৫ ও ৫২১০৬ ট্রেনে ভিস্তাডোমের জায়গায় থাকে একটি প্রথম শ্রেণির কোচ। আমন লজ থেকে মাথেরান শাটলে সময় লাগে প্রায় ১৮ মিনিট, প্রতিদিন প্রতি দিকে ছয়বার চলে, আর শনি ও রবিবার প্রতি দিকে আরও দুটি করে পরিষেবা থাকে। এই সময়গুলি ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর যেমন ঘোষিত হয়েছিল তেমন, আবহাওয়া ও ট্র্যাকের অবস্থা অনুযায়ী বদলাতে পারে, তাই যাত্রার আগে মধ্য রেলওয়ের বিজ্ঞপ্তি দেখে নিন। ২০২৫ সালে সরাসরি ট্রেন আবার চালু হয়েছিল ৬ নভেম্বর।
মাথেরানে গাড়ি নেই কেন
সুপ্রিম কোর্টের ২০২৫ সালের ৬ আগস্টের রায় বলছে রাজ্য ২০০০ সালের নভেম্বরে একটি পরিবেশ-সংবেদনশীল অঞ্চলের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল আর পরিবেশ ও বন মন্ত্রক ২০০৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে। ওই বিজ্ঞপ্তির ৪(এন) অনুচ্ছেদ পৌর সীমার মধ্যে যানবাহন চলাচল সীমিত করে, শুধু অ্যাম্বুলেন্স, দমকলের গাড়ি আর কঠিন বর্জ্যবাহী ট্র্যাক্টর ছাড়া। আদালত মাথেরানকে একমাত্র পায়ে-হাঁটার পাহাড়ি শহর বলেছে, ২০১১ সালের জনগণনায় প্রায় ৪,৪০০ স্থায়ী বাসিন্দা আর বছরে প্রায় ৮ লক্ষ পর্যটক নিয়ে।
একই রায়ে শহরের হাতে-টানা রিকশার প্রসঙ্গও এসেছে। আদালত দস্তুরি নাকা থেকে শিবাজী মহারাজের মূর্তি পর্যন্ত মূল রাস্তায় মাটির পেভার ব্লক বসানোর অনুমতি দিয়েছে এবং মহারাষ্ট্রকে ছয় মাসের মধ্যে হাতে-টানা রিকশা শেষ করতে বলেছে, তার জায়গায় আসবে ই-রিকশা, যা ভাড়া দেওয়া হবে টানাদার, অন্যান্য দরিদ্র বাসিন্দা ও আদিবাসী নারীদের। লেখার সময় এই প্রকল্প কতদূর এগিয়েছে তার কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। আদালত এও বলেছে যে পায়ে-হাঁটার পাহাড়ি শহর হিসেবে মাথেরানের চরিত্র যতদূর সম্ভব বজায় রাখতে হবে। ইউনেস্কোর নথি বলছে নেরাল থেকে সড়ক আমন লজে শেষ হয় এবং তার ওপারে কোনো যান্ত্রিক সড়কযান যায় না।
ইউনেস্কোর কাছে এখন কোথায়
ভারত ২০১৪ সালের ১৫ এপ্রিল রেলপথটি জমা দিয়েছিল মাউন্টেন রেলওয়ে অফ ইন্ডিয়ার সম্প্রসারণ হিসেবে, কাংড়া উপত্যকা রেলপথের সঙ্গে। মাউন্টেন রেলওয়ে অফ ইন্ডিয়া তিনটি রেলপথ নিয়ে অন্তর্ভুক্ত: ১৯৯৯ সালে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে, ২০০৫ সালে নীলগিরি মাউন্টেন রেলওয়ে আর ২০০৮ সালে কালকা-শিমলা রেলওয়ে। সম্ভাব্য তালিকার নথি একটি অভিপ্রায়ের বিজ্ঞপ্তি, অন্তর্ভুক্তি নয়, তাই মাথেরান একটি প্রার্থী, এখনও বিশ্ব ঐতিহ্য সম্পত্তির অংশ নয়। ইউনেস্কোর নথি উল্লেখ করেছে যে নেরাল মুম্বই থেকে আসা ব্রডগেজ মূল লাইনের সঙ্গে সংযোগস্থল।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- UNESCO World Heritage Centre: Mountain Railways of India (Extension), Tentative List entry 5919, submitted 15 April 2014
- UNESCO World Heritage Centre: Mountain Railways of India (inscribed property 944)
- Supreme Court of India: judgment of 6 August 2025 on Matheran (Godavarman case, applications on paver blocks and e-rickshaws)
- Government of Maharashtra, Gazetteer of Kolaba district: Matheran and the Neral-Matheran railway
- Government of Maharashtra, Gazetteer of Kolaba district: Railways
- Encyclopaedia Britannica: Matheran
- Free Press Journal: Neral-Matheran toy train to resume from October 30; Central Railway announces daily services (29 October 2026)
- Free Press Journal: Neral-Matheran toy train route hit by landslide, track buried under debris (23 September 2026)
- Prahaar: Matheran toy train resumes from 30 October 2026 (28 October 2026)
- Free Press Journal: Central Railway to resume Neral-Matheran toy train services from November 6 (2025)
- Aaj Tak: Central Railway suspends Matheran toy train regular service till 15 October 2026 (16 June 2026)
- Free Press Journal: Remembering Sir Adamjee Peerbhoy, the forgotten pioneer behind Matheran's toy train
- Free Press Journal: Matheran toy train to resume from Neral after a 3-year gap (3 October 2022)
- Lokmat Times: Indian Railway resumes service of Neral-Matheran toy train (27 October 2022)
- Outlook Traveller: Matheran's toy train service resumes post-monsoon, timings and tickets (November 2025)
- FIBIS wiki: Matheran Hill Light Railway (citing British Library India Office Records on the 1904 Tramway Order)
- Grace's Guide: Matheran Hill Railway
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।