Skip to content
৪৬ কিলোমিটারের নীলগিরি মাউন্টেন রেলওয়ে ১,৮৭৭ মিটার উঠে যায়, আর সবচেয়ে খাড়া অংশটুকুর জন্য লাগে একটা দাঁতওয়ালা রেল
ভ্রমণ

৪৬ কিলোমিটারের নীলগিরি মাউন্টেন রেলওয়ে ১,৮৭৭ মিটার উঠে যায়, আর সবচেয়ে খাড়া অংশটুকুর জন্য লাগে একটা দাঁতওয়ালা রেল

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

মেট্টুপালায়ম থেকে উদগমণ্ডলম (উটি) পর্যন্ত এই লাইন ৩২৬ মিটার থেকে ২,২০৩ মিটারে উঠেছে, আর সবচেয়ে খাড়া অংশে ইঞ্জিনের নিচের একটা কগ চাকাকে আঁকড়ে ধরে একটা দাঁতওয়ালা রেল। ২০০৫ সালে ইউনেস্কো একে ভারতের পার্বত্য রেলপথের (মাউন্টেন রেলওয়েজ অফ ইন্ডিয়া) তালিকায় যোগ করে।

· · 7 মিনিটের পাঠ

নীলগিরি মাউন্টেন রেলওয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩২৬ মিটার উঁচু মেট্টুপালায়ম থেকে ২,২০৩ মিটার উঁচু উদগমণ্ডলম পর্যন্ত ৪৬ কিলোমিটার পথ চলে। এই পাহাড়ি শহরকে বেশিরভাগ মানুষ উটি বলে ডাকে। একটাই লাইনে, যার দুই রেলের মাঝের দূরত্ব এক মিটার, উচ্চতা বাড়ে ১,৮৭৭ মিটার, আর সকালের নিয়মিত ট্রেনটার এটুকু পথ যেতে সময় লাগে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা।

সবচেয়ে খাড়া অংশে চলার রেল দুটোর মাঝখানে বসানো একটা দাঁতওয়ালা রেল ইঞ্জিনের নিচের একটা কগ চাকার সঙ্গে খাঁজে খাঁজে আটকে যায়। একে বলে র্যাক-অ্যান্ড-পিনিয়ন। ইন্ডিয়ান রেলওয়েজ ফ্যান ক্লাবে রাখা ইন্ডিয়ান স্টিম রেলওয়ে সোসাইটির একটা নিবন্ধ একে ভারতের একমাত্র মিটার গেজ পাহাড়ি লাইন বলেছে যেখানে এই পদ্ধতিতে ট্রেন চলে, আর ২০০৫ সালে ইউনেস্কো একে ভারতের পার্বত্য রেলপথের বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় যোগ করে।

১৮৫৪ সালের প্রস্তাব থেকে ১৮৯১ সালের প্রথম কোদাল

ইউনেস্কোর স্থানটির বিবরণ বলছে, লাইনটির প্রস্তাব প্রথম ওঠে ১৮৫৪ সালে, আর পাহাড়ি জমির কারণে কাজ পিছিয়ে যায় ১৮৯১ সাল পর্যন্ত। লাইনটির ১৯০৮ সালের একটা বিবরণ, যা ইন্ডিয়ান রেলওয়েজ ফ্যান ক্লাব ছেপেছে, মাঝের বছরগুলো ভরে দেয়। ১৮৭৬ সালে সুইস ইঞ্জিনিয়ার রিগেনবাখ রিগি র্যাক ধাঁচে একটা লাইন বানানোর প্রস্তাব দেন, আর সরকার তা নাকচ করে। ১৮৮০ সালে তিনি আর জেলা ইঞ্জিনিয়ার মেজর মোরান্ট মিলে একটা র্যাক রেলপথের খরচের হিসাব করেন।

নীলগিরি রেলওয়ে কোম্পানি নিবন্ধিত হয় ১৮৮৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, ফিবিসের (FIBIS) নথি অনুযায়ী। মাদ্রাজের গভর্নর লর্ড ওয়েনলক ১৮৯১ সালের আগস্টে প্রথম কোদাল কোপান। কোম্পানিটা ১৮৯৪ সালের এপ্রিলে লিকুইডেশনে চলে যায়, আর ১৮৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটা নতুন কোম্পানি দায়িত্ব নেয়, বিনা খরচের জমি আর নির্মাণের সময় তার মূলধনের উপর ৩ শতাংশ ফেরতের সরকারি গ্যারান্টি নিয়ে। ভারতের রেলের খরচ কে জুগিয়েছিল নিয়ে আমাদের লেখায় যে গ্যারান্টির কথা আছে, এটা তারই ছোট সংস্করণ।

কেন পাহাড়ি রেলের লাগে দাঁতওয়ালা রেল

১৯০৮ সালের বিবরণে লাইনের সর্বোচ্চ ঢাল দেওয়া ১২½-এ ১, অর্থাৎ প্রতি ১২.৫ মিটার লাইনে ১ মিটার ওঠা। এটা শুরু হয়েছে মেট্টুপালায়ম থেকে পাঁচ মাইল দূরে কল্লারে। ভারতীয় রেলওয়ের হেরিটেজ ডিরেক্টরেট বলছে, সাধারণ রেলপথ শুধু চাকার ঘর্ষণের উপর ভরসা করে চলে প্রায় ১৪.৫-এ ১ ঢাল পর্যন্ত, তাই তার চেয়ে খাড়া অংশের জন্য বাড়তি কিছু দরকার ছিল।

বেছে নেওয়া ব্যবস্থাটা আবট র্যাক, যাকে ১৯০৮ সালের বিবরণ রিগি নীতির একটা উন্নত রূপ বলেছে। ইন্ডিয়ান স্টিম রেলওয়ে সোসাইটির একটা নিবন্ধে র্যাক অংশের গড় ঢাল দেওয়া ১২.২৮-এ ১, আর X শ্রেণির ইঞ্জিনের একটা বিবরণে র্যাকের দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার, কল্লার থেকে কুনুর পর্যন্ত। হেরিটেজ ডিরেক্টরেট বলছে ট্রেন ওঠে ঘণ্টায় প্রায় ১৩ কিলোমিটার বেগে।

পথে ১৬টা সুড়ঙ্গ আছে, আর হেরিটেজ ডিরেক্টরেট ২৫০টিরও বেশি সেতু গোনে। অন্য প্রকাশিত গণনা আলাদা: অনমনোরমার ২০২৫ সালের গাইডে ২০৬টা সেতু। লাইনের স্টেশনগুলো নিয়ে গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচারের একটা গল্প বলছে, এটা বানাতে শক্ত গ্রানাইট কেটে যেতে হয়েছে, আর হেরিটেজ ডিরেক্টরেট জানায় অনেক সুড়ঙ্গ আস্তরহীন শক্ত পাথরের।

১৮৯৯ সালে কুনুর, ১৯০৮ সালে উটি

প্রথম অংশটা, মেট্টুপালায়ম থেকে কুনুর পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার, খোলে ১৮৯৯ সালের ১৫ জুন, একটা চুক্তির অধীনে মাদ্রাজ রেলওয়ে সেটা চালাত। ফ্যান ক্লাবের সোসাইটি-নিবন্ধ বলছে, লাইনটার উদ্দেশ্য ছিল কর্মকর্তাদের ওটাকামন্ডে (উটির ব্রিটিশ বানান) তুলে দেওয়া আর নীলগিরির চা পশ্চিম উপকূলের বন্দরে পৌঁছে দেওয়া।

আয় ছিল কম। সরকার লাইনটা কিনে নেয় ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ৩৫ লক্ষ টাকায় (ফিবিসের হিসাবে ২,৩৫,০০০ পাউন্ড), তার আগে খরচ হয়েছিল ৪৮ লক্ষ। ১৯০৮ সালের বিবরণে লেখা আছে, নিট আয় কেনার দামের উপর সুদ দিচ্ছিল মাত্র ২ শতাংশের কিছু বেশি, আর ধস নামায় রক্ষণাবেক্ষণের খরচ ছিল চড়া।

কুনুর থেকে উটি পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটারের সম্প্রসারণে র্যাক নেই। ১৯০৮ সালের বিবরণ অনুযায়ী এর সবচেয়ে খাড়া ঢাল ২৫-এ ১। সেই বিবরণ খরচ ধরেছিল ২৪,৪০,০০০ টাকা, আর বলে সেনাবাহিনীর দুই রেজিমেন্ট, ৬১তম ও ৬৪তম পাইওনিয়ার্স, চুক্তির অধীনে মাটির কাজের বেশিরভাগ করেছিল। ফিবিস পূর্ত বিভাগের চিফ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আর. আর. গেলসের নাম করে। হেরিটেজ ডিরেক্টরেট বলছে লাইন ওটাকামন্ডে পৌঁছায় ১৯০৮ সালে, আর ইউনেস্কো সম্পূর্ণ হওয়ার বছর দেয় ১৯০৮।

তাই ১৮৯৯ আর ১৯০৮ দুটোই ঠিক, দুই আলাদা অংশের জন্য। ইউনেস্কোর লেখায় আছে, রেলপথটি ‘তৎকালীন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির প্রতিনিধিত্ব করত।‘

সুইস ইঞ্জিন, আর আজ যা চলে

র্যাকে চলা বাষ্পীয় ইঞ্জিনগুলো X শ্রেণির। ইন্ডিয়ান স্টিম রেলওয়ে সোসাইটির বিবরণ বলছে, উইন্টারথুরের সুইস লোকোমোটিভ অ্যান্ড মেশিন ওয়ার্কস দুই দফায় এমন ১২টা বানায়: সাতটা ১৯২০ থেকে ১৯২৫ সালের মধ্যে চালু হয়, পাঁচটা ১৯৫২ সালে। নিবন্ধটা যখন লেখা হয়, সবগুলোর ঘাঁটি ছিল কুনুর শেডে। এগুলো চার সিলিন্ডারের কমপাউন্ড ইঞ্জিন: উচ্চচাপের জোড়াটা সাধারণ চাকা ঘোরায়, আর তার উপরের নিম্নচাপের জোড়াটা কগ চাকা ঘোরায়, যেগুলো র্যাক আঁকড়ে ধরে।

সবচেয়ে পুরনো ইঞ্জিনগুলোর তারিখ নিয়ে একমত হওয়া যায়নি। ন্যাশনাল রেল মিউজিয়াম বলছে X-37385 সুইজারল্যান্ড থেকে আমদানি হয় ১৯২১ সালে, ওজন ৪৮.৯ টন। ডেকান ক্রনিকল ২০১৯ সালে জানিয়েছিল ৩৭৩৮৪ নম্বর ইঞ্জিন সুইজারল্যান্ডে বানানো হয় ১৯১৪ সালে আর লাইনে চালু হয় ১৯১৮ সালে।

কয়লা ছিল আদি জ্বালানি। সোসাইটির নিবন্ধ বলছে ২০০২ আর ২০০৩ সালে একটা ইঞ্জিনকে ফার্নেস অয়েলে চলার উপযোগী করা হয়। হেরিটেজ ডিরেক্টরেট বলছে সুইস-তৈরি বেশিরভাগ ইঞ্জিনকে তারপর থেকে রূপান্তর করা হয়েছে, আর তিরুচিরাপল্লির গোল্ডেন রক কারখানায় চারটা নতুন তেলচালিত ইঞ্জিন বানানো হয়েছে। রেলপোস্ট জানিয়েছিল, গোল্ডেন রক একটা কয়লাচালিত X শ্রেণির ইঞ্জিন, X-37400, বানিয়েছে, যাকে দক্ষিণ রেলের জেনারেল ম্যানেজার জন টমাস ২০২১ সালের ২৫ আগস্ট পতাকা নেড়ে রওনা করান। ইঞ্জিনটা ১০.৩৮ মিটার লম্বা, ওজন ৫০ টন।

হেরিটেজ ডিরেক্টরেট বলছে শুধু বিশেষভাবে সাজানো বাষ্পীয় ইঞ্জিনই র্যাকে চলতে পারে, আর ফিবিস বলছে ডিজেল ইঞ্জিন ট্রেন টানতে পারে শুধু কুনুর আর উটির মধ্যে। ১৯১৯ সালে বানানো একটা নীলগিরি কোচ নিয়ে ন্যাশনাল রেল মিউজিয়ামের বিবরণ বলছে, কোচগুলোতে এখনও হাতে চালানো যান্ত্রিক ব্রেক ব্যবহার হয়, প্রতি কোচে একজন করে ব্রেকম্যান।

ইউনেস্কো তালিকায় লাইনটা কীভাবে এল

২০২৪ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত ভারতের ইউনেস্কো স্থানগুলো নিয়ে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর একটা নথিতে ভারতের পার্বত্য রেলপথের তালিকাভুক্তির বছর দেওয়া ১৯৯৯, ২০০৫ আর ২০০৮। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে এসেছিল প্রথমে, ১৯৯৯ সালে। নীলগিরি লাইন যোগ হয় ২০০৫ সালে, আর কালকা শিমলা রেলওয়ে ২০০৮ সালে।

২০০৫ সালের ১৫ জুলাইয়ের ইউনেস্কো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বলছে, দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে বসা বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি সেদিন ছয়টা বিদ্যমান স্থান সম্প্রসারিত করে, তার একটা ভারতের পার্বত্য রেলপথ। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর নথি যোগ করেছে, তিনটে রেলপথই এখনও পুরোপুরি চালু।

২০২৬ সালের ট্রেন ও সময়সূচি

কার্লি টেলসের ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির ভাড়া সংশোধনের প্রতিবেদন অনুযায়ী দক্ষিণ রেল দিনে প্রায় আটটা নিয়মিত ট্রিপ চালায়। ডিটি নেক্সট ২০২৬ সালের ৮ মার্চ জানিয়েছিল, নিয়মিত ট্রেন সাধারণত মেট্টুপালায়ম ছাড়ে সকাল ৭টা ১০-এ আর উটি পৌঁছায় দুপুর নাগাদ। হেরিটেজ ডিরেক্টরেটের একটা তারিখহীন পাতা বলছে, মেট্টুপালায়ম আর কুনুরের মধ্যে র্যাক অংশে প্রতি দিকে একটাই ট্রেন চলে, সময় এমন করে ঠিক করা যাতে চেন্নাই থেকে আসা নীলগিরি এক্সপ্রেসের সঙ্গে যোগ মেলে।

ডিটি নেক্সট অনুযায়ী ২০২৬ সালে একটা গ্রীষ্মকালীন বিশেষ ট্রেনও চলেছে, ২৭ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত। মেট্টুপালায়ম থেকে উটির ট্রেন চলত শুক্র আর রবিবার, ছাড়ত সকাল ৯টা ১০-এ, পৌঁছাত দুপুর ২টা ২৫-এ। ফেরার ট্রেন চলত শনি আর সোমবার, উটি থেকে ছাড়ত সকাল ১১টা ২৫-এ, পৌঁছাত বিকেল ৪টা ২০-এ। কর্মকর্তারা বলেছিলেন, চাহিদা প্রচণ্ড হওয়ায় অনেক যাত্রী টিকিট পাননি। বিশেষ ট্রেনটা এ বছরের মতো শেষ হয়েছে, ২০২৭ সালে তা ফিরবে কি না, সেটা ঘোষণা করার দায়িত্ব দক্ষিণ রেলের।

একটা সাধারণ দিনের ট্রেন কীসে চলে, তা নিয়ে প্রতিবেদনগুলোর মিল নেই। হেরিটেজ ডিরেক্টরেট র্যাকে বাষ্পের কথা বলে, আর দ্য নিউজ মিনিট ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে জানিয়েছিল লাইনটা সাধারণত ডিজেলে চলে আর বাষ্প ব্যবহার হয় কদাচিৎ। আমরা কোনো বর্তমান সরকারি বিবৃতি খুলতে পারিনি, তাই বাষ্প আপনার কাছে জরুরি হলে দক্ষিণ রেলকে জিজ্ঞাসা করুন। খোঁজার সময় স্টেশন কোড উটির জন্য UAM আর কুনুরের জন্য ONR।

ভাড়া, বুকিং আর বাতিল

নিচের ব্যবহারিক খুঁটিনাটি আমরা ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর দক্ষিণ রেলের ঘোষণা নিয়ে সংবাদ প্রতিবেদনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছি। দক্ষিণ রেলের নিজস্ব পাতা আর আইআরসিটিসির বুকিং পাতা আমাদের কাছে খোলেনি, তাই যাওয়ার আগে দুটোর সঙ্গেই মিলিয়ে নিন।

কার্লি টেলস জানিয়েছে, দক্ষিণ রেল ২০২৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, শনিবার থেকে নিয়মিত ট্রেনের মূল ভাড়া ৫ শতাংশ বাড়িয়েছে। বিশেষ ট্রেন আর চার্টার সার্ভিস এর আওতায় পড়েনি, রিজার্ভেশন চার্জ বদলায়নি। প্রতিবেদন বলছে, নিয়মিত ভাড়া ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারির পর বদলায়নি, আর মেট্টুপালায়ম আর কুনুরের মধ্যে ট্রেন টানার (হলেজ) চার্জ বেড়েছে ২০০ শতাংশেরও বেশি। কার্লি টেলস দ্বিতীয় শ্রেণির ভাড়া উদ্ধৃত করেছে মেট্টুপালায়ম থেকে কুনুর ২০০ টাকা আর কুনুর থেকে উটি ১৬০ টাকা। সরকারি ভাড়ার তালিকা আমরা পাইনি, তাই এগুলোকে ইঙ্গিত হিসেবে ধরুন আর বুকিংয়ের সময় যে ভাড়া দেখাচ্ছে তা মিলিয়ে নিন।

অনমনোরমার ২০২৫ সালের গাইড বলছে, টিকিট কেনা যায় ভারতীয় রেলের ওয়েবসাইটে বা যে স্টেশন থেকে উঠবেন সেখানে, আর কাউন্টারে এক ঘণ্টা আগে পৌঁছাতে পরামর্শ দেয়। ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতীয় রেল অগ্রিম রিজার্ভেশন সীমিত করেছে ভ্রমণের তারিখের ৬০ দিন আগে পর্যন্ত, কয়েকটা দিনের বেলার এক্সপ্রেস আর বিদেশি পর্যটকদের জন্য ছাড় রেখে, যাঁদের জন্য থাকে ৩৬৫ দিন। কোনো নির্দিষ্ট নীলগিরি ট্রেন সাধারণ নিয়ম মানে কি না, তা বুকিংয়ের পাতায় দেখানো থাকে।

আবহাওয়া ট্রেন বাতিল করায়। অনমনোরমা জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ২ জানুয়ারি ধসের পর সালেম ডিভিশন কুনুর আর উদগমণ্ডলমের মধ্যে সব পরিষেবা বাতিল করে, আর সেদিন কুনুরে বৃষ্টি হয়েছিল ২১৫ মিলিমিটার।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. PIB: UNESCO World Heritage Sites in India, Mountain Railways of India entry (July 2024)
  2. UNESCO World Heritage Centre: 17 cultural sites inscribed, extensions include Mountain Railways of India (15 July 2005)
  3. Heritage Directorate, Indian Railways: From track to incline, the one-of-a-kind Nilgiri Mountain Railway
  4. National Rail Museum on Google Arts & Culture: Geared to overcome Asia's steepest climbs (X-37385 and a Nilgiri coach)
  5. Google Arts & Culture: Nilgiri Mountain Railway, station masters at Hillgrove and Udhagamandalam
  6. Indian Railways Fan Club: The Nilgiri Railway (1908 district gazetteer account)
  7. Indian Railways Fan Club: The Nilgiri Mountain Railway (Indian Steam Railway Society article)
  8. Indian Railways Fan Club: Steam in history, the Nilgiri rack locomotives (X class)
  9. FIBIS wiki: Nilgiri Mountain Railway (dates, company and engineer records)
  10. Deccan Chronicle: Plea for Swiss steam loco in Nilgiri Mountain Railway (11 September 2019)
  11. RailPost: New steam locomotive for Nilgiri Mountain Railway reaches Mettupalayam (6 September 2021)
  12. The News Minute: Ooty heritage train resumes service after landslides (10 December 2019)
  13. Curly Tales: Nilgiri Mountain Railway fare increased from February 21 (updated 22 February 2026)
  14. DT Next: Summer special Nilgiri Mountain Railway between Mettupalayam and Ooty from March 27 (8 March 2026)
  15. Onmanorama: Ooty to Mettupalayam summer special toy train service, how to book (11 March 2025)
  16. Onmanorama: Indian Railways advance reservation period cut from 120 to 60 days (17 October 2024)
  17. Onmanorama: Nilgiri Mountain Railway services cancelled after rain and landslips (2 January 2026)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#nilgiri mountain railway#ooty#mettupalayam#tamil nadu#unesco world heritage#rack railway#steam locomotives#indian railways

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: ভ্রমণ
৯৬ কিলোমিটারের কালকা-শিমলা রেলপথ ২ ফুট ৬ ইঞ্চি চওড়া লাইনে ১,৪০০ মিটারের বেশি উঠে যায়, আর এর সুড়ঙ্গ ও সেতুর হিসাব উৎস ভেদে আলাদা
শিমলার খেলনা ট্রেন নিয়ে সার্চ ফলাফলে ১০৩টি সুড়ঙ্গ আর ৮০০-র বেশি সেতুর কথা লেখা থাকে। ইউনেস্কোর উপদেষ্টারা, হিমাচল সরকারের একটা পাতা আর গুগল আর্টসের একটা রেলগল্প, প্রত্যেকে দিয়েছে আলাদা যোগফল, আর এ বছরের বর্ষার ক্ষতিতে নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ সার্ভিস বন্ধ।
নালন্দা হাজার হাজার ভিক্ষুর ভরণপোষণ চালাত দান করা গ্রামের রাজস্বে, আর ১২৩৫ সালেও সেখানে ক্লাস চলতে দেখেছিলেন এক তিব্বতি তীর্থযাত্রী
একটি মঠের মেঝের নিচে খুঁজে পাওয়া একটি মুদ্রা, বিহার নামের একটি দুর্গ নিয়ে একটি ফার্সি ইতিবৃত্ত আর এক তিব্বতি ভিক্ষুর জীবনী, নালন্দা কবে শুরু হয়েছিল আর কীভাবে শেষ হয়েছিল তার প্রধান প্রমাণ এগুলোই।
স্যার জন মার্শাল ১৯১৩ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত তক্ষশিলা খুঁড়ে তিনটি নগর পেয়েছেন কিন্তু কোনো বক্তৃতাকক্ষ পাননি, আর জাতকে আছে এক রাজপুত্র ১,০০০ মুদ্রার শিক্ষকের ফি নিয়ে পৌঁছাচ্ছেন
একটি জাতকে বেনারসের রাজা তাঁর ষোলো বছরের ছেলেকে শিক্ষকের জন্য একটি থলি দিয়ে তক্ষশিলায় পাঠান। আলতেকর আর স্থানটি নিয়ে ব্রিটানিকার ভুক্তি, দুজনেই বলেন তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য আধুনিক অর্থে কোনো কলেজ সেখানে ছিল না।
← সব লেখা