ছবি: Ssriram mt / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (ছাঁটা)
বাংলা
পল্লব রাজা রাজসিংহ কাঞ্চীপুরমের কৈলাসনাথর মন্দির বানিয়েছিলেন আনুমানিক ৭০০ খ্রিস্টাব্দে, আর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ তাঁর রাজত্বকাল ধরে ৭০০ থেকে ২৮ খ্রিস্টাব্দ। মন্দিরের গ্র্যানাইট ভিত্তিতে বারো শ্লোকের একটি সংস্কৃত লিপি তাঁর নাম করেছে এবং মন্দিরটিকে বলেছে রাজসিংহ-পল্লবেশ্বর। পর্যটন মন্ত্রক ভেতরের প্রাচীরে ৫৮টি ছোট মন্দির গুনেছে।
তামিলনাড়ুর কাঞ্চীপুরমের কৈলাসনাথর মন্দির বানিয়েছিলেন পল্লব রাজা রাজসিংহ, আনুমানিক ৭০০ খ্রিস্টাব্দে, আর সে কথা মন্দির নিজেই বলে। কেন্দ্রীয় গর্ভগৃহের বাইরের দিকে গ্র্যানাইটের স্ল্যাব কেটে বারো শ্লোকের একটি সংস্কৃত লিপি ঘুরে গেছে। সেখানে রাজসিংহকে একটি শিব-মন্দিরের নির্মাতা বলা হয়েছে, যার নাম তিনি নিজের নামেই রেখেছিলেন রাজসিংহ-পল্লবেশ্বর।
এ বিবরণ সাউথ ইন্ডিয়ান ইনস্ক্রিপশনস-এর প্রথম খণ্ডের, যেখানে জার্মান পণ্ডিত হুল্টশ পাথরগুলির পাঠ সম্পাদনা করেছিলেন। তিনি গ্র্যানাইটের লিপিটিকে চমৎকার অবস্থায় সংরক্ষিত বলে জানিয়েছেন। প্রথম শ্লোক আর দ্বিতীয় শ্লোকের শুরুটা পড়ে আছে মেঝের নিচে আর পরবর্তী কালের একটি হলের দেয়ালের নিচে, তাই তাঁর সহকারী কিছুক্ষণের জন্য কয়েকটি স্ল্যাব তুলিয়ে প্রথম শ্লোকের বেশির ভাগটা নকল করেছিলেন।
গ্র্যানাইটে প্রতিষ্ঠাতার নাম
শ্লোকগুলি শুরু হয়েছে গঙ্গা নদীর উদ্দেশে এক আশীর্বাদ দিয়ে, তারপর পল্লব বংশের কুলপরিচয় দিয়েছে, যা ব্রহ্মা থেকে শুরু হয়ে অঙ্গিরা ঋষি, বৃহস্পতি, সংযু, ভরদ্বাজ, দ্রোণ আর দ্রোণের পুত্র অশ্বত্থামা হয়ে বংশের প্রতিষ্ঠাতা পল্লব পর্যন্ত গেছে। হুল্টশের অনুবাদে পরের ধাপ হলো পরমেশ্বর উগ্রদণ্ডের জন্ম, “রণরসিকের নগরের ধ্বংসকারী।” তাঁর পুত্র ছিলেন রাজসিংহ, যাঁর উপাধি ছিল অত্যন্তকাম, শ্রীভর আর রণজয়।
চার শ্লোকের দ্বিতীয় একটি লিপি ঘুরে গেছে মূল মন্দিরের সামনে দাঁড়ানো ছোট মন্দিরটির চারপাশে, যা এখন নরদেশ্বর নামে পরিচিত। তাতে বলা আছে, রাজসিংহের পুত্র এবং লোকাদিত্যের নাতি মহেন্দ্র নিজের নামে একটি শিব-মন্দির বানিয়েছিলেন বাবার মন্দিরের পাশে। হুল্টশ লোকাদিত্য আর উগ্রদণ্ডকে একই মানুষ বলে ধরেছেন, আর তিনি লক্ষ করেছেন যে ওই ভবনে মহেন্দ্রবর্মেশ্বর নামটি তিনবার খোদাই করা আছে।
সামনের প্রবেশপথের ডান দিকের কুলুঙ্গিগুলিতে একই আদি হরফে আরও লিপি রয়েছে। হুল্টশের মতে, এই কুলুঙ্গিগুলি এখন ইটের দেয়ালে জোড়া লাগানো হলেও প্রথমে আলাদা ছোট মন্দির হিসেবে ভাবা হয়েছিল। এর একটিতে, তৃতীয়টিতে, লেখা আছে যে নরসিংহবিষ্ণু বা কলকল নামের এক রাজার স্ত্রী রঙ্গপতাকা সেখানে একটি শিব-মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তামিলনাড়ু টেম্পলস প্রজেক্ট তাঁকে রাজসিংহের রানি বলেছে, আর স্বরাজ্য-র লেখক আর. গোপু ওই নামের এক রানিকে ছোট মন্দিরের সারিটির কৃতিত্ব দিয়েছেন।
যেখানে তারিখ মেলে না
হুল্টশ চালুক্য নথির সঙ্গে পল্লব রাজাদের মিলিয়ে প্রতিষ্ঠাতাদের সময় ঠিক করার চেষ্টা করেছিলেন, এবং তাঁর সাজানো ক্রম টিকলে প্রতিষ্ঠা পড়ে ৫৬৭ খ্রিস্টাব্দের আগে, “বলা যাক আনুমানিক ৫৫০।” পরবর্তী সূত্রগুলি সেটিকে তার প্রায় ১৫০ বছর পরে ধরেছে।
পর্যটন মন্ত্রকের ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া পাতায় বলা আছে, মন্দিরটি বানিয়েছিলেন দ্বিতীয় নরসিংহবর্মণ, যাঁকে রাজসিংহও বলা হয়, আনুমানিক ৭০০ খ্রিস্টাব্দে, আর তাঁর পুত্র তৃতীয় মহেন্দ্রবর্মণ তাতে সংযোজন করেছিলেন। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের মহাবলীপুরম পাতায় রাজসিংহের সময় ধরা হয়েছে ৭০০ থেকে ২৮ খ্রিস্টাব্দ। ২০২১ সালের মে মাসের একটি আইএএনএস প্রতিবেদনে দেওয়া আছে ৬৮৫ থেকে ৭০৫, আর তামিলনাড়ু টেম্পলস প্রজেক্ট দিয়েছে ৬৯৫ থেকে ৭২০। ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি এনসাইক্লোপিডিয়া রাজসিংহের রাজত্বকাল দিয়েছে ৭০০ থেকে ৭২৮। মন্দিরটি নিয়ে পদ্মা কৈমালের ২০২০ সালের বইয়ের প্রকাশকের বর্ণনায় শুধু বলা হয়েছে, এটি অষ্টম শতকের একটি স্থাপত্য-সমষ্টি।
কোন সময়সীমা ঠিক, সে প্রশ্ন যাই হোক, সর্বেক্ষণ রাজাকে একটি স্থাপত্যরীতির সঙ্গে বেঁধেছে। তাদের মহাবলীপুরম পাতায় বলা হয়েছে, কাঠামোগত স্থাপত্য, অর্থাৎ পাথর কেটে খাড়া করে তোলা মন্দির, পাথর খোদাই করে বের করা মন্দিরের বদলে, রাজসিংহের আমলে বড় আকারে শুরু হয়, যার চূড়ান্ত রূপ তীর-মন্দির, যার তিনটি মন্দিরের একটি ছোটটির নাম রাজসিংহেশ্বর। পল্লবদের কাহিনির পাথর-কাটা আর সমুদ্রতীরের দিকটি আছে পল্লবদের বন্দর মহাবলীপুরম লেখায়।
৫৮টি কুলুঙ্গি-মন্দির, নয়টি উপ-মন্দির আর ষোলো পাশের লিঙ্গ
ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার পাতা অনুযায়ী, চত্বরে আছে একটি বিমান (গর্ভগৃহের ওপরের চূড়া) যার স্তরে স্তরে খোদাই, খোদাই করা স্তম্ভওয়ালা হল, আর ভেতরের প্রাচীরে কুলুঙ্গিতে বসানো ৫৮টি ছোট শিব-মন্দির। ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি এনসাইক্লোপিডিয়াও ৫৮টি কুলুঙ্গি-মন্দির গুনেছে, যাতে শিব, পার্বতী আর স্কন্দের মূর্তি আছে, এবং বলেছে বেলেপাথরের ভবনটি সাজানো একটি প্রাচীরের ভেতরে দাঁড়িয়ে আছে। তামিলনাড়ু টেম্পলস প্রজেক্টও মোট ৫৮টিতে একমত।
কী ধরা হচ্ছে তার ওপর গণনা বদলায়। ই-সংস্কৃতি ভেতরের প্রাচীর বরাবর ৫৫টি ছোট মন্দির, চত্বরের সামনে আটটি ছোট মন্দির আর মূল মন্দিরের সঙ্গে জোড়া নয়টি উপ-মন্দিরের কথা বলেছে, যার সাতটি বাইরে থেকে দেখা যায়। গোপুও তেমনই নয়টি গুনেছেন, যার সবচেয়ে বড়টিতে প্রায় নয় ফুট উঁচু ভাস্কর্য আছে।
ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার কাঞ্চীপুরম পাতা অনুযায়ী, গর্ভগৃহে আছে ষোলো পাশের একটি কালো গ্র্যানাইটের লিঙ্গ। গোপু গর্ভগৃহের চারপাশে প্রদক্ষিণের একটি পথের বর্ণনা দিয়েছেন এবং বলেছেন, এই রীতির তামিল মন্দিরে এটিই প্রথম। ই-সংস্কৃতি বর্ণনা করেছে চার তলার একটি চূড়া, যার দেহ চৌকো আর মুকুট অষ্টভুজ।
দেয়ালে শিব দেখা দেন নানা রূপে। গোপু নাম করেছেন নৃত্যরত নটরাজের, ভিক্ষাটন রূপে ভ্রাম্যমাণ ভিক্ষুক শিবের, নদী ধারণ করা গঙ্গাধরের আর ত্রিপুরান্তকের, এবং গর্ভগৃহের দেয়ালে পাঁচটি বড় আখ্যানফলকের কথা লিখেছেন। তাঁর তালিকায় আছে স্তম্ভে লাফিয়ে ওঠা সিংহ আর প্রাচীরে যালি, সিংহের মতো পৌরাণিক জন্তু।
পদ্মা কৈমালের বই বিন্যাসটিকে একটি পথ হিসেবে পড়েছে। তাঁর প্রকাশকের বর্ণনায় বলা হয়েছে, চত্বরে ঘড়ির কাঁটার দিকে হাঁটলে মন সংসারের কাজে নিবিষ্ট হয়, আর উল্টো দিকে হাঁটলে বৈরাগ্যে, এবং উত্তরমুখী মূর্তিগুলি ছায়ায় থাকে আর দক্ষিণমুখীগুলি রোদে।
রাজকীয় উপাধির চারটি স্তর
বেষ্টনীর ভেতরে হুল্টশ রাজার উপাধি, যাকে তিনি বিরুদ, বলেছেন, পেয়েছিলেন চারটি স্তরে। তাঁর পাঠে তৃতীয় স্তরটিই মূল, প্রতিষ্ঠার লিপির মতো একই আদি বর্ণমালায় লেখা, তাই রাজসিংহের নিজের সময়ের। প্রথম আর দ্বিতীয় স্তর বংশধরদের করা পরবর্তী নকল, আর অলংকৃত বর্ণমালায় লেখা চতুর্থ স্তরটি কুড়ি নম্বর কুলুঙ্গি পর্যন্ত গিয়েই থেমেছে।
উপাধি কতগুলি, তা নির্ভর করে কে গুনছেন তার ওপর। হুল্টশ বলেছেন কয়েকশো। গোপু দিয়েছেন ২৪৪, ২০১৬ সালের একটি ডিটি নেক্সট প্রবন্ধ বলেছে ২৪০-এর বেশি, ই-সংস্কৃতি বলেছে প্রায় ২৫০, আর তামিলনাড়ু টেম্পলস প্রজেক্ট বলেছে ৩০০-র কাছাকাছি। গোপু কয়েকটির নাম করেছেন: অত্যন্তকাম, “অসীম কামনার মানুষ,” কলাসমুদ্র, “কলার সাগর,” আর বীণানারদ, অর্থাৎ বীণা হাতে নারদ। ই-সংস্কৃতি উপাধিগুলিকে পড়েছে এমন এক রাজার বর্ণনা হিসেবে, যিনি আগম (মন্দিরপূজার শাস্ত্র) নিয়ে নিবেদিত, মহাকাব্যের অনুরাগী এবং শৈব পথে অবিচল।
মন্দিরের সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া চালুক্য বিজেতা
কৈলাসনাথ মন্দিরের একটি কন্নড় লিপি, যা হুল্টশ এপিগ্রাফিয়া ইন্ডিকা পত্রিকার জন্য সম্পাদনা করেছিলেন, এক চালুক্য রাজা বিক্রমাদিত্যের, আর তাতে কোনো তারিখ নেই। ওক্কালেরি তাম্রশাসনে বলা আছে, কাঞ্চী দখলের পর দ্বিতীয় বিক্রমাদিত্য রাজসিংহেশ্বর মন্দিরে দান করেছিলেন, আর সেই ভিত্তিতে হুল্টশ প্রবল সম্ভাবনা ধরে লিপিটি তাঁর বলে ঠিক করেছেন। পাঠ অনুযায়ী বিজেতা মন্দিরের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেননি, দেবতাকেই ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। ভুর্ৎসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্দোস্ক্রিপ্ট তালিকায় এটি প্রাচীন কন্নড় ভাষার ও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বলে চিহ্নিত, শাসককে প্রশ্নচিহ্ন দিয়ে দ্বিতীয় বিক্রমাদিত্য বলা হয়েছে, আর সময় দেওয়া হয়েছে ৭৪০ থেকে ৭৭০।
কর্ণাটকের পট্টদকলে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের পাতা গল্পটিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। তাতে বিরূপাক্ষ মন্দিরের কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে দ্বিতীয় বিক্রমাদিত্যের (৭৩৩ থেকে ৪৬) এক রানিকে, এবং বলা হয়েছে এটি কাঞ্চীপুরমের কৈলাসনাথের প্রভাবে তৈরি। সেখানকার মল্লিকার্জুন মন্দির, পাতাটির ভাষায়, পল্লবদের বিরুদ্ধে রাজার জয়কে উদ্যাপন করে, আর রাষ্ট্রকূট রাজা প্রথম কৃষ্ণ (৭৫৭ থেকে ৭৮৩) যখন ইলোরায় কৈলাস খোদাই করেন, বিরূপাক্ষ পরে তাঁর আদর্শ হয়েছিল। দুটি স্থানই আলোচিত হয়েছে পট্টদকল আর ইলোরার কৈলাস মন্দির লেখায়।
চোল দান, আর তাঞ্জাভুরের দাবি
পল্লবদের পরেও কয়েক শতক মন্দিরটি ব্যবহারে ছিল। হুল্টশের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশে ছাপা তামিল দানলিপিগুলি একে বলেছে পবিত্র পাথরের মন্দির, তামিলে তিরুক্কর্রলি। একটি স্তম্ভলিপি, মদিরৈকোন্ড কো-পরকেশরীবর্মণ নামের এক রাজার পঞ্চদশ বছরের তারিখে (হুল্টশ লক্ষ করেছেন, চোল রাজা প্রথম পরান্তকও এই উপাধি ব্যবহার করতেন), ২৭০টি ভেড়া দানের কথা লিখেছে, যাতে তাদের ঘি দিয়ে তিনটি প্রদীপ জ্বলতে থাকে। এক রাজার তৃতীয় বছরে মেনালুরের গ্রামবাসীরা মন্দির থেকে সোনা নিয়ে তার সুদ থেকে একটি প্রদীপের তেল দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। দ্বাদশ বছরের তারিখ দেওয়া একটি খণ্ডিত লিপিতে “রাজসিংহেশ্বর নামেও পরিচিত বিশাল পবিত্র পাথরের মন্দির”-এর উল্লেখ আছে, আর হুল্টশ তার রাজাকে রাজরাজদেব বলে শনাক্ত করেছিলেন। রাজেন্দ্র চোলের আরেকটি খণ্ডিত লিপিতে ধান, সোনা আর টাকা দানের কথা আছে বলে মনে হয়।
জনপ্রিয় বিবরণ আরও এগোয়। গোপু বলেছেন, রাজরাজ চোল একে বলতেন কাঞ্চীপুরত্তু পেরিয়া তিরু-ক-কর্রলি, কাঞ্চীপুরমের বিশাল পাথরের মন্দির, এবং এটিকে তাঞ্জাভুরের মন্দির বানানোর অনুপ্রেরণা হিসেবে ধরেছেন। আইএএনএস প্রতিবেদন সেই অনুপ্রেরণার কৃতিত্ব দিয়েছে মাইলবাহনন নামের এক স্থানীয় মন্দির-গবেষকের পাঠকে, আর ই-সংস্কৃতিও একই দাবি করেছে। এখানে উদ্ধৃত হুল্টশের লিপিগুলি এ কথা বলে না, তাই এটি থেকে যায় একটি ঐতিহ্য আর শিল্প-ইতিহাসের একটি পাঠ হিসেবে। তাঞ্জাভুরের নির্মাতা আর তাঁর মন্দিরের কথা আছে সমুদ্রের সম্রাট রাজরাজ চোল এবং মহান জীবন্ত চোল মন্দির লেখায়।
দেখতে যাওয়া, আর রংকে বাঁচিয়ে রাখা
ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া মন্দিরটিকে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২:৩০ আর বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬:৩০ পর্যন্ত খোলা বলে তালিকাভুক্ত করেছে, এবং প্রবেশমূল্যের কথা বলেনি। আমি পাতাটি দেখেছি ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর। অন্য তালিকা মেলে না: তামিলনাড়ু টেম্পলস প্রজেক্ট দিয়েছে সকাল ৮:৩০ থেকে ১২ আর বিকেল ৪ থেকে রাত ৯, আর ডিটি নেক্সটের লেখক ২০১৬ সালে জানিয়েছিলেন, গর্ভগৃহ দুপুর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বন্ধ থাকত, তবে স্থাপত্য দেখতে আসা দর্শকদের জন্য বাকিটা খোলা থাকত। স্থানীয়ভাবে সময় যাচাই করে নিন।
কাছের বিমানবন্দর চেন্নাই আন্তর্জাতিক (MAA) আর কাছের রেলস্টেশন কাঞ্চীপুরম (CJ), একই সাইট অনুযায়ী, যারা ফেব্রুয়ারি বা মার্চের মহাশিবরাত্রিকে প্রধান উৎসব বলেছে। সাইটটি মন্দিরটিকে কাঞ্চীপুরমের শিবের উদ্দেশে নিবেদিত সবচেয়ে পুরোনো ভবনগুলির একটি বলেছে এবং বলেছে এতে তামিলনাড়ুর হিন্দু ভিত্তিচিত্রের কিছু সবচেয়ে প্রাচীন ও সেরা নিদর্শন আছে। গোপু বর্ণনা করেছেন ছোট মন্দিরগুলির মাঝখানে সোমস্কন্দের দুটি ক্ষতিগ্রস্ত চিত্র, যেগুলিকে তিনি অজন্তার ধারায় রেখেছেন।
রংই সেই অংশ যার যত্ন দরকার। ২০২১ সালের মে মাসে একটি আইএএনএস প্রতিবেদন জানায়, বিস্তারিত সমীক্ষায় ভিত্তিচিত্র ফিকে হয়ে আসা আর রাসায়নিক চিকিৎসায় ক্ষয় না থামা ধরা পড়ার পর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ আইআইটি মাদ্রাজের বিশেষজ্ঞদের আনার পরিকল্পনা করেছে। এক এএসআই কর্মকর্তা সংস্থাটিকে বলেন, মন্দিরটি চুনের প্লাস্টারের হওয়ায় ঐতিহ্যগত পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এই কাজ নিয়ে পরবর্তী কোনো প্রতিবেদন আমি পাইনি।
প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর প্রকাশ করা ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের ভারতীয় সম্ভাব্য তালিকায় তামিলনাড়ুর “কাঞ্চীপুরমের মন্দিরসমূহ” আছে, যা ২০২১ সালে (iv) আর (vi) মানদণ্ডে জমা দেওয়া হয়েছিল। আইএএনএস প্রতিবেদন বলেছে, কৈলাসনাথর মন্দির সেই তালিকায় আছে।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- South Indian Inscriptions, Volume 1, Part I: The Pallava inscriptions on the Kailasanatha temple at Kanchipuram (ed. E. Hultzsch)
- South Indian Inscriptions, Volume 1, Part II: Inscriptions Nos. 82 to 85 of the Kailasanatha temple at Kanchipuram
- South Indian Inscriptions, Volume 1, Part III: Inscriptions Nos. 144 to 150 of the Kailasanatha temple at Kanchipuram
- Epigraphia Indica, Volume 3, No. 48: Kanchi Inscription of Vikramaditya (E. Hultzsch)
- Incredible India (Ministry of Tourism): Kailasanatha Temple, Kanchipuram
- Incredible India (Ministry of Tourism): Kanchipuram
- Archaeological Survey of India: Group of Monuments at Pattadakal
- Archaeological Survey of India: Group of Monuments Mahabalipuram
- Press Information Bureau: India, Properties on the Tentative List (UNESCO)
- Indoskript, University of Wurzburg: Kancipuram Kailasanatha-Temple Inscription of Vikramaditya
- World History Encyclopedia: Kanchipuram
- eSamskriti: Architecture and Story of the Kailasanatha Temple, Kanchipuram
- Swarajya (R. Gopu, 9 August 2020): Seven Thousand Wonders of India, Part III, Rajasimha Pallaveshvaram
- India Tribune / IANS (26 May 2021): ASI with IIT experts to preserve 1,300-year-old Kailasnathar temple in TN
- Tamil Nadu Temples Project: Kailasanathar, Kanchipuram (page dated 28 April 2018, updated 1 July 2022)
- DT Next (11 December 2016): Stones and stories
- Publisher's description of Padma Kaimal, Opening Kailasanatha (University of Washington Press, 2020)
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।