Skip to content
২০২৬ সালের ২৪ অক্টোবর দুটি নতুন রেলপথ চালু হয়েছে, সাতনা থেকে দেবেন্দ্রনগর ৫৩ কিমি আর রেওয়া থেকে সিধি জেলার চুরহাট ৬৫ কিমি, সঙ্গে ৩.৩৩ কিমির একটি সুড়ঙ্গ
আধুনিক ভারত

২০২৬ সালের ২৪ অক্টোবর দুটি নতুন রেলপথ চালু হয়েছে, সাতনা থেকে দেবেন্দ্রনগর ৫৩ কিমি আর রেওয়া থেকে সিধি জেলার চুরহাট ৬৫ কিমি, সঙ্গে ৩.৩৩ কিমির একটি সুড়ঙ্গ

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

২০২৬ সালের ২৪ অক্টোবর রেলমন্ত্রী আর মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ললিতপুর-সিংরৌলি প্রকল্পের ১১৮ কিমি নতুন লাইন উদ্বোধন করেছেন এবং দেবেন্দ্রনগর থেকে চুরহাট পর্যন্ত একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের যাত্রা শুরু করিয়েছেন। রেওয়া থেকে চুরহাট অংশটি পাহাড়ি এলাকা পেরিয়ে সিধি জেলায় ট্রেন পৌঁছে দেয়, পথে আছে ৩.৩৩ কিমির একটি সুড়ঙ্গ।

· · 4 মিনিটের পাঠ

২০২৬ সালের ২৪ অক্টোবর, শনিবার, পূর্ব মধ্যপ্রদেশে নতুন রেললাইনের দুটি সম্পূর্ণ অংশ চালু হয়েছে: সাতনা থেকে দেবেন্দ্রনগর ৫৩ কিমি আর রেওয়া থেকে চুরহাট ৬৫ কিমি, মোট ১১৮ কিমি। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অংশ দুটি উদ্বোধন করেছেন, আর একই দিনে দেবেন্দ্রনগর ও চুরহাটের মধ্যে একটি নতুন যাত্রীবাহী ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়েছে, সরকারি সম্প্রচারকের সংবাদ পরিষেবা নিউজ অন এআইআরের তথ্য অনুযায়ী।

দুটি অংশই ললিতপুর-সিংরৌলি প্রকল্পের অংশ, যা উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশ জুড়ে ৫৪১ কিমির একটি নতুন লাইন। চুরহাট সিধি জেলায়, আর রেওয়া থেকে চুরহাট অংশটিই সেখানে ট্রেন পৌঁছে দেয়।

কী চালু হলো, আর খরচ কত

অংশ দুটি হলো সাতনা থেকে দেবেন্দ্রনগর লাইন (৫৩ কিমি) আর রেওয়া থেকে চুরহাট লাইন (৬৫ কিমি)। স্বরাজ্য, মেরিটাইম গেটওয়ে আর রেইলিনিউজ খরচ দিয়েছে প্রথমটির জন্য প্রায় ₹৮৭৩ কোটি আর দ্বিতীয়টির জন্য প্রায় ₹১,০৭০ কোটি, অর্থাৎ মোট প্রায় ₹১,৯৪৩ কোটি। (এক কোটি টাকা মানে ১০ মিলিয়ন টাকা।) নিউজ অন এআইআর আরও গোল সংখ্যা দিয়েছে, “₹৮০০ কোটির বেশি” আর “₹১,০০০ কোটির বেশি”, যা ওই সংখ্যাগুলোর সঙ্গে মেলে। এই প্রতিবেদনগুলোর কোনোটিই সঠিক খরচের জন্য রেল মন্ত্রকের কোনো নথির উল্লেখ করেনি, তাই এগুলো জানানো সংখ্যা।

মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, গোটা প্রকল্প সাতটি জেলার রেল যোগাযোগ উন্নত করবে: ললিতপুর, ছত্তরপুর, পান্না, সাতনা, রেওয়া, সিধি ও সিংরৌলি। স্বরাজ্যের তথ্য অনুযায়ী অনুষ্ঠান হয়েছে নাগোদ ও চুরহাট স্টেশনে, আর রেলমন্ত্রী নয়াদিল্লি থেকে ভিডিওর মাধ্যমে যোগ দিয়েছেন।

যে শেষ টুকরোগুলো প্রতিটি লাইন সম্পূর্ণ করেছে

প্রতিটি অংশের শেষ টুকরো লাইন পাতা হয়ে গেলে তাকে সম্পূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। রেওয়া থেকে চুরহাট অংশে সেটি ছিল রামপুর নাইকিন ও চুরহাটের মধ্যে ২২.৫ কিমি। সাতনা থেকে দেবেন্দ্রনগর অংশে সেটি ছিল ফুলওয়ারি ও দেবেন্দ্রনগরের মধ্যে ৮ কিমি। স্বরাজ্য, মেরিটাইম গেটওয়ে আর কাশ্মীর ডেসপ্যাচ, তিনটিই এই দুই দৈর্ঘ্য একই কথায় জানিয়েছে।

পাহাড়ের ভেতর দিয়ে চুরহাটে

রেওয়া থেকে চুরহাটের পথ পাহাড়ি জমির ওপর দিয়ে গেছে, আর প্রতিবেদনগুলো প্রধান কাজের মধ্যে সেতু ও ৩.৩৩ কিমির একটি সুড়ঙ্গের কথা বলেছে (রেইলিনিউজ, মেরিটাইম গেটওয়ে আর স্বরাজ্যের উদ্বোধনের আগের প্রতিবেদন)। কোনোটিই সুড়ঙ্গটির নাম বলেনি।

দ্য হিতবাদার ২০২১ সালের একটি প্রতিবেদনে রেওয়া থেকে সিধি অংশে গোবিন্দগড় ও বাগওয়ার স্টেশনের মধ্যে ৩,৩৩৮ মিটারের একটি একক লাইনের ব্রডগেজ সুড়ঙ্গের বিবরণ আছে, যা রেওয়া ও সিধি জেলার সীমানায় চুহিয়া ঘাটির পাহাড় কেটে গেছে। পশ্চিম মধ্য রেলওয়ে সেটি বানাচ্ছিল, ভোপালের মৌলানা আজাদ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির কারিগরি সহায়তায়, আর কাজ একসঙ্গে দুই মুখ থেকে শুরু হয়েছিল। দৈর্ঘ্য ২০২৬ সালের প্রতিবেদনগুলোর ৩.৩৩ কিমির সঙ্গে মেলে, কিন্তু কোনো প্রতিবেদন বলেনি যে এ দুটি একই সুড়ঙ্গ।

নতুন লাইনের ট্রেন

নতুন পরিষেবাটি দেবেন্দ্রনগর থেকে চুরহাট পর্যন্ত একটি যাত্রীবাহী ট্রেন, ফিরতি যাত্রাসহ, আইএএনএস সংবাদসংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী নাগোদ ও চুরহাট স্টেশন থেকে যার যাত্রা শুরু হয়েছে। স্বরাজ্য বলেছে, সাতনা ও রেওয়া হয়ে ট্রেনটি দেবেন্দ্রনগর ও চুরহাটকে জুড়েছে। প্রতিবেদনগুলোয় ট্রেন নম্বর, সময়সূচি বা কত দিন পর পর চলবে তা নেই, তাই এখানে সেগুলো বাদ রাখা হলো।

সেদিনের নিউজ অন এআইআর প্রতিবেদনে রেলমন্ত্রীর কথা আছে নতুন সংযোগ কী বোঝায় তা নিয়ে: বিন্ধ্য ও বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের জন্য একটি নতুন প্রাণরেখা। কাশ্মীর ডেসপ্যাচ তাঁকে একই ভাষায় উদ্ধৃত করেছে। তিনি আরও বলেছেন, চলমান প্রকল্পগুলো শেষ হলে আগামী বছরগুলোয় মধ্যপ্রদেশে ১০০টির বেশি দূরপাল্লার ট্রেন আর মেমু ও ইন্টারসিটিসহ ৫০ থেকে ৬০টি স্বল্পদূরত্বের পরিষেবা চলতে পারে। মেমু হলো স্থানীয় যাতায়াতের জন্য স্বল্পদূরত্বের বৈদ্যুতিক ট্রেন।

লাইনটি কী বহন করবে বলে মন্ত্রক আশা করছে

সিধি জেলার মানুষের জন্য, আইএএনএসের প্রতিবেদন বলছে, রেওয়া থেকে চুরহাট অংশটি রেওয়ায় রেলযোগাযোগ ভালো করে, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা ও পরিবহনের আঞ্চলিক কেন্দ্র। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, এতে কৃষকদের বাজারে পৌঁছনোও সহজ হবে।

স্বরাজ্যের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেল মন্ত্রক আশা করছে অংশগুলো সিমেন্ট ও খনিজ শিল্পের পণ্য পরিবহনে সাহায্য করবে, কৃষক ও গ্রামীণ ব্যবসায়ীদের বাজারে পৌঁছনো সহজ করবে এবং পান্না, খাজুরাহো ও রেওয়ায় আরও পর্যটক আনবে। মেরিটাইম গেটওয়ে সম্ভাব্য পণ্য হিসেবে সিমেন্ট, ক্লিঙ্কার ও চুনাপাথরের নাম করেছে, বাড়তি পরিমাণের কোনো সংখ্যা দেয়নি। স্বরাজ্যের মতে অংশগুলো সড়কপথে মালপরিবহনের চাপও কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। খাজুরাহো যাঁরা যাবেন, শহরটির রেলযোগাযোগের বিবরণ পাবেন খাজুরাহোর ভ্রমণ নির্দেশিকায়, আর রাজ্যের বৃহত্তর পরিচয় আছে এক নজরে মধ্যপ্রদেশ লেখায়।

বৃহত্তর কর্মসূচি

রেলমন্ত্রী বলেছেন, মধ্যপ্রদেশে প্রায় ₹১ লক্ষ কোটি মূল্যের রেল প্রকল্প চলছে, যার মধ্যে নতুন লাইন, লাইন দ্বিগুণ করা, তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন এবং গেজ পরিবর্তন রয়েছে, নিউজ অন এআইআর ও স্বরাজ্যের তথ্য অনুযায়ী। অন্য প্রতিবেদনে মোট সংখ্যা আলাদা। স্বরাজ্যের উদ্বোধনের আগের প্রতিবেদন বাস্তবায়নাধীন প্রায় ₹১.১৮ লক্ষ কোটি আর ২০২৬-২৭ সালে রাজ্যের জন্য ₹১৫,১৮৮ কোটির রেল বরাদ্দের কথা বলেছে, আর আইএএনএসের প্রতিবেদনে মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদিত প্রায় ₹১.১৫ লক্ষ কোটির কথা বলেছেন। তিনটি সংখ্যা আলাদা আলাদা জিনিস গোনে, আর প্রতিবেদনগুলো সেগুলো মেলায়নি।

বক্তব্যে রেলমন্ত্রী পাম্বান সেতুর কথাও তুলেছেন (পাম্বান সেতুর লেখা দেখুন) এবং শ্রীনগরের সংযোগের কথা, যার নিজস্ব বিবরণ আছে চেনাব সেতুর লেখায়।

মেরিটাইম গেটওয়ে লিখেছে, ললিতপুর-সিংরৌলি কর্মসূচি এখনো সম্পূর্ণ হয়নি; এই দুটি অংশ তার অংশ।

যে দাবি এই লেখা পুনরাবৃত্তি করছে না

উদ্বোধনের আগের ও সেদিনের কয়েকটি প্রতিবেদন, যার মধ্যে স্বরাজ্য, ইন্ডিয়ান মাস্টারমাইন্ডস আর হেলোরেইল আছে, বলেছে রেওয়া-চুরহাট লাইন স্বাধীনতার পর প্রথমবার সিধি জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে জুড়েছে। কোনোটিই এর জন্য সরকারি সূত্রের কথা বলেনি। রেল মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি এই লেখার হাতে ছিল না, আর নিউজ অন এআইআরের প্রতিবেদন, আইএএনএসের সংবাদ এবং মেরিটাইম গেটওয়ের প্রতিবেদন দাবিটি করেনি। মন্ত্রকের নিজের ভাষা যাচাই করা না যাওয়া পর্যন্ত এটিকে তথ্য হিসেবে বাদ রাখা হয়েছে। ওপরের সব বিবরণ ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত যেমন জানানো হয়েছে, তেমন।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. News On AIR: Railway Minister Ashwini Vaishnaw inaugurates two rail sections in MP (24 October 2026)
  2. News On AIR: Railways Minister to inaugurate new rail sections spanning over 100 km (24 October 2026)
  3. Swarajya: Madhya Pradesh gets 118 km of new rail connectivity as Vaishnaw, Yadav inaugurate two sections (25 October 2026)
  4. Swarajya: Madhya Pradesh to get 118 km of new railway lines today (24 October 2026)
  5. Maritime Gateway: Madhya Pradesh rail expansion opens 118 km of lines, strengthens Vindhya freight links (26 October 2026)
  6. Raillynews: India opens two new 118 kilometre railway lines (October 2026)
  7. IANS via Sentinel Assam: New rail links to boost connectivity, economic activity in Vindhya region, CM Yadav (25 October 2026)
  8. Kashmir Despatch: Satna-Devendranagar and Rewa-Churhat sections inaugurated (October 2026)
  9. Indian Masterminds: Sidhi railway connectivity, new rail sections in Madhya Pradesh (24 October 2026)
  10. HelloRail: Sidhi joins rail network, Rewa-Churhat line opens (24 October 2026)
  11. The Hitavada: Construction of State's longest railway tunnel commences (21 October 2021)

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#lalitpur singrauli rail line#rewa churhat#satna devendranagar#sidhi district#madhya pradesh railways#indian railways#vindhya region

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: আধুনিক ভারত
দু'দিনে ফ্ল্যাগ অফ হল দুটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবর বারাণসী থেকে নয়াদিল্লি আর ১ নভেম্বর বেঙ্গালুরু থেকে মুম্বই, ভারতে তৈরি রাতের ট্রেনসেট পৌঁছল তিনটি রুটে
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বেঙ্গালুরুতে বিইএমএল যে স্লিপার ট্রেনসেট উন্মোচন করেছিল, তার এখন তিনটি করিডরে রাতের সময়সূচি। মন্ত্রকের নিজের সময়, স্টেশন আর ৮২৩ জনের বিন্যাস, সংবাদের ভিন্ন সংখ্যাগুলি আলাদা করে রেখে।
ভারতের প্রথম দেশি বুলেট ট্রেন, পরীক্ষায় ঘণ্টায় ২৮০ কিমির জন্য নির্ধারিত আট কোচের ২০২ মিটার দীর্ঘ সেট, বেঙ্গালুরুর বিইএমএলে আকার পাচ্ছে, তার কাঠামো এখন ১,৫০০ কিলোনিউটন পর্যন্ত চাপের স্কুইজ পরীক্ষায়
রেল মন্ত্রণালয় একে বলছে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন তৈরির পথে। কোচের খোলের ওপর কাঠামোগত পরীক্ষায় চাপ দেওয়া হচ্ছে, আর পরের ধাপ চালনা ব্যবস্থা, আবহাওয়ার পরীক্ষা আর লাইনে চালানো।
ভারতীয় রেল ২০২৬ সালের অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনে কয়লা বোঝাইয়ে রেকর্ড গড়েছে, গত বছরের চেয়ে ২২.৫ শতাংশ বেশি, আর সেপ্টেম্বরে বহন করেছে ১৩৫.৩৫ মিলিয়ন টন পণ্য
অক্টোবরে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার ট্রেন চলেছে এক বছর আগের চেয়ে দৈনিক ৮৭টি বেশি, আর সেপ্টেম্বরের মোট মাল আগের সেপ্টেম্বরকে ছাড়িয়ে গেছে ৭.৮৩ মিলিয়ন টনে। এই হল রেকর্ড, তার পেছনের চাহিদা আর পাশের মজুতের তথ্য।
← সব লেখা