Skip to content
জম্মু ও কাশ্মীরে আছে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেল খিলান সেতু, দশ বছরের ব্যবধানের পর ২০২৪ সালে নির্বাচিত ৯০ আসনের বিধানসভা, আর বছরে দুবার রাজধানী বদলানো এক সরকার
ভারতের শাসন ও রাজ্য

জম্মু ও কাশ্মীরে আছে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেল খিলান সেতু, দশ বছরের ব্যবধানের পর ২০২৪ সালে নির্বাচিত ৯০ আসনের বিধানসভা, আর বছরে দুবার রাজধানী বদলানো এক সরকার

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

জম্মু ও কাশ্মীরের চেনাব রেল সেতু নদীর ৩৫৯ মিটার ওপরে দাঁড়িয়ে, আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ৯০ আসনের বিধানসভা নির্বাচন করেছে, দশ বছরে প্রথম। ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর তাকে পুনর্গঠিত করা হয় আইনসভাসহ একটি অঞ্চল হিসেবে, ২০টি জেলা ও ২০১১ সালের জনগণনায় ১,২২,৬৭,০১৩ জন মানুষ নিয়ে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

জম্মু ও কাশ্মীরের চেনাব রেল সেতু নদীর ৩৫৯ মিটার ওপরে দাঁড়িয়ে, আর প্রেস ইনফর্মেশন ব্যুরো তাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেল খিলান সেতু বলেছে। প্রধানমন্ত্রী ২০২৫ সালের ৬ জুন সেই সেতু পেরিয়ে শ্রীনগরগামী প্রথম বন্দে ভারত ট্রেনগুলোর যাত্রা শুরু করান। সেতুটি এমন এক অঞ্চলে, যাকে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর পুনর্গঠিত করা হয়েছে আর যে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে এক দশকের মধ্যে তার প্রথম বিধানসভা নির্বাচন করেছে। নিচের জনগণনার অঙ্কগুলো ২০১১ সালের, সর্বশেষ প্রকাশিত, কারণ পরবর্তী জনগণনা এখনও চলছে।

২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর একটি রাজ্য কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হল

জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯ রাষ্ট্রপতির সম্মতি পায় ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট। তা প্রাক্তন রাজ্যটিকে দুই ভাগ করে। ৩ ধারা কার্গিল ও লেহ জেলাকে করেছে আইনসভা ছাড়া লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। ৪ ধারা বাকিটাকে করেছে জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, আইনসভাসহ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবরকে নথিভুক্ত করেছে সেই দিন হিসেবে, যেদিন দুটিই অস্তিত্বে এসেছে। আইনটির আগে ৫ ও ৬ আগস্ট ২০১৯-এর দুটি রাষ্ট্রপতির আদেশের কথা আছে ৩৭০ অনুচ্ছেদের সাত বছর নিয়ে আমাদের বিবরণে।

কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (ইউনিয়ন টেরিটরি, সংক্ষেপে ইউটি) এমন একটি এলাকা, যা কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি চালায়, রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা একজন প্রশাসকের মাধ্যমে। জম্মু ও কাশ্মীরে সেই প্রশাসক লেফটেন্যান্ট গভর্নর (এলজি)। আইনের ১৩ ধারা ২৩৯A অনুচ্ছেদ, যে অনুচ্ছেদ পুদুচেরিকে তার বিধানসভা দিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরেও প্রযোজ্য করেছে। আইনসভাসহ অন্য অঞ্চলগুলোর জন্য দেখুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর তুলনা নিয়ে আমাদের নির্দেশিকা।

২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সংবিধান বেঞ্চ, প্রধান বিচারপতি ডি. ওয়াই. চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে, ২০১৯ সালের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। লাইভল রায়টি উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিধানসভা নির্বাচন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আর যোগ করা হয়েছে, “পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা যত দ্রুত সম্ভব ফিরিয়ে দেওয়া হবে।” সুপ্রিম কোর্ট অবজারভার জানিয়েছে, একটি গোটা রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা ৩ অনুচ্ছেদে অনুমোদিত কি না, সংখ্যাগরিষ্ঠ তা স্থির করেনি। সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্য, যথাসময়ে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো হবে, তার উপর নির্ভর করে সংখ্যাগরিষ্ঠ সেই প্রশ্ন রেখে দিয়েছে এমন কোনো মামলার জন্য, যেখানে তা উঠবে।

নির্বাচিত ৯০ আসন, একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর আর কোনো উচ্চকক্ষ নেই

আইন বিধানসভাকে পাঁচ বছরের মেয়াদ দিয়েছে। তাতে আসন গোনা হয়েছে ১১৪টি, কিন্তু ১৪(৪) ধারা অনুযায়ী তার ২৪টি খালি থাকে যতদিন প্রাক্তন রাজ্যের যে এলাকাগুলো পাকিস্তানের দখলে, তা তেমনই থাকে, ফলে নির্বাচনে পূরণ হয় ৯০টি। সীমানা নির্ধারণ কমিশন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা দেশাইয়ের সভাপতিত্বে, ২০২২ সালের ৫ মে তার চূড়ান্ত আদেশে সই করে, জম্মু অঞ্চলকে ৪৩টি আর কাশ্মীর অঞ্চলকে ৪৭টি আসন দিয়ে। ২০২৩ সালের সংশোধনী আইন তফসিলি জাতির জন্য সাতটি আর তফসিলি উপজাতির জন্য নয়টি আসন ঠিক করেছে, আর দ্য উইক উপজাতি আসনগুলোকে অঞ্চলটির জন্য প্রথম বলে জানিয়েছিল। একই আইন এলজিকে কাশ্মীরি অভিবাসী সম্প্রদায় থেকে সর্বোচ্চ দুজন সদস্য মনোনীত করতে দেয়, তাঁদের একজন নারী, এবং প্রাক্তন রাজ্যের এখন পাকিস্তানের দখলে থাকা এলাকা থেকে উচ্ছেদ হওয়া মানুষদের জন্য একজন সদস্য। যেখানে নারীর প্রতিনিধিত্ব অপর্যাপ্ত, সেখানে সর্বোচ্চ দুজন মনোনীত নারীর পুরোনো বিধানটি রয়েছে।

নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতা একটি রাজ্যের চেয়ে সীমিত। ৩২ ধারা অনুযায়ী বিধানসভা রাজ্য ও যুগ্ম তালিকার বিষয়ে আইন করতে পারে, ১ ও ২ নম্বর বিষয়, জনশৃঙ্খলা ও পুলিশ, বাদে, আর সংসদের নিজের ক্ষমতা অটুট। মন্ত্রিপরিষদ বিধানসভার সদস্যসংখ্যার দশ শতাংশের বেশি হতে পারে না, মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন এলজি, আর পরিষদ যৌথভাবে বিধানসভার কাছে দায়বদ্ধ। ৫৩ ধারা বলছে, সর্বভারতীয় সেবা আর দুর্নীতি দমন ব্যুরো সংক্রান্ত বিষয়ে এলজি তাঁর নিজের বিবেচনায় কাজ করেন। অর্থ বিলে এলজির সুপারিশ লাগে, আর তিনি কোনো বিলে সম্মতি দিতে পারেন, সম্মতি আটকে রাখতে পারেন, বা তা রাষ্ট্রপতির জন্য সংরক্ষণ করতে পারেন। প্রাক্তন রাজ্যের উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদ ৫৭ ধারায় তুলে দেওয়া হয়েছে, যেমন কোন কোন রাজ্যে দুটি কক্ষ নিয়ে আমাদের লেখা জানিয়েছে।

সংসদে অঞ্চলটির লোকসভা আসন পাঁচটি আর রাজ্যসভা আসন চারটি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক অনুযায়ী তার জেলা ২০টি, ৪২,২৪১ বর্গকিলোমিটার জুড়ে, দুটি অঞ্চলে: কাশ্মীর উপত্যকা ও জম্মু অঞ্চল। কাশ্মীরি, ডোগরি, উর্দু, হিন্দি ও ইংরেজি তার সরকারি ভাষা। জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের হাইকোর্ট আইনের ৭৫ ধারা অনুযায়ী দুটি অঞ্চলেরই সেবা করে।

২০২৪ সালের নির্বাচন হয়েছে তিন দফায়, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২৫ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর, আর ফল এসেছে ৮ অক্টোবর। স্ক্রল একে বর্ণনা করেছিল দশ বছরে প্রথম বলে।

কেন্দ্রীয় অনুদানের উপর নির্ভর করা ২.৮৬ লক্ষ কোটি টাকার অর্থনীতি

অঞ্চলটির অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় পেশ হয়েছে, অগ্রিম অনুমান অনুযায়ী ২০২৫-২৬ সালের জন্য নামমাত্র মোট রাজ্য অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিএসডিপি, এক বছরে উৎপন্ন পণ্য ও সেবার মূল্য) ধরেছে প্রায় ২.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা, বাস্তব প্রবৃদ্ধি ৫.৮২ শতাংশ। এক লক্ষ কোটি মানে এক ট্রিলিয়ন টাকা। সেবা জোগায় মূল্য সংযোজনের ৬১.০২ শতাংশ, শিল্প ১৮.৫২ শতাংশ আর প্রাথমিক খাত ২০.৪৫ শতাংশ, যদিও কৃষি ও সংশ্লিষ্ট কাজ কর্মশক্তির ৪২.৯৯ শতাংশকে কাজ দেয়।

মাথাপিছু আয় অনুমিত ১,৬৮,২৪৩ টাকা, ভারতের ২,১৯,৫৭৫ টাকার বিপরীতে। গ্রেটার কাশ্মীর, সমীক্ষা পড়ে, জানিয়েছে যে ২০১৯-২০ থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত তা বছরে ৮.৮১ শতাংশ হারে বেড়েছে, হরিয়ানার ৮.৭২ শতাংশ, পাঞ্জাবের ৭.৪৬ শতাংশ ও দিল্লির ৬.৭৪ শতাংশের আগে।

২০২৬-২৭ সালের বাজেট, পেশ হয়েছে ২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, জিএসডিপি ধরেছে ৩,১৫,৮২২ কোটি টাকা। পিআরএস বলছে, ৫৮,২১৮ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় অনুদান রাজস্ব প্রাপ্তির ৬৫ শতাংশ, আর অঞ্চলটি নিজে তোলে ৩১,৮০০ কোটি টাকা। বাজেট রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্য রেখেছে জিএসডিপির ৪.৬ শতাংশ, আর ২০২৪-২৫ সালের শেষে বকেয়া দায় ছিল জিএসডিপির ৪৮ শতাংশ।

আপেল সবচেয়ে পরিচিত ফসল। কৃষি উৎপাদন মন্ত্রী ২০২৫ সালের মার্চে বিধানসভাকে জানিয়েছিলেন, উৎপাদন ২০২২-২৩ সালে ২০.৪০ লক্ষ টন, ২০২৩-২৪ সালে ২০.৬৪ লক্ষ আর ২০২৪-২৫ সালে ২০.৫৬ লক্ষ। বাজেট আবহাওয়া-ভিত্তিক ফসল বিমা প্রকল্প আপেল ও জাফরানে বাড়িয়েছে।

পর্যটন দুদিকেই দুলেছে। পর্যটন মন্ত্রক লোকসভাকে জানিয়েছে, দেশীয় পর্যটকের সংখ্যা ২০২১ সালের ১১৩.১৫ লক্ষ থেকে বেড়ে ২০২৪ সালে ২৩০.১৩ লক্ষ হয়েছে, তারপর ২০২৫ সালে কমে হয়েছে ১৭৭.২৯ লক্ষ। মন্ত্রক পতনের কোনো কারণ জানায়নি, আর বিদেশি পর্যটক ০.৬৫ লক্ষ থেকে নেমেছে ০.৩৬ লক্ষে।

দুই রাজধানী, দুই ঋতু

জম্মু ও কাশ্মীরের সরকার বছরে দুবার তার আসন বদলায়। দ্য লিফলেট দরবার মুভ বর্ণনা করেছে: অক্টোবরের শেষ নাগাদ সিভিল সচিবালয় ও বেশির ভাগ দপ্তর শ্রীনগর থেকে জম্মুতে যায়, নভেম্বর থেকে এপ্রিল সেখানে কাজ করে, আর এপ্রিলের শেষে ফিরে আসে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে শ্রীনগরে খোলে। দ্য লিফলেট আনুষ্ঠানিক রীতির তারিখ দিয়েছে ১৮৭২ সালে, মহারাজা রণবীর সিংয়ের আমলে। লেফটেন্যান্ট গভর্নরের দপ্তর ২০২১ সালের এপ্রিলে স্থানান্তর পিছিয়ে দিয়েছিল, কোভিডের বৃদ্ধি আর ইলেকট্রনিক দপ্তর চালুর কারণ দেখিয়ে, আর অল ইন্ডিয়া রেডিও জানিয়েছে চার বছর পর ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর তা আবার শুরু হয়েছে, ৩৯টি দপ্তর পুরোপুরি জম্মুতে সরে গেছে। খরচ দুই পক্ষেরই যুক্তি। অল ইন্ডিয়া রেডিও বলছে, বছরে ২০০ কোটি টাকা বাঁচাতে প্রথাটি বন্ধ করা হয়েছিল। দ্য লিফলেট লিখেছে, ২০১৯ সালের যে সরকারি অঙ্ক তারা উদ্ধৃত করেছে, যার মধ্যে কর্মচারীদের ভ্রমণ ভাতায় ১,৪৩৬.৮১ লক্ষ টাকা আছে, তা অনেক ছোট।

হাইকোর্ট একই পঞ্জিকা মেনে চলে। তার ইতিহাস-পাতা বলছে, মে থেকে অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ও প্রশাসনিক শাখা শ্রীনগরে বসেন, আর নভেম্বর থেকে এপ্রিল জম্মুতে, যদিও দুই শাখার আদালত-বিভাগ সারা বছর কাজ করে। পাতাটি আদালতের তারিখ দিয়েছে ১৯২৮ সালে।

চেনাব রেল সেতু অন্য ধরনের এক রেকর্ড। ২০২৬ সালের ২৯ এপ্রিলের একটি পিআইবি বিজ্ঞপ্তি তাকে, আঞ্জি সেতুর সঙ্গে, ২৭২ কিলোমিটারের উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুলা রেল সংযোগের মেরুদণ্ড বলেছে, আর জানিয়েছে কাটরা থেকে শ্রীনগর বন্দে ভারত পরিষেবা বাড়িয়ে জম্মু তাওয়ি থেকে চালানো হবে, মূল ৮টির জায়গায় ২০টি কোচ নিয়ে। চেনাব সেতু ও কাশ্মীর রেল সংযোগ নিয়ে আমাদের লেখা প্রযুক্তির অঙ্কগুলো দিয়েছে।

পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা আর জনগণনা আসছে

২০২৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বিধানসভা ভারত সরকারের কাছে অবিলম্বে ও জরুরি ভিত্তিতে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছে। ইউএনআই জানিয়েছে, তা কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে, বিজেপি ছাড়া প্রতিটি দলের সমর্থনে, আর প্রস্তাবে স্বায়ত্তশাসন ও বিশেষ মর্যাদার কথাও ছিল। মুখ্যমন্ত্রী সভাকে বলেছেন, পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর যে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট “যত দ্রুত সম্ভব” বলে দিয়েছিল, তার মানে দুই বছরের অপেক্ষা হতে পারে না। সময় নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান, সলিসিটর জেনারেল ২০২৩ সালে আদালতকে যেভাবে বলেছিলেন, যথাসময়ে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। রায় নির্বাচনের জন্য সময়সীমা বেঁধেছিল, পূর্ণ রাজ্যের জন্য বাঁধেনি।

জনসংখ্যার অঙ্কও বদলাবে। ২০১১ সালে গোনা ১,২২,৬৭,০১৩ জন বাসিন্দার মধ্যে কাশ্মীর উপত্যকায় ছিলেন ৬৮,৮৮,৪৭৫ জন আর জম্মু অঞ্চলে ৫৩,৭৮,৫৩৮ জন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের হিসাবে। ২০২৭ সালের জনগণনার জন্য প্রেস ইনফর্মেশন ব্যুরো জম্মু ও কাশ্মীরকে, লাদাখ এবং উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশের তুষারাবৃত এলাকার মতো, জনসংখ্যার নির্দেশক তারিখ দিয়েছে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর, শূন্য ঘণ্টা, অন্যত্র ব্যবহৃত ২০২৭ সালের ১ মার্চের তারিখের পাঁচ মাস আগে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. The Jammu and Kashmir Reorganisation Act, 2019 (Act 34 of 2019), Gazette of India Extraordinary, 9 August 2019 (copy hosted by the J&K High Court)
  2. The Jammu and Kashmir Reorganisation (Amendment) Act, 2023 (Act 35 of 2023), Gazette of India Extraordinary, 15 December 2023
  3. Ministry of Home Affairs: Jammu, Kashmir and Ladakh Affairs (formation, districts, area, 2011 population, official languages)
  4. LiveLaw: Restore statehood of Jammu and Kashmir soon, hold elections by September 2024, Supreme Court (11 December 2023)
  5. Supreme Court Observer: Abrogation of Article 370, judgement summary
  6. The Week (PTI), 5 May 2022: Delimitation panel signs final order for redrawing assembly seats in Jammu and Kashmir
  7. Scroll, 8 October 2024: Jammu and Kashmir election result
  8. Press Information Bureau, 29 April 2026: Railway Minister to flag off extended Srinagar-Jammu Vande Bharat (Chenab and Anji bridges, USBRL)
  9. PRS Legislative Research: Jammu and Kashmir Budget Analysis 2026-27
  10. ThePrint (PTI), 5 February 2026: J&K economy likely to grow at 5.82 pc in 2025-26, Economic Survey
  11. Greater Kashmir, 5 February 2026: J&K's per capita income growth at 8.8 per cent outpaces Punjab, Delhi, HP, Economic Survey
  12. Kashmir Life, 7 March 2025: Apple production in Jammu Kashmir hits 62 LMT in three years, Govt
  13. Kashmir Life, 20 July 2026: Tourist arrivals in Jammu Kashmir fall 23 per cent in 2025 after four years of growth, Parliament told
  14. High Court of Jammu & Kashmir and Ladakh: History of the High Court
  15. The Leaflet: Examining the history and significance of the Darbar Move in Jammu and Kashmir
  16. All India Radio News, 1 November 2025: J&K historic bi-annual Darbar Move resumes after 4-year gap
  17. Press Information Bureau, New India Samachar, 16 to 31 May 2026: Census 2027, phases and reference dates
  18. UNI, 28 September 2026: J&K Assembly passes resolution seeking restoration of statehood

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#jammu and kashmir#state profile#union territory#reorganisation act 2019#lieutenant governor#darbar move#chenab bridge#census 2027

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: ভারতের শাসন ও রাজ্য
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ২০২৩-২৪ সালে মাথাপিছু নিট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ছিল ২.৭৬ লক্ষ টাকা, জাতীয় গড়ের উপরে, ৮৩৬টি দ্বীপ জুড়ে, যার ৩১টিতে মানুষ থাকেন
চেন্নাই থেকে সমুদ্রপথে ১,৪১৫ কিলোমিটারে একটি অঞ্চল, চলে বিধানসভায় নয়, বিধিতে। ২০১১ সালের জনগণনা কী গুনেছে, উপজাতি সংরক্ষিত এলাকায় কারা ঢুকতে পারেন, রাজধানী কীভাবে নতুন নাম পেল, আর গ্রেট নিকোবরের মামলাগুলো কোথায় দাঁড়িয়ে।
চণ্ডীগড়ের ক্যাপিটল কমপ্লেক্স ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় যুক্ত হয়েছে, শহরটি একই সঙ্গে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং পাঞ্জাব ও হরিয়ানার যৌথ রাজধানী, সাক্ষরতা ৮৬ শতাংশ আর মাথাপিছু আয় ৪.৫৩ লক্ষ টাকা
১৯৪৮ সালে বেছে নেওয়া জায়গা থেকে একটি লোকসভা আসন ও কোনো বিধানসভা ছাড়া অঞ্চল পর্যন্ত, দুটি রাজ্যের ভাগ করা শহরটি নিয়ে নথিভুক্ত তথ্য, তার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিটি পক্ষের অবস্থান উল্লেখ করে।
দিউয়ের দিনের বেলার সব বিদ্যুতের চাহিদা সৌরশক্তিতে মেটে, বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ২০২৫ সালে, এমন এক অঞ্চলে যা ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে গড়া
১৭৭৯ সালের চুক্তি ও হেগে ১৯৬০ সালের রায় থেকে এমন এক দ্বীপ পর্যন্ত, যার গ্রিড দিনের বেলা নিজের সৌর পার্কে চলে, ৬০৩ বর্গকিলোমিটারের একটি অঞ্চল কীভাবে কেন্দ্র থেকে চালানো হয়।
← সব লেখা